ইতিহাস বলছে, সংখ্যাগুরুদের আধিপত্য ও সংখ্যালঘুদের ওপর নিপীড়ন রাষ্ট্র ভাঙনের পথ তৈরি করতে পারে। এ কারণেই ভারত ভাগ হয়ে পাকিস্তান হয়েছিল, আবার পাকিস্তান ভেঙে বাংলাদেশ জন্ম নিয়েছিল।
বাংলাদেশের বিশ্বকাপ খেলা, না খেলা নিয়ে অনেক জলঘোলা হয়েছে। জানুয়ারি মাসে মোস্তাফিজুর রহমানকে আইপিএল থেকে বাদ দেওয়া হয় হিন্দুত্ববাদীদের হুমকির মুখে। মোস্তাফিজকে আইপিএল থেকে বাদ দেওয়ার কারণটা বলা হয়েছিল ওই নিরাপত্তার জনিত সমস্যার বিষয়টিই।
নরেন্দ্র মোদি বলেন, “বাংলাদেশের সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয়ের দিকে নেতৃত্ব দেওয়ায় আমি মি. তারেক রহমানকে আন্তরিক অভিনন্দন জানাই। এই বিজয় আপনার নেতৃত্বের প্রতি বাংলাদেশের জনগণের আস্থার প্রতিফলন।”
উপদেষ্টা আসিফ নজরুল বলেন, “বিশ্বকাপ খেলতে ভারতে যাওয়ার সিদ্ধান্ত সরকারের পক্ষ থেকে নেওয়া হয়েছে। সেই অবস্থানে তারা অনড় আছেন। যে নিরাপত্তা উদ্বেগের কারণে তারা ভারতে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, সেটিরও কোনো পরিবর্তন হয়নি।”
আসিফ নজরুল বলেন, আইসিসি অযৌক্তিক চাপ দিয়ে ভারতে খেলতে বাধ্য করতে পারবে না। অতীতেও ভেন্যু পরিবর্তনের নজির আছে। বাংলাদেশকে বাদ দিয়ে স্কটল্যান্ডকে নেওয়া হচ্ছে এমন কোনো খবর তার জানা নেই বলেও জানান ক্রীড়া উপদেষ্টা।
ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্প লিখেছেন, “যেকোনো দেশ যদি ইসলামিক রিপাবলিক অব ইরানের সঙ্গে ব্যবসা করে, তবে তাদের যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে করা সব ধরনের বাণিজ্যের ওপর ২৫ শতাংশ শুল্ক দিতে হবে। এই আদেশ চূড়ান্ত এবং নিষ্পত্তিমূলক।”
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি ২০২৬) অস্ট্রেলিয়ার ফেডারেল সরকার দক্ষিণ এশিয়ার চার দেশকে (বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল ও ভুটান) স্টুডেন্ট ভিসার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ঝুঁকির তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করে।
ভেনেজুয়েলায় অভিযান চালিয়ে দেশটির প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো ও তার স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেসকে আমেরিকান বাহিনী আটক করে নিয়ে যাওয়ার ঘটনায় প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে চীন ও ভারত।
একজন আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত, চুক্তিবদ্ধ ক্রিকেটার যদি রাজনৈতিক বাস্তবতার কারণে একটি লিগে খেলতে না পারেন, তাহলে সেই লিগের নিরপেক্ষতা নিয়েই স্বাভাবিকভাবেই সন্দেহ তৈরি হয়। আরও বড় প্রশ্ন হলো—যদি একজন খেলোয়াড়ই নিরাপদ না হন, তবে ভবিষ্যতে অন্য দেশের দল বা খেলোয়াড়রা কতটা আস্থা নিয়ে সেখানে খেলতে যাবেন?
