
বিডিজেন ডেস্ক

ভারত–পাকিস্তান সীমান্তে দুই দেশের সেনাবাহিনীর মধ্যে আবারও গোলাগুলি হয়েছে। ভারতের সেনাবাহিনী বলেছে, গতকাল মঙ্গলবার (২৯ এপ্রিল) মধ্যরাতে এ গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। এ নিয়ে টানা ষষ্ঠ দিনের মতো দেশ দুটির মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটল।
খবর বার্তা সংস্থা রয়টার্সের।
ভারতের সেনাবাহিনী বলছে, গতকাল মধ্যরাতে একাধিক পাকিস্তানি সেনাচৌকি থেকে ‘বিনা উসকানিতে’ গুলি চালানো হয়েছে। ভারত এর জবাব দিয়েছে। তবে এ ঘটনায় বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।
এ ব্যাপারে পাকিস্তানের সেনাবাহিনীর বক্তব্য জানার চেষ্টা করেছিল রয়টার্স। তবে সাড়া পাওয়া যায়নি।
গত ২২ এপ্রিল ভারতনিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরের পহেলগামে সন্ত্রাসীদের হামলায় ২৬ জন নিহত হয়। এ ঘটনায় ৩ সন্দেহভাজন হামলাকারীকে চিহ্নিত করেছে ভারত। দেশটি বলছে, এর মধ্যে দুজন পাকিস্তানি নাগরিক।
নয়াদিল্লির অভিযোগ, এ হামলায় ইসলামাবাদ জড়িত। তবে ইসলামাবাদ তা নাকচ করে দিয়েছে। এ ঘটনায় স্বাধীন তদন্তও দাবি করেছে পাকিস্তান।
তবে এরই মধ্যে হামলার জেরে পাকিস্তানের সঙ্গে করা ৬৫ বছরের পুরোনো সিন্ধু পানি বণ্টন চুক্তি স্থগিত করাসহ নানা পদক্ষেপ নিয়েছে ভারত। জবাবে পাকিস্তানও ভারতীয় বিমান সংস্থার জন্য নিজেদের আকাশসীমা বন্ধ করাসহ বিভিন্ন পাল্টা পদক্ষেপ ঘোষণা করেছে। এ নিয়ে দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা চলছে।
এদিকে আজ বুধবার পাকিস্তান বলেছে, ভারত খুব শিগগির সামরিক হামলার পরিকল্পনা করছে বলে তাদের কাছে নির্ভরযোগ্য গোয়েন্দা তথ্য আছে। ২৪ থেকে ৩৬ ঘণ্টার মধ্যে এ হামলা হতে পারে। পহেলগামে হামলায় পাকিস্তানি সম্পৃক্ততার ভিত্তিহীন ও মনগড়া অভিযোগকে অজুহাত হিসেবে ব্যবহার ভারত এ হামলা চালাতে পারে বলে আশঙ্কা করছে ইসলামাবাদ।
এ ব্যাপারে ভারতের পররাষ্ট্র ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের বক্তব্য জানার চেষ্টা করেছিল রয়টার্স। তবে তাৎক্ষণিক সাড়া পাওয়া যায়নি।
আজ এক বিবৃতিতে পাকিস্তান বলেছে, তারা সব ধরনের সন্ত্রাসবাদের নিন্দা জানায়। ভারতের যেকোনো সামরিক ব্যবস্থার বিরুদ্ধে নিশ্চিতভাবে কঠোর জবাব দেওয়া হবে বলেও হুঁশিয়ার দিয়েছে তারা।

ভারত–পাকিস্তান সীমান্তে দুই দেশের সেনাবাহিনীর মধ্যে আবারও গোলাগুলি হয়েছে। ভারতের সেনাবাহিনী বলেছে, গতকাল মঙ্গলবার (২৯ এপ্রিল) মধ্যরাতে এ গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। এ নিয়ে টানা ষষ্ঠ দিনের মতো দেশ দুটির মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটল।
খবর বার্তা সংস্থা রয়টার্সের।
ভারতের সেনাবাহিনী বলছে, গতকাল মধ্যরাতে একাধিক পাকিস্তানি সেনাচৌকি থেকে ‘বিনা উসকানিতে’ গুলি চালানো হয়েছে। ভারত এর জবাব দিয়েছে। তবে এ ঘটনায় বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।
