
মোহাম্মদ সাকিবুর রহমান খান, কানাডা থেকে

কানাডার উইনিপেগে কানাডা–বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন (সিবিএ) ম্যানিটোবার উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হলো বৈচিত্র্যময় ও বর্ণাঢ্য ‘সিবিএ মাল্টিকারচারাল নাইট ২০২৫’।
শনিবার (২২ নভেম্বর) উইনিপেগের এমটিওয়াইপি থিয়েটারে আয়োজিত এ সাংস্কৃতিক উৎসবে অংশ নেন বিভিন্ন দেশের শিল্পী, অতিথি, সংগঠক ও বহু দর্শক।

অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য দেন সিবিএর সভাপতি ড. হারুনুর রশীদ। তিনি বলেন, “বহুসংস্কৃতির শক্তিই কানাডার বড় পরিচয়। নানা দেশের মানুষের মিলনমেলা তৈরি করাই এ আয়োজনের উদ্দেশ্য।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন—ফোর্ট রিচমন্ডের এমএলএ জেনিফার চ্যান, সিটি অব উইনিপেগের ওয়েভারলি ওয়েস্টের কাউন্সিলর জেনিস লুকস ও কমিউনিটি লিডার দুর্দানা ইসলাম।
অতিথিরা তাদের বক্তব্যে বলেন, কানাডার বহুসংস্কৃতির নীতি সমগ্র সমাজকে সমৃদ্ধ করেছে এবং বিভিন্ন প্রান্তের মানুষকে এক অভিন্ন সামাজিক কাঠামোর মধ্যে যুক্ত করেছে।

দেশভিত্তিক পারফরম্যান্সে ছিল বৈচিত্র্য
উৎসবে বিভিন্ন দেশের শিল্পীরা পরিবেশন করেন গান, নাচ, কবিতা ও নিজস্ব ঐতিহ্যবাহী সাংস্কৃতিক পরিবেশনা। অংশ নেওয়া দেশগুলো হলো—নিকারাগুয়া, ভারত. নেপাল, শ্রীলঙ্কা ও বাংলাদেশ।
বাংলাদেশি শিল্পীরা দেশীয় গান, নৃত্য ও কবিতা পরিবেশনার মাধ্যমে দর্শকদের বিশেষভাবে মুগ্ধ করেন।

বাংলাদেশি স্টল ছিল বড় আকর্ষণ
অনুষ্ঠনস্থলে স্থাপিত বাংলাদেশি স্টলগুলোতে ছিল দেশি খাবার, ঐতিহ্যবাহী শাড়ি, হস্তশিল্প ও নানা সমসাময়িক পণ্য। পরিবার–পরিজন নিয়ে আগত দর্শনার্থীরা দেশি স্বাদ ও দেশি পণ্যের প্রতি গভীর আগ্রহ প্রকাশ করেন।
অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন মাহফুজার রহমান, মৌসুমি মৈত্র ও প্রজেশ কুমার ভক্ত সাহা।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন মোহাম্মদ নুরুজ্জামান খান, ম্যানিটোবা বাংলা লার্নিং সেন্টারের প্রতিনিধি। তিনি বলেন, কমিউনিটির সংহতি ও সাংস্কৃতিক অগ্রযাত্রায় এমন অনুষ্ঠান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

সিবিএর নির্বাহী কমিটির সদস্যদের উপস্থিতি
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সিবিএর নির্বাহী কমিটির সদস্য, আব্দুল বাতেন, শামেমুল হাসান, জাফরুল হাসান শুভ, এম এ রাশেদ, সনৎ দাস গুপ্ত, মো. তানভীর রহমান, উজ্জ্বল আহমেদ লিটন, মো. মাসুদ খান, আশফিয়া আশরাফি প্রমিটি, প্রমা স্বর্ণা, মঈনুল ইসলাম পাবেল, মেহেদী হাসান, আরাফাত হোসেন, তাহের শাহজাহান, ইমাম হাসান আকান, মো. তাজুল ইসলাম, সারা নূর, পান্থ আজাদ, এহসানুল হক শাওয়ান, লাবিব রানা ও অডিতা বিনতে জামান।

উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন এ বহুসাংস্কৃতিক রাত উইনিপেগে বসবাসরত পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ থেকে আসা মানুষের বৈচিত্র্য ও ঐক্যের বার্তা আরও দৃঢ় করেছে।

কানাডার উইনিপেগে কানাডা–বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন (সিবিএ) ম্যানিটোবার উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হলো বৈচিত্র্যময় ও বর্ণাঢ্য ‘সিবিএ মাল্টিকারচারাল নাইট ২০২৫’।
শনিবার (২২ নভেম্বর) উইনিপেগের এমটিওয়াইপি থিয়েটারে আয়োজিত এ সাংস্কৃতিক উৎসবে অংশ নেন বিভিন্ন দেশের শিল্পী, অতিথি, সংগঠক ও বহু দর্শক।

অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য দেন সিবিএর সভাপতি ড. হারুনুর রশীদ। তিনি বলেন, “বহুসংস্কৃতির শক্তিই কানাডার বড় পরিচয়। নানা দেশের মানুষের মিলনমেলা তৈরি করাই এ আয়োজনের উদ্দেশ্য।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন—ফোর্ট রিচমন্ডের এমএলএ জেনিফার চ্যান, সিটি অব উইনিপেগের ওয়েভারলি ওয়েস্টের কাউন্সিলর জেনিস লুকস ও কমিউনিটি লিডার দুর্দানা ইসলাম।
অতিথিরা তাদের বক্তব্যে বলেন, কানাডার বহুসংস্কৃতির নীতি সমগ্র সমাজকে সমৃদ্ধ করেছে এবং বিভিন্ন প্রান্তের মানুষকে এক অভিন্ন সামাজিক কাঠামোর মধ্যে যুক্ত করেছে।

দেশভিত্তিক পারফরম্যান্সে ছিল বৈচিত্র্য
উৎসবে বিভিন্ন দেশের শিল্পীরা পরিবেশন করেন গান, নাচ, কবিতা ও নিজস্ব ঐতিহ্যবাহী সাংস্কৃতিক পরিবেশনা। অংশ নেওয়া দেশগুলো হলো—নিকারাগুয়া, ভারত. নেপাল, শ্রীলঙ্কা ও বাংলাদেশ।
বাংলাদেশি শিল্পীরা দেশীয় গান, নৃত্য ও কবিতা পরিবেশনার মাধ্যমে দর্শকদের বিশেষভাবে মুগ্ধ করেন।

বাংলাদেশি স্টল ছিল বড় আকর্ষণ
অনুষ্ঠনস্থলে স্থাপিত বাংলাদেশি স্টলগুলোতে ছিল দেশি খাবার, ঐতিহ্যবাহী শাড়ি, হস্তশিল্প ও নানা সমসাময়িক পণ্য। পরিবার–পরিজন নিয়ে আগত দর্শনার্থীরা দেশি স্বাদ ও দেশি পণ্যের প্রতি গভীর আগ্রহ প্রকাশ করেন।
অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন মাহফুজার রহমান, মৌসুমি মৈত্র ও প্রজেশ কুমার ভক্ত সাহা।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন মোহাম্মদ নুরুজ্জামান খান, ম্যানিটোবা বাংলা লার্নিং সেন্টারের প্রতিনিধি। তিনি বলেন, কমিউনিটির সংহতি ও সাংস্কৃতিক অগ্রযাত্রায় এমন অনুষ্ঠান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

সিবিএর নির্বাহী কমিটির সদস্যদের উপস্থিতি
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সিবিএর নির্বাহী কমিটির সদস্য, আব্দুল বাতেন, শামেমুল হাসান, জাফরুল হাসান শুভ, এম এ রাশেদ, সনৎ দাস গুপ্ত, মো. তানভীর রহমান, উজ্জ্বল আহমেদ লিটন, মো. মাসুদ খান, আশফিয়া আশরাফি প্রমিটি, প্রমা স্বর্ণা, মঈনুল ইসলাম পাবেল, মেহেদী হাসান, আরাফাত হোসেন, তাহের শাহজাহান, ইমাম হাসান আকান, মো. তাজুল ইসলাম, সারা নূর, পান্থ আজাদ, এহসানুল হক শাওয়ান, লাবিব রানা ও অডিতা বিনতে জামান।

উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন এ বহুসাংস্কৃতিক রাত উইনিপেগে বসবাসরত পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ থেকে আসা মানুষের বৈচিত্র্য ও ঐক্যের বার্তা আরও দৃঢ় করেছে।
তিন কূটনীতিক রয়টার্সকে জানান, কাতারের আল উদেইদ বিমানঘাঁটি থেকে কিছু আমেরিকান কর্মীকে বুধবার সন্ধ্যার মধ্যে সরে যেতে বলা হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ভিসা আবেদন যাচাই-বাছাইয়ের সময় বিদ্যমান আইনের অধীনে ভিসা প্রত্যাখ্যানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে চিঠিতে। আগামী ২১ জানুয়ারি থেকে এ নির্দেশ কার্যকর হবে এবং অভিবাসী ভিসা প্রক্রিয়াকরণ পুনর্মূল্যায়ন না করা পর্যন্ত অনির্দিষ্টকালের জন্য অব্যাহত থাকবে বলেও এতে উল্লেখ করা হয়।
রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান পরিস্থিতি এবং বৈশ্বিক আন্তর্জাতিক নিরাপত্তার জন্য ভয়াবহ পরিণতির বিষয়ে আমেরিকাকে সচেতন হতে হবে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই কর্মকর্তা জানান, নিহতদের মধ্যে বিক্ষোভকারী ও নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা রয়েছে। তবে পৃথকভাবে কতজন বিক্ষোভকারী বা কতজন নিরাপত্তা কর্মী মারা গেছে, তার কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য তিনি দেননি।