
বিডিজেন ডেস্ক

পাকিস্তানের সঙ্গে থাকা অভিন্ন নদী সিন্ধু নদের পানিবণ্টন চুক্তি বাতিল করেছে ভারত। ভারত নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরে সন্ত্রাসী হামলার প্রেক্ষাপটে চুক্তিটি বাতিল করল নয়াদিল্লি।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির খবরে বলা হয়, ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা সম্পর্কিত শীর্ষ সংস্থা ক্যাবিনেট কমিটি অন সিকিউরিটি (সিসিএস) এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
কাশ্মীরের পহেলগামে সন্ত্রাসী হামলায় সর্বশেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ২৬ জন নিহত হয়েছে। এর মধ্যে একজন বিদেশি নাগরিকও রয়েছে। এই হামলার প্রাথমিক তদন্তে পাকিস্তানের কিছু গোষ্ঠীর সংযোগ পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ। এরই পরিপ্রেক্ষিতে পাকিস্তানের সঙ্গে থাকা সিন্ধু নদের পানিবণ্টন চুক্তি বাতিলের ঘোষণা দিল সিসিএস।
১৯৪৭ সালে স্বাধীনতা অর্জনের পর ১৯৬০ সালে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে থাকা গুরুত্বপূর্ণ অভিন্ন নদী সিন্ধু নদের পানিবণ্টনের বিষয়ে দেশ দুটি চুক্তিতে উপনীত হয়। চুক্তিটি সই হয় করাচিতে। চুক্তিতে সই করেছিলেন ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরু ও পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আইয়ুব খান। এ চুক্তির আওতায় সিন্ধু, চন্দ্রভাগা, শতদ্রু, ঝিলাম, ইরাবতী ও বিপাশা নদীর পানি পাকিস্তানে প্রবাহিত হয়। দুই দেশের মধ্যে নানা সময়ে বৈরী পরিস্থিতি থাকলেও সময়ে সময়ে এই চুক্তি নবায়ন হয়েছে।
কিন্তু এবার কাশ্মীরে হামলার জেরে সিন্ধু পানিবণ্টন চুক্তি বাতিল করল ভারত। এনডিটিভির খবরে বলা হয়, চুক্তিটি অনির্দিষ্টকালের জন্য বাতিল করা হয়েছে।
এই গ্রীষ্মকালে চুক্তিটি স্থগিত করার অর্থ চুক্তি অনুযায়ী পর্যাপ্ত পানি পাকিস্তান পাবে না। সিন্ধু পানিবণ্টন চুক্তির ওপর পাকিস্তানের বিপুল মানুষ সংকটে পড়তে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত পাকিস্তানের তরফ থেকে কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

পাকিস্তানের সঙ্গে থাকা অভিন্ন নদী সিন্ধু নদের পানিবণ্টন চুক্তি বাতিল করেছে ভারত। ভারত নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরে সন্ত্রাসী হামলার প্রেক্ষাপটে চুক্তিটি বাতিল করল নয়াদিল্লি।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির খবরে বলা হয়, ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা সম্পর্কিত শীর্ষ সংস্থা ক্যাবিনেট কমিটি অন সিকিউরিটি (সিসিএস) এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
কাশ্মীরের পহেলগামে সন্ত্রাসী হামলায় সর্বশেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ২৬ জন নিহত হয়েছে। এর মধ্যে একজন বিদেশি নাগরিকও রয়েছে। এই হামলার প্রাথমিক তদন্তে পাকিস্তানের কিছু গোষ্ঠীর সংযোগ পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ। এরই পরিপ্রেক্ষিতে পাকিস্তানের সঙ্গে থাকা সিন্ধু নদের পানিবণ্টন চুক্তি বাতিলের ঘোষণা দিল সিসিএস।
১৯৪৭ সালে স্বাধীনতা অর্জনের পর ১৯৬০ সালে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে থাকা গুরুত্বপূর্ণ অভিন্ন নদী সিন্ধু নদের পানিবণ্টনের বিষয়ে দেশ দুটি চুক্তিতে উপনীত হয়। চুক্তিটি সই হয় করাচিতে। চুক্তিতে সই করেছিলেন ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরু ও পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আইয়ুব খান। এ চুক্তির আওতায় সিন্ধু, চন্দ্রভাগা, শতদ্রু, ঝিলাম, ইরাবতী ও বিপাশা নদীর পানি পাকিস্তানে প্রবাহিত হয়। দুই দেশের মধ্যে নানা সময়ে বৈরী পরিস্থিতি থাকলেও সময়ে সময়ে এই চুক্তি নবায়ন হয়েছে।
কিন্তু এবার কাশ্মীরে হামলার জেরে সিন্ধু পানিবণ্টন চুক্তি বাতিল করল ভারত। এনডিটিভির খবরে বলা হয়, চুক্তিটি অনির্দিষ্টকালের জন্য বাতিল করা হয়েছে।
এই গ্রীষ্মকালে চুক্তিটি স্থগিত করার অর্থ চুক্তি অনুযায়ী পর্যাপ্ত পানি পাকিস্তান পাবে না। সিন্ধু পানিবণ্টন চুক্তির ওপর পাকিস্তানের বিপুল মানুষ সংকটে পড়তে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত পাকিস্তানের তরফ থেকে কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
পাকিস্তানের শিয়া সম্প্রদায়ের নেতারা বলছেন, যুদ্ধ শুরুর পর বিতাড়নের ঘটনা আরও বেড়েছে। এই সংঘাতের কারণে পুরো উপসাগরীয় অঞ্চলে উত্তেজনা বেড়েছে। বিশেষ করে ইরান সংযুক্ত আরব আমিরাতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানোর পর পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে।
ইউএসসিআইএসের নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, কোনো বিদেশি যদি সাময়িকভাবে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে রয়েছেন এবং গ্রিন কার্ড পেতে চান, তবে তাকে অবশ্যই নিজ দেশে ফিরে গিয়ে আবেদন করতে হবে।
বিপুল নগদ অর্থের মজুত থাকায় যুদ্ধজনিত অর্থনৈতিক অস্থিরতায় এখন পর্যন্ত বড় ধরনের চাকরি হারানো বা বিদেশি ব্যবসার ব্যাপক প্রস্থান দেখা যায়নি। তবে অচলাবস্থা যত দীর্ঘ এবং স্বাভাবিক ব্যবসা-বাণিজ্য যত ব্যাহত হবে, আন্তর্জাতিক ব্যবসা ও বিনিয়োগ আকর্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ইউএইর ভাবমূর্তি তত বেশি ঝুঁকির মুখে পড়বে।
নিউ সাউথ ওয়েলস পুলিশের অ্যাকটিং সুপারিনটেনডেন্ট মাইকেল মরোনি গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, নিহতদের শরীরে ধারালো অস্ত্রের গুরুতর আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে, যা এতটাই বিভৎস যে বিস্তারিত প্রকাশের যোগ্য নয়।

বিপুল নগদ অর্থের মজুত থাকায় যুদ্ধজনিত অর্থনৈতিক অস্থিরতায় এখন পর্যন্ত বড় ধরনের চাকরি হারানো বা বিদেশি ব্যবসার ব্যাপক প্রস্থান দেখা যায়নি। তবে অচলাবস্থা যত দীর্ঘ এবং স্বাভাবিক ব্যবসা-বাণিজ্য যত ব্যাহত হবে, আন্তর্জাতিক ব্যবসা ও বিনিয়োগ আকর্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ইউএইর ভাবমূর্তি তত বেশি ঝুঁকির মুখে পড়বে।
১০ দিন আগে