
প্রতিবেদক, বিডিজেন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রবাসীদের পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেওয়ার জন্য নিবন্ধনের সময়সীমা ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বাড়িয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) রাজধানী ঢাকার আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।
আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রবাসীদের ভোট গ্রহণের জন্য গত ১৮ নভেম্বর উদ্বোধন করা হয় ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ অ্যাপ। ১৯ নভেম্বর থেকে শুরু হয় নিবন্ধন প্রক্রিয়া। আর এই নিবন্ধনের সময়সীমা ছিল আজ ২৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত। গতকাল বুধবার তা বাড়ানো হয়েছে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত।
আখতার আহমেদ বলেন, যারা নিবন্ধন প্রক্রিয়ায় এখনো অংশ নেননি তারা অনুগ্রহ করে ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে নিবন্ধন শেষ করুন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রবাসীদের পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেওয়ার জন্য নিবন্ধনের সময়সীমা ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বাড়িয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) রাজধানী ঢাকার আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।
আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রবাসীদের ভোট গ্রহণের জন্য গত ১৮ নভেম্বর উদ্বোধন করা হয় ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ অ্যাপ। ১৯ নভেম্বর থেকে শুরু হয় নিবন্ধন প্রক্রিয়া। আর এই নিবন্ধনের সময়সীমা ছিল আজ ২৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত। গতকাল বুধবার তা বাড়ানো হয়েছে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত।
আখতার আহমেদ বলেন, যারা নিবন্ধন প্রক্রিয়ায় এখনো অংশ নেননি তারা অনুগ্রহ করে ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে নিবন্ধন শেষ করুন।
বৈঠকে লিবিয়ার উপ-প্রধানমন্ত্রী দেশটির দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নমূলক ও অগ্রাধিকারভিত্তিক প্রকল্পগুলোতে আরও বেশিসংখ্যক দক্ষ বাংলাদেশি জনশক্তির অংশগ্রহণের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই নতুন শ্রমবাজার সৃষ্টি ও বিদ্যমান শ্রমবাজার সম্প্রসারণে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে ধারাবাহিক আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় উন্মুক্ত হয়েছে।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বিভিন্ন ধাপে ২০২৬ সালের মে মাস পর্যন্ত ১৯১ জনের কাছে সম্পদ বিবরণী দাখিলের নোটিশ জারি করা হয়েছে। আরও ২২ জনের কাছে নোটিশ জারির প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
নুরুল হক নুর বলেন, “এক সময় বিদেশে নির্যাতনের শিকার হলে প্রবাসী বাংলাদেশিরা প্রতিকার চাইতে পারতেন না। তবে বর্তমানে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে চুক্তির ফলে নির্যাতনের শিকার কর্মীদের জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি ও আইনি প্রতিকার পাওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।”