
বিডিজেন ডেস্ক

ভারতের কাশ্মীরের পহেলগামে সন্ত্রাসী হামলায় ২৬ পর্যটকসহ ২৭ জন নিহত হওয়ার ঘটনায় সরাসরি পাকিস্তানকে অভিযুক্ত করেছে ভারত। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে এরই মধ্যে নানা ব্যবস্থাও নিয়েছে তারা। এরমধ্যে আছে সিন্ধু নদের ৬০ বছরের পুরোনো পানিচুক্তি বাতিল। চলছে যুদ্ধের প্রস্তুতি। এর পাশাপাশি চলছে ডিজিটাল ক্র্যাকডাউনও। এর অংশ হিসেবে ভারতে পাকিস্তানের বিভিন্ন ওয়েবসাইট ও ইউটিউব চ্যানেল ব্লক করা হয়েছে। এই ব্লকের তালিকায় আছেন পাকিস্তানের ক্রিকেট তারকারাও।
ভারতে পাকিস্তানের সাবেক ক্রিকেট তারকা ওয়াসিম আকরাম, শোয়েব আখতার, বাসিত আলী, রশিদ লতিফ, ইনজামাম-উল-হকদের ইউটিউব চ্যানেল ও ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট ব্লক করা হয়েছে। এই তালিকায় আছেন বর্তমান ক্রিকেট তারকা বাবর আজম, নাসিম শাহ, হাসান আলী ও টেস্ট অধিনায়ক শান মাসুদের অ্যাকাউন্ট। পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও ১৯৯২ সালে ক্রিকেট বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক ইমরান খানের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টও ব্লক করা হয়েছে।
পাকিস্তানি এই ক্রিকেট তারকাদের ভারতীয় অনুসারীর সংখ্যা প্রচুর। ভারতে বসে কেউই এই তারকাদের ইনস্টাগ্রাম ও ইউটিউব চ্যানেল দেখতে পারছেন না। গত বৃহস্পতিবার প্যারিস অলিম্পিকে বর্শা নিক্ষেপে সোনাজয়ী পাকিস্তানি অ্যাথলেট আরশাদ নাদিমের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টও ব্লক করা হয়। ভারতের তরফ থেকে বলা হয়েছে, ‘জাতীয় নিরাপত্তা ও নাগরিক শৃঙ্খলা রক্ষার স্বার্থে এই অ্যাকাউন্টগুলো সরকারি নির্দেশে ব্লক করা হয়েছে।’
সম্প্রতি ‘উসকানি ও সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষ ছড়ানো ও ভারতীয় সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যমূলক অপপ্রচার ও অপতথ্য ছড়ানোর জন্য’ ভারতে পাকিস্তানের বেশ কিছু টেলিভিশন ও পত্রিকার ওয়েবসাইট ও ইউটিউব চ্যানেল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। যার মধ্যে আছে পাকিস্তানের ডন নিউজ, ইরশাদ ভাট্টি, সামা টিভি, এআরওয়াই নিউজ, বোল নিউজ, রাফতার, দ্য পাকিস্তান রেফারেন্স, জিও নিউজ, সামা স্পোর্টস, জিএনএন, উজাইর ক্রিকেট, উমর চিমা এক্সক্লুসিভ, আসমা সিরাজি, মুনিব ফারুক, সুনো নিউজ ও রাজি নামা ইউটিউব চ্যানেল।

ভারতের কাশ্মীরের পহেলগামে সন্ত্রাসী হামলায় ২৬ পর্যটকসহ ২৭ জন নিহত হওয়ার ঘটনায় সরাসরি পাকিস্তানকে অভিযুক্ত করেছে ভারত। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে এরই মধ্যে নানা ব্যবস্থাও নিয়েছে তারা। এরমধ্যে আছে সিন্ধু নদের ৬০ বছরের পুরোনো পানিচুক্তি বাতিল। চলছে যুদ্ধের প্রস্তুতি। এর পাশাপাশি চলছে ডিজিটাল ক্র্যাকডাউনও। এর অংশ হিসেবে ভারতে পাকিস্তানের বিভিন্ন ওয়েবসাইট ও ইউটিউব চ্যানেল ব্লক করা হয়েছে। এই ব্লকের তালিকায় আছেন পাকিস্তানের ক্রিকেট তারকারাও।
