
বিডিজেন ডেস্ক

বাংলা নববর্ষ ও পয়লা বৈশাখ উপলক্ষে অস্ট্রেলিয়ায় বসবাসরত বাঙালিসহ বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে থাকা বাঙালিদের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবানিজ। প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর থেকে দেওয়া এক বিশেষ বাণীতে তিনি এই শুভেচ্ছা জানান।
প্রধানমন্ত্রী আলবানিজ তার বাণীতে বলেন, কয়েক শতাব্দী ধরে পয়লা বৈশাখের অমলিন ঐতিহ্য বাঙালিদের একসুতোয় গেঁথে রেখেছে। এই প্রাণবন্ত উৎসবটি নবজীবনের এক আনন্দময় প্রতীক, যা বাঙালি সম্প্রদায়কে ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে আবদ্ধ করে এবং সমাজকে এক নতুন সংহতি প্রদান করে।
তিনি আরও বলেন, এই উৎসবটি কেবল উপহার বিনিময়, শুভেচ্ছা জানানো এবং বিশেষ ভোজে অংশ নেওয়ার উপলক্ষই নয়; বরং এটি প্রত্যাশা ও আত্মদর্শনের একটি মুহূর্ত।

অস্ট্রেলিয়ার বহুসাংস্কৃতিক সমাজকাঠামোর কথা উল্লেখ করে আলবানিজ বলেন, ‘পয়লা বৈশাখের মতো সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানগুলো আমাদের জাতির মূল শক্তি—আমাদের বৈচিত্র্য, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি এবং আমাদের বহুসাংস্কৃতিক সাফল্যের কথাই মনে করিয়ে দেয়।’
অস্ট্রেলিয়ার জাতীয় জীবনে প্রবাসী বাঙালিদের ভূমিকার প্রশংসা করে প্রধানমন্ত্রী আলবানিজ আরও বলেন, “আমি অস্ট্রেলিয়ায় বসবাসরত বাঙালি সম্প্রদায়কে ধন্যবাদ জানাই। আপনাদের কঠোর পরিশ্রম, উচ্চাকাঙ্ক্ষা এবং দেশের প্রতি ভালোবাসা আমাদের এই রাষ্ট্রকে প্রতিনিয়ত সমৃদ্ধ করছে।”
শুভেচ্ছাবাণীর শেষে প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, এক বছর থেকে অন্য বছরে পদার্পণের এই সন্ধিক্ষণ সবার জীবনে নতুন আশা, নবায়ন এবং অনাবিল আনন্দ বয়ে আনবে। পরিশেষে তিনি বাংলা উচ্চারণে লিখেছেন, “শুভ নববর্ষ।”

বাংলা নববর্ষ ও পয়লা বৈশাখ উপলক্ষে অস্ট্রেলিয়ায় বসবাসরত বাঙালিসহ বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে থাকা বাঙালিদের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবানিজ। প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর থেকে দেওয়া এক বিশেষ বাণীতে তিনি এই শুভেচ্ছা জানান।
প্রধানমন্ত্রী আলবানিজ তার বাণীতে বলেন, কয়েক শতাব্দী ধরে পয়লা বৈশাখের অমলিন ঐতিহ্য বাঙালিদের একসুতোয় গেঁথে রেখেছে। এই প্রাণবন্ত উৎসবটি নবজীবনের এক আনন্দময় প্রতীক, যা বাঙালি সম্প্রদায়কে ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে আবদ্ধ করে এবং সমাজকে এক নতুন সংহতি প্রদান করে।
তিনি আরও বলেন, এই উৎসবটি কেবল উপহার বিনিময়, শুভেচ্ছা জানানো এবং বিশেষ ভোজে অংশ নেওয়ার উপলক্ষই নয়; বরং এটি প্রত্যাশা ও আত্মদর্শনের একটি মুহূর্ত।

