
বিডিজেন ডেস্ক

বিচারপতি হেমা কমিটির প্রতিবেদন মালয়ালম ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির শোষণ আর বৈষম্যের ভয়ংকর ছবি সামনে এনেছিল। এরপর অনেক অভিনয়শিল্পী শুটিংয়ে তাদের বিরূপ অভিজ্ঞতা নিয়ে মুখ খুলেছেন। এবার কথা বললেন ‘অর্জুন রেড্ডি’ দিয়ে পরিচিতি পাওয়া শালিনী পান্ডে।
ভারতের ইংরেজি দৈনিক হিন্দুস্তান টাইমসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নিজের এক ভয়াবহ অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন তিনি।

সাক্ষাৎকারে শালিনী পান্ডে জানান, একটি দক্ষিণি সিনেমার শুটিং চলাকালে পরিচালক বিনা অনুমতিতে তাঁর ভ্যানিটি ভ্যানে ঢুকে পড়েন, যখন তিনি পোশাক বদলাচ্ছিলেন।
শালিনী বলেন, ‘আমি একেবারে ফিল্মি ইন্ডাস্ট্রির বাইরের মানুষ ছিলাম। কেউ গাইড করার ছিল না, কিছু জানতাম না। তখন বুঝতে শিখেছিলাম, নিজেকে রক্ষা না করলে, কেউ এসে আমাকে বাঁচাবে না!’

এই শিক্ষাই তাঁকে সেদিন বাঁচিয়ে দিয়েছিল উল্লেখ করে তিনি বলেন, একটি দক্ষিণি সিনেমার শুটিং চলছিল। হঠাৎই পরিচালক আমার ভ্যানিটি ভ্যানের দরজা ঠেলে ঢুকে পড়েন, কোনো নক না করেই! আমি তখন পোশাক পরিবর্তন করছিলাম!
(পরিচালক) ভেবেছিল, এই মেয়েটার মাত্র ২২ বছর বয়স। মাত্র একটি ছবিতে অভিনয় করেছে। সে আর কী বলবে। আমি কিছু না ভেবেই চেঁচিয়ে উঠেছিলাম। আমার রাগ একদম মাথায় উঠে গিয়েছিল,’ বলেন শালিনী।

কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় পরে সবাই উল্টো শালিনীকেই বলতে লাগল, ‘এভাবে চেঁচানো উচিত হয়নি!’ শালিনী বলেন, ‘নতুন বলে কেউ আমার গায়ে পড়ে আসবে—এটা কোন নিয়ম? আপনি যেই হন, বিনা অনুমতিতে আমার ব্যক্তিগত জায়গায় ঢোকার অধিকার আপনার নেই!’ শালিনী আরও বলেন, ‘এই ঘটনাগুলোর জন্যই অনেকে আমাকে রাগী ভাবে! কিন্তু নিজেকে বাঁচানোর জন্য আমার এই গণ্ডি টানা দরকার ছিল। পরে বুঝেছি, সরাসরি রিঅ্যাক্ট না করে বুদ্ধি খাটিয়ে পরিস্থিতি সামলানোও দরকার!’

বিচারপতি হেমা কমিটির প্রতিবেদন মালয়ালম ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির শোষণ আর বৈষম্যের ভয়ংকর ছবি সামনে এনেছিল। এরপর অনেক অভিনয়শিল্পী শুটিংয়ে তাদের বিরূপ অভিজ্ঞতা নিয়ে মুখ খুলেছেন। এবার কথা বললেন ‘অর্জুন রেড্ডি’ দিয়ে পরিচিতি পাওয়া শালিনী পান্ডে।
ভারতের ইংরেজি দৈনিক হিন্দুস্তান টাইমসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নিজের এক ভয়াবহ অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন তিনি।

সাক্ষাৎকারে শালিনী পান্ডে জানান, একটি দক্ষিণি সিনেমার শুটিং চলাকালে পরিচালক বিনা অনুমতিতে তাঁর ভ্যানিটি ভ্যানে ঢুকে পড়েন, যখন তিনি পোশাক বদলাচ্ছিলেন।
শালিনী বলেন, ‘আমি একেবারে ফিল্মি ইন্ডাস্ট্রির বাইরের মানুষ ছিলাম। কেউ গাইড করার ছিল না, কিছু জানতাম না। তখন বুঝতে শিখেছিলাম, নিজেকে রক্ষা না করলে, কেউ এসে আমাকে বাঁচাবে না!’