ভারতে পাকিস্তানের সাবেক ক্রিকেট তারকা ওয়াসিম আকরাম, শোয়েব আখতার, বাসিত আলী, রশিদ লতিফ, ইনজামাম-উল-হকদের ইউটিউব চ্যানেল ও ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট ব্লক করা হয়েছে। এই তালিকায় আছেন বর্তমান ক্রিকেট তারকা বাবর আজম, নাসিম শাহ, হাসান আলী ও টেস্ট অধিনায়ক শান মাসুদের অ্যাকাউন্ট। পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও ১৯৯২ সালে ক্রিকেট বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক ইমরান খানের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টও ব্লক করা হয়েছে।
পাকিস্তানি এই ক্রিকেট তারকাদের ভারতীয় অনুসারীর সংখ্যা প্রচুর। ভারতে বসে কেউই এই তারকাদের ইনস্টাগ্রাম ও ইউটিউব চ্যানেল দেখতে পারছেন না। গত বৃহস্পতিবার প্যারিস অলিম্পিকে বর্শা নিক্ষেপে সোনাজয়ী পাকিস্তানি অ্যাথলেট আরশাদ নাদিমের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টও ব্লক করা হয়। ভারতের তরফ থেকে বলা হয়েছে, ‘জাতীয় নিরাপত্তা ও নাগরিক শৃঙ্খলা রক্ষার স্বার্থে এই অ্যাকাউন্টগুলো সরকারি নির্দেশে ব্লক করা হয়েছে।’
সম্প্রতি ‘উসকানি ও সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষ ছড়ানো ও ভারতীয় সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যমূলক অপপ্রচার ও অপতথ্য ছড়ানোর জন্য’ ভারতে পাকিস্তানের বেশ কিছু টেলিভিশন ও পত্রিকার ওয়েবসাইট ও ইউটিউব চ্যানেল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। যার মধ্যে আছে পাকিস্তানের ডন নিউজ, ইরশাদ ভাট্টি, সামা টিভি, এআরওয়াই নিউজ, বোল নিউজ, রাফতার, দ্য পাকিস্তান রেফারেন্স, জিও নিউজ, সামা স্পোর্টস, জিএনএন, উজাইর ক্রিকেট, উমর চিমা এক্সক্লুসিভ, আসমা সিরাজি, মুনিব ফারুক, সুনো নিউজ ও রাজি নামা ইউটিউব চ্যানেল।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ফিরে আসা বাংলাদেশিদের বেশির ভাগই সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে মানবপাচারকারীদের প্ররোচনা ও সহযোগিতায় লিবিয়ায় অনুপ্রবেশ করেছিলেন। তাদের অনেকেই সেখানে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
তিন দিনব্যাপী এই আয়োজনে বিনিয়োগ, স্টার্টআপ, স্বাস্থ্যসেবা উদ্ভাবন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), ফ্যাশন, সংগীত, গণমাধ্যম, খাদ্য, শিল্পকলা এবং সাংস্কৃতিক কূটনীতি বিষয়ক বিভিন্ন প্যানেল আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে।
কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীদের ২০০৩ সালের ইউনেসকো কনভেনশনের মূলনীতি, নৈতিক নথিভুক্তকরণ প্রক্রিয়া এবং অবাধ, পূর্বানুমোদিত ও অবহিত সম্মতি সম্পর্কে ধারণা প্রদান করা হয়।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রত্যাবাসিতদের বেশির ভাগই মানবপাচারকারীদের প্ররোচনা ও সহযোগিতায় সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে লিবিয়ায় প্রবেশ করেছিলেন। তাদের অনেকেই সেখানে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।