
মাহবুব সরকার, আবুধাবি থেকে

সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে বাংলাদেশের আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পোস্টাল ব্যালটে ভোটদান বিষয়ে সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সভায় দেশটিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত তারেক আহমেদ জানান, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের এক থেকে দেড় মাস আগে পোস্টাল ব্যালট পেয়ে যাবেন আমিরাতে বসবাসরত প্রবাসী নিবন্ধিত ভোটররা। দেশের মতো প্রবাসীরাও ভোট দেবেন উৎসবের মতো। তবে তিনি এই ব্যালটের গোপনীয়তা রক্ষা ও দায়িত্বশীল ব্যবহার নিশ্চিত করার জন্য প্রবাসীদের প্রতি বিশেষ আহ্বান জানান।

সোমবার (৮ ডিসেম্বর) দুবাইয়ে বাংলাদেশ কনস্যুলেটে প্রবাসীদের পোস্টাল ভোটদান বিষয়ে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতি করেন রাষ্ট্রদূত তারেক আহমেদ।
তিনি ভোটারদের কঠোরভাবে সতর্ক করে বলেন, কাকে ভোট দেওয়া হয়েছে, সেই তথ্য সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করা বা অন্য কারও সঙ্গে শেয়ার করা যাবে না।
ব্যালটকে তিনি একজন ভোটারের গোপনীয় আমানত হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, এর ব্যবহার অবশ্যই দায়িত্বশীলভাবে করতে হবে।

সভায় স্বাগত বক্তব্য দেন দুবাইয়ের বাংলাদেশ কনস্যুলেটে নিয়োজিত কনসাল জেনারেল মো. রাশেদুজ্জামান। তিনি বলেন, প্রবাস থেকে প্রথমবারের মতো 'পোস্টাল ভোট বিডি' অ্যাপের মাধ্যমে ভোট প্রদান একটি অবিস্মরণীয় অভিজ্ঞতা হতে চলেছে।
তিনি মনে করেন, এই উদ্যোগটি পুরো নির্বাচনী ব্যবস্থায় একটি নতুন অধ্যায় যুক্ত করল।
অনুষ্ঠানে এক প্রশ্নোত্তর পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। এই পর্বে প্রবাসীদের পক্ষ থেকে 'পোস্টাল ভোট বিডি' অ্যাপ ব্যবহারের নিয়ম, ব্যালটের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং ভোট পাঠানোর প্রক্রিয়া সম্পর্কে বিভিন্ন প্রশ্ন করা হয় এবং মিশন কর্মকর্তারা তার বিস্তারিত ব্যাখ্যা প্রদান করেন।

মিশন কর্মকর্তারা প্রবাসীদের আমিরাতের আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকার এবং ভোটকে কেন্দ্র করে লোকসমাগম করা থেকে বিরত থাকার এবং ব্যক্তিগতভাবে ভোট প্রদানে উৎসাহিত করা হয়।
দূতাবাস ও কনস্যুলেটের ফেসবুক পেজে নিয়মিত পোস্টাল ব্যালটে ভোট প্রদানের নিয়ম জানানো হচ্ছে। তাই সকল প্রবাসীকে নিয়মিতভাবে দূতাবাস ও কনস্যুলেটের ফেসবুক পেজ দুটিতে দৃষ্টি রাখার অনুরোধ জানান মিশন কর্মকর্তারা।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে বাংলাদেশের আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পোস্টাল ব্যালটে ভোটদান বিষয়ে সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সভায় দেশটিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত তারেক আহমেদ জানান, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের এক থেকে দেড় মাস আগে পোস্টাল ব্যালট পেয়ে যাবেন আমিরাতে বসবাসরত প্রবাসী নিবন্ধিত ভোটররা। দেশের মতো প্রবাসীরাও ভোট দেবেন উৎসবের মতো। তবে তিনি এই ব্যালটের গোপনীয়তা রক্ষা ও দায়িত্বশীল ব্যবহার নিশ্চিত করার জন্য প্রবাসীদের প্রতি বিশেষ আহ্বান জানান।