ভিসা জটিলতা, শ্রমবাজারের স্থবিরতা ও নানা সংকটে কেটেছে অভিবাসী প্রার্থীদের পুরো বছর (২০২৫)। কূটনৈতিক ব্যর্থতায় মালয়েশিয়াসহ বিভিন্ন দেশে শ্রমবাজার স্থবির হয়ে আছে বলেও অভিযোগ জানিয়েছেন রিক্রুটমেন্ট এজেন্সির মালিকেরা
ভৌগোলিক বৈচিত্র্যের কারণে ভিন্ন ভিন্ন সময়ে হলেও, আতশবাজির রঙিন উৎসব আর নতুন শুরুর উদ্দীপনায় বিশ্বজুড়ে বরণ করে নেওয়া হয়েছে ২০২৬ সালকে। প্রশান্ত মহাসাগরের দ্বীপপুঞ্জ থেকে শুরু করে এশিয়ার জনপদ সবখানেই ছিল উৎসবের আমেজ।
ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস. জয়শঙ্কর আশা প্রকাশ করে বলেছেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার আদর্শ ও মূল্যবোধ বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের উন্নয়নে পথনির্দেশক হিসেবে কাজ করবে।
গত শুক্রবার ইথিওপিয়ান এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে ওই বাংলাদেশিরা জোহানেসবার্গের ওআর টাম্বো আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান। আগমনের পর যাত্রীদের তথ্য ও চলাচলের ধরন বিশ্লেষণ করে বিএমএ কর্মকর্তারা তাদের আচরণকে সন্দেহজনক হিসেবে চিহ্নিত করেন।
এই প্রতিবেদনটি থেকে বোঝা যায়, এই নীতির সবচেয়ে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে বাংলাদেশ, পাকিস্তান, সোমালিয়া, নাইজেরিয়া, উত্তর আফ্রিকা এবং মধ্যপ্রাচ্যের প্রবাসীদের ওপর। এসব দেশ থেকে আসা বিপুলসংখ্যক মুসলিম নাগরিক যুক্তরাজ্যে বসবাস করেন।
২০২৫ সালে দেশটির গোল্ডেন ভিসা ও ভ্রমণ ভিসা প্রকল্পের অধীনে নতুন আরও কিছু ক্যাটাগরি নিয়ে এসেছে। যার মধ্যে আবেদন ও যোগ্যতার ক্ষেত্রে কিছু নিয়ম পরিবর্তন করা হয়েছে। এতে পর্যটক, পেশাজীবী ও বাসিন্দারা কীভাবে দেশটিতে প্রবেশ করবেন সেটির নিয়মবালি যুক্ত করা হয়েছে।
কানাডার উইনিপেগে কানাডা–বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন (সিবিএ) ম্যানিটোবার উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হলো বৈচিত্র্যময় ও বর্ণাঢ্য ‘সিবিএ মাল্টিকারচারাল নাইট ২০২৫’।
বর্ষাকালে (জুন থেকে সেপ্টেম্বর) সোহরা জলপ্রপাত তার পূর্ণ রূপে ফেটে পড়ে। জলরাশির গর্জনে যেন পাহাড় কেঁপে ওঠে, আর সেই কম্পন মনে জাগায় এক গভীর প্রশান্তি। সূর্য যখন পশ্চিমে ঢলে পড়ে, তখন ঝরনার ওপর সোনালি আলো পড়ে পাহাড়টাকে রাঙিয়ে দেয় কমলা ও সোনার আভায়।
বাংলাদেশ ও ভারত থেকে আসা নাগরিকদের ভিসা জালিয়াতি রোধে একযোগে ভিসা আবেদন বাতিলের ক্ষমতা অর্জন করতে চাইছে কানাডা সরকার। দেশটির জাতীয় সম্প্রচারমাধ্যম সিবিসি নিউজ সরকারি অভ্যন্তরীণ নথির বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে।
মনীষী ওকাকুরা দুবার ভারতবর্ষ ভ্রমণ করে ভারতকে আবিষ্কার করেছিলেন একবার ১৯০২ সালে এবং আরেকবার ১৯১২ সালে। অন্যদিকে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৯১৬ থেকে ১৯২৯ সালের মধ্যে পাঁচবার জাপান ভ্রমণ করে জাপানকে গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করেছেন। দুজন-দুজনের চিন্তাদ্বারা গভীরভাবে প্রভাবিত হয়েছেন।
আঞ্চলিক সহযোগিতা এই অঞ্চলের সব মানুষের ভাগ্যের দুয়ার খুলে দিতে পারত। যেমন পেরেছে ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলো। দক্ষিণ এশিয়ার বিশাল বাজার, জনশক্তি ও প্রাকৃতিক সম্পদের ব্যবহার এই অঞ্চলের দেশগুলোকে অর্থনৈতিক উন্নতির শিখরে নিয়ে যেতে পারে।

একজন আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত, চুক্তিবদ্ধ ক্রিকেটার যদি রাজনৈতিক বাস্তবতার কারণে একটি লিগে খেলতে না পারেন, তাহলে সেই লিগের নিরপেক্ষতা নিয়েই স্বাভাবিকভাবেই সন্দেহ তৈরি হয়। আরও বড় প্রশ্ন হলো—যদি একজন খেলোয়াড়ই নিরাপদ না হন, তবে ভবিষ্যতে অন্য দেশের দল বা খেলোয়াড়রা কতটা আস্থা নিয়ে সেখানে খেলতে যাবেন?
০৪ জানুয়ারি ২০২৬