সংসদ নির্বাচনের সঙ্গে এবার গণভোটও হচ্ছে। এই দুই ভোটে আগামী পাঁচ বছর কারা দেশ পরিচালনা করবে এবং দীর্ঘদিন ধরে সমালোচিত ব্যবস্থাগুলোর সংস্কারের বিষয়ে জনসমর্থন চাওয়া হবে।
বুধবার সকাল সোয়া ৯টা পর্যন্ত ৫ লাখ ২৮ হাজার ৫৭৯ জন ব্যালট গ্রহণ করেছেন। ইতিমধ্যে ভোট দিয়েছেন ৫ লাখ ১৫ হাজার ৬১৯ জন। এ ছাড়া, ৫ লাখ ৭ হাজার ৩২৭ জন প্রবাসী ভোটার তাদের ব্যালট সংশ্লিষ্ট দেশের পোস্ট অফিস বা ডাক বিভাগে জমা দিয়েছেন। এর মধ্যে ৪ লাখ ৪৪ হাজার ৪৩৬টি ব্যালট রিটার্নিং কর্মকর্তারা বুঝে পেয়েছেন।
তিনি বলেন, ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ অ্যাপের মাধ্যমে নিবন্ধনকারী প্রবাসীদের কাছে মোট ৭ লাখ ৬৬ হাজার ৮৬২টি ব্যালট পাঠানো হয়েছে। এর মধ্যে আজ মঙ্গলবার সকাল ১০টা পর্যন্ত ৫ লাখ ২৮ হাজার ২৩৩ জন প্রবাসী তাদের ব্যালট গ্রহণ করেছেন এবং ৫ লাখ ১২ হাজার ৯১৬ জন ইতিমধ্যে ভোটদান সম্পন্ন করেছেন।
সালীম আহমাদ খান জানান,‘পোস্টাল ভোট বিডি’ অ্যাপের মাধ্যমে নিবন্ধনকারী প্রবাসীদের কাছে মোট ৭ লাখ ৬৬ হাজার ৮৬২টি ব্যালট পাঠানো হয়েছে। এর মধ্যে আজ সকাল ১১ টা পর্যন্ত ৫ লাখ ২৭ হাজার ৪৫০ জন প্রবাসী তাদের ব্যালট গ্রহণ করেছেন এবং ৫ লাখ ৩ হাজার ৪৪১ জন ইতোমধ্যে ভোটদান সম্পন্ন করেছেন।
আজ সকাল সোয়া ১০টা পর্যন্ত ৫ লাখ ২৭ হাজার ৩৩ জন প্রবাসী তাদের ব্যালট গ্রহণ করেছেন এবং ৪ লাখ ৯৪ হাজার ১৮৫ জন ইতোমধ্যে ভোটদান সম্পন্ন করেছেন। এ ছাড়া, ৪ লাখ ৬৮ হাজার ৯১ জন প্রবাসী ভোটার তাদের ব্যালট সংশ্লিষ্ট দেশের পোস্ট অফিস বা ডাক বিভাগে জমা দিয়েছেন।
আজ বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৯ পর্যন্ত ৫ লাখ ২৬ হাজার ৮ জন প্রবাসী তাদের ব্যালট গ্রহণ করেছেন এবং ৪ লাখ ৮০ হাজার ৪১৬ জন ইতিমধ্যে ভোটদান সম্পন্ন করেছেন। এ ছাড়া, ৪ লাখ ৪৪ হাজার ৯৫২ জন প্রবাসী ভোটার তাদের ব্যালট সংশ্লিষ্ট দেশের পোস্ট অফিস বা ডাক বিভাগে জমা দিয়েছেন।
৫ লাখ ২৪ হাজার ৮৬৯ জন প্রবাসী ভোটার তাদের ব্যালট গ্রহণ করেছেন এবং ভোটদান সম্পন্ন করেছেন ৪ লাখ ৭২ হাজার ৪১০ জন। এর মধ্যে ৩ লাখ ২৬ হাজার ২০টি পোস্টাল ব্যালট ইতিমধ্যে দেশে এসে পৌঁছেছে।
সালীম আহমাদ খান জানান, আজ বেলা ১২টা পর্যন্ত ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ অ্যাপের মাধ্যমে নিবন্ধনকারী প্রবাসীদের কাছে মোট ৭ লাখ ৬৬ হাজার ৮৬২টি ব্যালট পাঠানো হয়েছে। এর মধ্যে ৫ লাখ ২৪ হাজার ৮০ জন প্রবাসী তাদের ব্যালট গ্রহণ করেছেন এবং ৪ লাখ ৬৭ হাজার ৭০৭ জন ইতিমধ্যে ভোটদান সম্পন্ন করেছেন।
সালীম আহমাদ খান জানান, আজ বেলা ১১টা পর্যন্ত মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে নিবন্ধনকারীদের মধ্যে ৭ লাখ ৬৬ হাজার ৮৬২টি ব্যালট প্রবাসীদের কাছে পৌঁছেছে। এর মধ্যে ৫ লাখ ২২ হাজার ৩১৫ জন প্রবাসী ভোটার তাদের ব্যালট গ্রহণ করেছেন। আর ভোট দিয়েছেন ৪ লাখ ৬৪ হাজার ২২৫ জন। ১ লাখ ৯৪ হাজার ৯১৪টি পোস্টাল ব্যালট দেশে এসেছে।