এই শিক্ষাই তাঁকে সেদিন বাঁচিয়ে দিয়েছিল উল্লেখ করে তিনি বলেন, একটি দক্ষিণি সিনেমার শুটিং চলছিল। হঠাৎই পরিচালক আমার ভ্যানিটি ভ্যানের দরজা ঠেলে ঢুকে পড়েন, কোনো নক না করেই! আমি তখন পোশাক পরিবর্তন করছিলাম!
(পরিচালক) ভেবেছিল, এই মেয়েটার মাত্র ২২ বছর বয়স। মাত্র একটি ছবিতে অভিনয় করেছে। সে আর কী বলবে। আমি কিছু না ভেবেই চেঁচিয়ে উঠেছিলাম। আমার রাগ একদম মাথায় উঠে গিয়েছিল,’ বলেন শালিনী।

কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় পরে সবাই উল্টো শালিনীকেই বলতে লাগল, ‘এভাবে চেঁচানো উচিত হয়নি!’ শালিনী বলেন, ‘নতুন বলে কেউ আমার গায়ে পড়ে আসবে—এটা কোন নিয়ম? আপনি যেই হন, বিনা অনুমতিতে আমার ব্যক্তিগত জায়গায় ঢোকার অধিকার আপনার নেই!’ শালিনী আরও বলেন, ‘এই ঘটনাগুলোর জন্যই অনেকে আমাকে রাগী ভাবে! কিন্তু নিজেকে বাঁচানোর জন্য আমার এই গণ্ডি টানা দরকার ছিল। পরে বুঝেছি, সরাসরি রিঅ্যাক্ট না করে বুদ্ধি খাটিয়ে পরিস্থিতি সামলানোও দরকার!’
পাকিস্তানের শিয়া সম্প্রদায়ের নেতারা বলছেন, যুদ্ধ শুরুর পর বিতাড়নের ঘটনা আরও বেড়েছে। এই সংঘাতের কারণে পুরো উপসাগরীয় অঞ্চলে উত্তেজনা বেড়েছে। বিশেষ করে ইরান সংযুক্ত আরব আমিরাতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানোর পর পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে।
ইউএসসিআইএসের নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, কোনো বিদেশি যদি সাময়িকভাবে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে রয়েছেন এবং গ্রিন কার্ড পেতে চান, তবে তাকে অবশ্যই নিজ দেশে ফিরে গিয়ে আবেদন করতে হবে।
বিপুল নগদ অর্থের মজুত থাকায় যুদ্ধজনিত অর্থনৈতিক অস্থিরতায় এখন পর্যন্ত বড় ধরনের চাকরি হারানো বা বিদেশি ব্যবসার ব্যাপক প্রস্থান দেখা যায়নি। তবে অচলাবস্থা যত দীর্ঘ এবং স্বাভাবিক ব্যবসা-বাণিজ্য যত ব্যাহত হবে, আন্তর্জাতিক ব্যবসা ও বিনিয়োগ আকর্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ইউএইর ভাবমূর্তি তত বেশি ঝুঁকির মুখে পড়বে।
নিউ সাউথ ওয়েলস পুলিশের অ্যাকটিং সুপারিনটেনডেন্ট মাইকেল মরোনি গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, নিহতদের শরীরে ধারালো অস্ত্রের গুরুতর আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে, যা এতটাই বিভৎস যে বিস্তারিত প্রকাশের যোগ্য নয়।

বিপুল নগদ অর্থের মজুত থাকায় যুদ্ধজনিত অর্থনৈতিক অস্থিরতায় এখন পর্যন্ত বড় ধরনের চাকরি হারানো বা বিদেশি ব্যবসার ব্যাপক প্রস্থান দেখা যায়নি। তবে অচলাবস্থা যত দীর্ঘ এবং স্বাভাবিক ব্যবসা-বাণিজ্য যত ব্যাহত হবে, আন্তর্জাতিক ব্যবসা ও বিনিয়োগ আকর্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ইউএইর ভাবমূর্তি তত বেশি ঝুঁকির মুখে পড়বে।
১১ দিন আগে