অস্ট্রেলিয়ার বহুসাংস্কৃতিক সমাজকাঠামোর কথা উল্লেখ করে আলবানিজ বলেন, ‘পয়লা বৈশাখের মতো সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানগুলো আমাদের জাতির মূল শক্তি—আমাদের বৈচিত্র্য, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি এবং আমাদের বহুসাংস্কৃতিক সাফল্যের কথাই মনে করিয়ে দেয়।’
অস্ট্রেলিয়ার জাতীয় জীবনে প্রবাসী বাঙালিদের ভূমিকার প্রশংসা করে প্রধানমন্ত্রী আলবানিজ আরও বলেন, “আমি অস্ট্রেলিয়ায় বসবাসরত বাঙালি সম্প্রদায়কে ধন্যবাদ জানাই। আপনাদের কঠোর পরিশ্রম, উচ্চাকাঙ্ক্ষা এবং দেশের প্রতি ভালোবাসা আমাদের এই রাষ্ট্রকে প্রতিনিয়ত সমৃদ্ধ করছে।”
শুভেচ্ছাবাণীর শেষে প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, এক বছর থেকে অন্য বছরে পদার্পণের এই সন্ধিক্ষণ সবার জীবনে নতুন আশা, নবায়ন এবং অনাবিল আনন্দ বয়ে আনবে। পরিশেষে তিনি বাংলা উচ্চারণে লিখেছেন, “শুভ নববর্ষ।”
উদ্যোক্তা হেলাল উদ্দিন বলেন, "কুয়ালালামপুরের এই হাংতুয়া এলাকায় কয়েক হাজার বাংলাদেশি বসবাস করেন। প্রবাসীদের দেশি খাবারের আসল স্বাদ দেওয়ার জন্য আমরা মেজবান রেস্টুরেন্ট করেছি। যেহেতু এখানে বসবাসরত বাংলাদেশির মধ্যে অর্ধেকের বেশি চট্টগ্রামের মানুষ। তাই আমরা চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী নানা খাবারও পরিবেশন করব।
বিগত বছরগুলোর মতো এবারও বার্লিনের বেঙ্গলিশে কুলটর ফোরামের উদ্যোগে এ উৎসবে শরিক হয়েছিলেন জার্মানপ্রবাসী বাংলাদেশিরা। নারীরা লাল শাড়ি, কপালে টিপ, খোঁপায় রঙিন ফুল ও দেশীয় অলংকার পরে উৎসবে অংশ নেন। পুরুষেরা পরেন লুঙ্গি, ফতুয়া। মাথায় বাঁধেন গামছা।
সভায় বক্তারা ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন ও দেশের অবদানের কথা স্মরণ করেন। বিশেষ করে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে তার বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা, চট্টগ্রামের অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং মিরসরাইয়ে দেশের বৃহত্তম অর্থনৈতিক অঞ্চল (ইকোনমিক জোন) প্রতিষ্ঠায় তার দূরদর্শী নেতৃত্বের কথা তুলে ধরেন।
দূতাবাস বলছে, চলমান আঞ্চলিক পরিস্থিতি, বিশেষ করে হরমুজ প্রণালী দীর্ঘকাল বন্ধ থাকায় এবং এর ফলে কুয়েতের সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর সৃষ্ট চাপ মোকাবিলায় এই সহায়তা কুয়েতের কৌশলগত খাদ্য মজুত শক্তিশালীকরণ এবং জরুরি প্রয়োজন পূরণে সহায়ক হবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

উদ্যোক্তা হেলাল উদ্দিন বলেন, "কুয়ালালামপুরের এই হাংতুয়া এলাকায় কয়েক হাজার বাংলাদেশি বসবাস করেন। প্রবাসীদের দেশি খাবারের আসল স্বাদ দেওয়ার জন্য আমরা মেজবান রেস্টুরেন্ট করেছি। যেহেতু এখানে বসবাসরত বাংলাদেশির মধ্যে অর্ধেকের বেশি চট্টগ্রামের মানুষ। তাই আমরা চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী নানা খাবারও পরিবেশন করব।
৩ দিন আগে
সভায় বক্তারা ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন ও দেশের অবদানের কথা স্মরণ করেন। বিশেষ করে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে তার বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা, চট্টগ্রামের অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং মিরসরাইয়ে দেশের বৃহত্তম অর্থনৈতিক অঞ্চল (ইকোনমিক জোন) প্রতিষ্ঠায় তার দূরদর্শী নেতৃত্বের কথা তুলে ধরেন।
৪ দিন আগে