শুক্রবার বিকেল থেকেই বইপ্রেমী, লেখক, পাঠক, শিল্পী ও সংস্কৃতিপ্রেমীদের পদচারণায় মুখর হয়ে ওঠে পুরো বইমেলা প্রাঙ্গণ। চমৎকার রৌদ্রোজ্জ্বল আবহাওয়া যেন উৎসবের আনন্দকে আরও বাড়িয়ে দেয়। সন্ধ্যা ঘনানোর আগেই উপচে পড়া ভিড়ে পরিণত হয় মেলা প্রাঙ্গণ।
বিশ্বের অন্যতম বহুজাতিক নগরী নিউইয়র্ক শহরে অনুষ্ঠিত এই মেলায় অংশ নিতে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে লেখক, গবেষক ও প্রকাশকেরা সমবেত হন। চার দিনব্যাপী এই আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয় সেমিনার, সিম্পোজিয়াম, বই উন্মোচন, সাহিত্য আলোচনা এবং সাংস্কৃতিক পরিবেশনা।
অস্ট্রেলিয়ার বহুসাংস্কৃতিক সমাজকাঠামোর কথা উল্লেখ করে আলবানিজ বলেন, ‘পয়লা বৈশাখের মতো সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানগুলো আমাদের জাতির মূল শক্তি—আমাদের বৈচিত্র্য, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি এবং আমাদের বহুসাংস্কৃতিক সাফল্যের কথাই মনে করিয়ে দেয়।’
প্রায় তিন ঘণ্টাব্যাপী এ অনুষ্ঠানে গানের পাশাপাশি সলিল চৌধুরীর ভাবনা, দর্শন ও সৃজনযাত্রা নতুনভাবে ধরা দেয় শ্রোতা–দর্শকদের সামনে।
অস্ট্রেলিয়ার নিউ সাউথ ওয়েলথ রাজ্যের সিডনিতে দর্পণ কালচারাল অ্যান্ড রিলিজিয়াস অ্যাসোসিয়েশন আয়োজনে ধুমধাম করে অনুষ্ঠিত হয়েছে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সর্ববৃহৎ উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা্।