এ ব্যাপারে পাকিস্তানের সেনাবাহিনীর বক্তব্য জানার চেষ্টা করেছিল রয়টার্স। তবে সাড়া পাওয়া যায়নি।
গত ২২ এপ্রিল ভারতনিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরের পহেলগামে সন্ত্রাসীদের হামলায় ২৬ জন নিহত হয়। এ ঘটনায় ৩ সন্দেহভাজন হামলাকারীকে চিহ্নিত করেছে ভারত। দেশটি বলছে, এর মধ্যে দুজন পাকিস্তানি নাগরিক।
নয়াদিল্লির অভিযোগ, এ হামলায় ইসলামাবাদ জড়িত। তবে ইসলামাবাদ তা নাকচ করে দিয়েছে। এ ঘটনায় স্বাধীন তদন্তও দাবি করেছে পাকিস্তান।
তবে এরই মধ্যে হামলার জেরে পাকিস্তানের সঙ্গে করা ৬৫ বছরের পুরোনো সিন্ধু পানি বণ্টন চুক্তি স্থগিত করাসহ নানা পদক্ষেপ নিয়েছে ভারত। জবাবে পাকিস্তানও ভারতীয় বিমান সংস্থার জন্য নিজেদের আকাশসীমা বন্ধ করাসহ বিভিন্ন পাল্টা পদক্ষেপ ঘোষণা করেছে। এ নিয়ে দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা চলছে।
এদিকে আজ বুধবার পাকিস্তান বলেছে, ভারত খুব শিগগির সামরিক হামলার পরিকল্পনা করছে বলে তাদের কাছে নির্ভরযোগ্য গোয়েন্দা তথ্য আছে। ২৪ থেকে ৩৬ ঘণ্টার মধ্যে এ হামলা হতে পারে। পহেলগামে হামলায় পাকিস্তানি সম্পৃক্ততার ভিত্তিহীন ও মনগড়া অভিযোগকে অজুহাত হিসেবে ব্যবহার ভারত এ হামলা চালাতে পারে বলে আশঙ্কা করছে ইসলামাবাদ।
এ ব্যাপারে ভারতের পররাষ্ট্র ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের বক্তব্য জানার চেষ্টা করেছিল রয়টার্স। তবে তাৎক্ষণিক সাড়া পাওয়া যায়নি।
আজ এক বিবৃতিতে পাকিস্তান বলেছে, তারা সব ধরনের সন্ত্রাসবাদের নিন্দা জানায়। ভারতের যেকোনো সামরিক ব্যবস্থার বিরুদ্ধে নিশ্চিতভাবে কঠোর জবাব দেওয়া হবে বলেও হুঁশিয়ার দিয়েছে তারা।
তিন কূটনীতিক রয়টার্সকে জানান, কাতারের আল উদেইদ বিমানঘাঁটি থেকে কিছু আমেরিকান কর্মীকে বুধবার সন্ধ্যার মধ্যে সরে যেতে বলা হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ভিসা আবেদন যাচাই-বাছাইয়ের সময় বিদ্যমান আইনের অধীনে ভিসা প্রত্যাখ্যানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে চিঠিতে। আগামী ২১ জানুয়ারি থেকে এ নির্দেশ কার্যকর হবে এবং অভিবাসী ভিসা প্রক্রিয়াকরণ পুনর্মূল্যায়ন না করা পর্যন্ত অনির্দিষ্টকালের জন্য অব্যাহত থাকবে বলেও এতে উল্লেখ করা হয়।
রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান পরিস্থিতি এবং বৈশ্বিক আন্তর্জাতিক নিরাপত্তার জন্য ভয়াবহ পরিণতির বিষয়ে আমেরিকাকে সচেতন হতে হবে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই কর্মকর্তা জানান, নিহতদের মধ্যে বিক্ষোভকারী ও নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা রয়েছে। তবে পৃথকভাবে কতজন বিক্ষোভকারী বা কতজন নিরাপত্তা কর্মী মারা গেছে, তার কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য তিনি দেননি।