ইসি সানাউল্লাহ বলেন, প্রবাসীদের জন্য ব্যবহৃত ব্যালটে মোট ১১৯টি প্রতীক থাকবে। ফলে খাম খোলা ও সঠিকভাবে ভোট গণনায় তুলনামূলকভাবে বেশি সময় লাগবে। ভোটকেন্দ্রে শুধু প্রিজাইডিং কর্মকর্তা কলম নিয়ে যেতে পারবে, অন্য কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্টরা পেনন্সিল নিয়ে যাবে।
রোববার বেলা ১১টা পর্যন্ত পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, অ্যাপের মাধ্যমে নিবন্ধনকারী ৭ লাখ ৬৬ হাজার ৮৬২ জনের মধ্যে ৫ লাখ ২০ হাজার ৫০১ জন প্রবাসী ভোটার তাদের ব্যালট গ্রহণ করেছেন। ভোটদান সম্পন্ন করেছেন ৪ লাখ ৬১ হাজার ৬০৪ জন। ১ লাখ ৫৭ হাজার ৭৯৮টি ব্যালট ইতিমধ্যে বাংলাদেশে এসে পৌঁছেছে।
শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত ৫ লাখ ১৬ হাজার ৭ জন প্রবাসী ভোটার তাদের ব্যালট গ্রহণ করেছেন এবং ৪ লাখ ৫৪ হাজার ৫৮৭ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন। ভোট দেওয়ার পর ৪ লাখ ৬ হাজার ৫৬৪ জন প্রবাসী ভোটার সংশ্লিষ্ট দেশের পোস্ট অফিস বা ডাক বাক্সে তাদের ব্যালট জমা দিয়েছেন।
প্রবাসী ভোটার নিবন্ধন বিষয়ক ‘ওসিভি-এসডিআই’ প্রকল্পের টিম লিডার সালীম আহমাদ খান জানান, ২৬ জানুয়ারি দুপুর ১টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে নিবন্ধনকারী ৬ লাখ ৮৩ হাজার ১২২ জন প্রবাসীর কাছে ব্যালট পৌঁছেছে। এর মধ্যে ৪ লাখ ৭৮ হাজার ৩২৬ জন প্রবাসী ভোটার ব্যালট গ্রহণ করেছেন।
নির্বাচন কমিশন (ইসি) জানায়, কমিশনের ওয়েবসাইট বা ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ অ্যাপে নির্ধারিত পদ্ধতি অনুসরণ করে সংশ্লিষ্ট আসনের প্রার্থী ও প্রতীকে ভোট দেওয়া যাবে। ভোট দেওয়ার পর আগামী ২৫ জানুয়ারির মধ্যে পোস্টাল ব্যালট ডাকযোগে বাংলাদেশে সংশ্লিষ্ট আসনের রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে পাঠাতে হবে।
প্রবাসী ভোটার নিবন্ধন বিষয়ক ‘ওসিভি-এসডিআই’ প্রকল্পের টিম লিডার সালীম আহমাদ খান বাসসকে বলেন, ‘এ পর্যন্ত ৩ লাখ ৭৩ হাজার ৩৯৮ জন প্রবাসীর ঠিকানায় পোস্টাল ব্যালট গেছে। তবে সঠিক ঠিকানা না দেওয়ায় বা ভোটারকে ঠিকানায় না পাওয়ার কারণে ৫ হাজার ১২৬টি ব্যালট দেশে ফেরত এসেছে।’
ইসি সূত্র জানায়, প্রবাসী ভোটারদের মধ্যে সৌদি আরব থেকে সর্বাধিক ২ লাখ ৩৯ হাজার ১৮৬ জন নিবন্ধন করেছেন। এরপর পর্যায়ক্রমে মালয়েশিয়া থেকে ৮৪ হাজার ২৯২ জন, কাতার থেকে ৭৬ হাজার ১৩৯ জন এবং ওমান থেকে ৫৬ হাজার ২০৭ জন ভোটার নিবন্ধিত হয়েছেন।
আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রবাসীদের ভোট গ্রহণের জন্য গত ১৮ নভেম্বর উদ্বোধন করা হয় ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ অ্যাপ। ১৯ নভেম্বর থেকে শুরু হয় নিবন্ধন প্রক্রিয়া। আর এই নিবন্ধনের সময়সীমা ছিল আজ ২৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত। গতকাল বুধবার তা বাড়ানো হয়েছে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত।
আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে ভোট দেওয়ার জন্য অনলাইনে পোস্টাল ভোট বিডি অ্যাপে নিবন্ধন শুরু হওয়ার পর আজ শনিবার (২০ ডিসেম্বর) বিকেল ৫টা পর্যন্ত ৫ লাখ ৩৭ হাজার ৭৮৬ জন নিবন্ধিত হয়েছেন। এর মধ্যে ২ লাখ ৩৫ হাজার ৩৯৩ জনের নিবন্ধন অনুমোদিত হয়েছে।
সভায় দেশটিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত তারেক আহমেদ ভোটারদের কঠোরভাবে সতর্ক করে বলেন, কাকে ভোট দেওয়া হয়েছে, সেই তথ্য সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করা বা অন্য কারও সঙ্গে শেয়ার করা যাবে না। ব্যালটকে তিনি একজন ভোটারের গোপনীয় আমানত হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, এর ব্যবহার অবশ্যই দায়িত্বশীলভাবে করতে হবে।
প্রবাসীদের কাছে ৯ ডিসেম্বর (মঙ্গলবার) থেকে পোস্টাল ব্যালট পেপার পাঠানো শুরু করবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এ ক্ষেত্রে গণভোট ও সংসদ নির্বাচনের জন্য দুই রঙের দুটি ব্যালট পাঠানো হবে।

বুধবার সকাল সোয়া ৯টা পর্যন্ত ৫ লাখ ২৮ হাজার ৫৭৯ জন ব্যালট গ্রহণ করেছেন। ইতিমধ্যে ভোট দিয়েছেন ৫ লাখ ১৫ হাজার ৬১৯ জন। এ ছাড়া, ৫ লাখ ৭ হাজার ৩২৭ জন প্রবাসী ভোটার তাদের ব্যালট সংশ্লিষ্ট দেশের পোস্ট অফিস বা ডাক বিভাগে জমা দিয়েছেন। এর মধ্যে ৪ লাখ ৪৪ হাজার ৪৩৬টি ব্যালট রিটার্নিং কর্মকর্তারা বুঝে পেয়েছেন।
১৯ দিন আগে
সালীম আহমাদ খান জানান, আজ বেলা ১১টা পর্যন্ত মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে নিবন্ধনকারীদের মধ্যে ৭ লাখ ৬৬ হাজার ৮৬২টি ব্যালট প্রবাসীদের কাছে পৌঁছেছে। এর মধ্যে ৫ লাখ ২২ হাজার ৩১৫ জন প্রবাসী ভোটার তাদের ব্যালট গ্রহণ করেছেন। আর ভোট দিয়েছেন ৪ লাখ ৬৪ হাজার ২২৫ জন। ১ লাখ ৯৪ হাজার ৯১৪টি পোস্টাল ব্যালট দেশে এসেছে।
০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রবাসী ভোটার নিবন্ধন বিষয়ক ‘ওসিভি-এসডিআই’ প্রকল্পের টিম লিডার সালীম আহমাদ খান জানান, ২৬ জানুয়ারি দুপুর ১টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে নিবন্ধনকারী ৬ লাখ ৮৩ হাজার ১২২ জন প্রবাসীর কাছে ব্যালট পৌঁছেছে। এর মধ্যে ৪ লাখ ৭৮ হাজার ৩২৬ জন প্রবাসী ভোটার ব্যালট গ্রহণ করেছেন।
২৬ জানুয়ারি ২০২৬
নির্বাচন কমিশন (ইসি) জানায়, কমিশনের ওয়েবসাইট বা ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ অ্যাপে নির্ধারিত পদ্ধতি অনুসরণ করে সংশ্লিষ্ট আসনের প্রার্থী ও প্রতীকে ভোট দেওয়া যাবে। ভোট দেওয়ার পর আগামী ২৫ জানুয়ারির মধ্যে পোস্টাল ব্যালট ডাকযোগে বাংলাদেশে সংশ্লিষ্ট আসনের রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে পাঠাতে হবে।
২১ জানুয়ারি ২০২৬
সভায় দেশটিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত তারেক আহমেদ ভোটারদের কঠোরভাবে সতর্ক করে বলেন, কাকে ভোট দেওয়া হয়েছে, সেই তথ্য সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করা বা অন্য কারও সঙ্গে শেয়ার করা যাবে না। ব্যালটকে তিনি একজন ভোটারের গোপনীয় আমানত হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, এর ব্যবহার অবশ্যই দায়িত্বশীলভাবে করতে হবে।
১১ ডিসেম্বর ২০২৫