সোমবার (৮ ডিসেম্বর) দুবাইয়ে বাংলাদেশ কনস্যুলেটে প্রবাসীদের পোস্টাল ভোটদান বিষয়ে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতি করেন রাষ্ট্রদূত তারেক আহমেদ।
তিনি ভোটারদের কঠোরভাবে সতর্ক করে বলেন, কাকে ভোট দেওয়া হয়েছে, সেই তথ্য সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করা বা অন্য কারও সঙ্গে শেয়ার করা যাবে না।
ব্যালটকে তিনি একজন ভোটারের গোপনীয় আমানত হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, এর ব্যবহার অবশ্যই দায়িত্বশীলভাবে করতে হবে।

সভায় স্বাগত বক্তব্য দেন দুবাইয়ের বাংলাদেশ কনস্যুলেটে নিয়োজিত কনসাল জেনারেল মো. রাশেদুজ্জামান। তিনি বলেন, প্রবাস থেকে প্রথমবারের মতো 'পোস্টাল ভোট বিডি' অ্যাপের মাধ্যমে ভোট প্রদান একটি অবিস্মরণীয় অভিজ্ঞতা হতে চলেছে।
তিনি মনে করেন, এই উদ্যোগটি পুরো নির্বাচনী ব্যবস্থায় একটি নতুন অধ্যায় যুক্ত করল।
অনুষ্ঠানে এক প্রশ্নোত্তর পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। এই পর্বে প্রবাসীদের পক্ষ থেকে 'পোস্টাল ভোট বিডি' অ্যাপ ব্যবহারের নিয়ম, ব্যালটের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং ভোট পাঠানোর প্রক্রিয়া সম্পর্কে বিভিন্ন প্রশ্ন করা হয় এবং মিশন কর্মকর্তারা তার বিস্তারিত ব্যাখ্যা প্রদান করেন।

মিশন কর্মকর্তারা প্রবাসীদের আমিরাতের আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকার এবং ভোটকে কেন্দ্র করে লোকসমাগম করা থেকে বিরত থাকার এবং ব্যক্তিগতভাবে ভোট প্রদানে উৎসাহিত করা হয়।
দূতাবাস ও কনস্যুলেটের ফেসবুক পেজে নিয়মিত পোস্টাল ব্যালটে ভোট প্রদানের নিয়ম জানানো হচ্ছে। তাই সকল প্রবাসীকে নিয়মিতভাবে দূতাবাস ও কনস্যুলেটের ফেসবুক পেজ দুটিতে দৃষ্টি রাখার অনুরোধ জানান মিশন কর্মকর্তারা।
তিন কূটনীতিক রয়টার্সকে জানান, কাতারের আল উদেইদ বিমানঘাঁটি থেকে কিছু আমেরিকান কর্মীকে বুধবার সন্ধ্যার মধ্যে সরে যেতে বলা হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ভিসা আবেদন যাচাই-বাছাইয়ের সময় বিদ্যমান আইনের অধীনে ভিসা প্রত্যাখ্যানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে চিঠিতে। আগামী ২১ জানুয়ারি থেকে এ নির্দেশ কার্যকর হবে এবং অভিবাসী ভিসা প্রক্রিয়াকরণ পুনর্মূল্যায়ন না করা পর্যন্ত অনির্দিষ্টকালের জন্য অব্যাহত থাকবে বলেও এতে উল্লেখ করা হয়।
রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান পরিস্থিতি এবং বৈশ্বিক আন্তর্জাতিক নিরাপত্তার জন্য ভয়াবহ পরিণতির বিষয়ে আমেরিকাকে সচেতন হতে হবে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই কর্মকর্তা জানান, নিহতদের মধ্যে বিক্ষোভকারী ও নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা রয়েছে। তবে পৃথকভাবে কতজন বিক্ষোভকারী বা কতজন নিরাপত্তা কর্মী মারা গেছে, তার কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য তিনি দেননি।