
বিডিজেন ডেস্ক

বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা বলেছেন, ভারত বাংলাদেশের সঙ্গে একটি স্থিতিশীল, ইতিবাচক ও গঠনমূলক সম্পর্ক বজায় রাখতে চায়; যা দুই দেশের আন্তঃনির্ভরতার ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে এবং সেখানে উভয় দেশের জনগণই প্রধান অংশীদার।
বুধবার (২৩ অক্টোবর) ঢাকার মিরপুরে বাংলাদেশ ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজে ২০২৪ এনডিসি কোর্সে অংশগ্রহণকারীদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য রাখেন হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা।
সেখানে ভারতের বৈদেশিক নীতি ও উন্নয়ন কৌশল সম্পর্কে কথা বলেন তিনি। নিয়ম-ভিত্তিক আন্তর্জাতিক শৃঙ্খলা, বিশ্ব প্রশাসনের সংস্কার এবং গ্লোবাল সাউথের স্বার্থ প্রচারের পাশাপাশি অন্তর্ভুক্তিমূলক, টেকসই ও দ্রুত জাতীয় উন্নয়নের জন্য বিশ্বের সঙ্গে ভারতের ক্রমবর্ধমান সম্পৃক্ততার কথা তুলে ধরেন তিনি।
ভারতের পররাষ্ট্রনীতির অগ্রাধিকার ‘প্রতিবেশী প্রথম’, ‘অ্যাক্ট ইস্ট পলিসি’, সাগর ডকট্রিনের পাশাপাশি ভারতের ইন্দো-প্যাসিফিক ভিশনের আওতায় বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের দীর্ঘমেয়াদি দৃষ্টিভঙ্গি ব্যাখ্যা করেন প্রণয় ভার্মা।

বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা বলেছেন, ভারত বাংলাদেশের সঙ্গে একটি স্থিতিশীল, ইতিবাচক ও গঠনমূলক সম্পর্ক বজায় রাখতে চায়; যা দুই দেশের আন্তঃনির্ভরতার ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে এবং সেখানে উভয় দেশের জনগণই প্রধান অংশীদার।
বুধবার (২৩ অক্টোবর) ঢাকার মিরপুরে বাংলাদেশ ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজে ২০২৪ এনডিসি কোর্সে অংশগ্রহণকারীদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য রাখেন হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা।
সেখানে ভারতের বৈদেশিক নীতি ও উন্নয়ন কৌশল সম্পর্কে কথা বলেন তিনি। নিয়ম-ভিত্তিক আন্তর্জাতিক শৃঙ্খলা, বিশ্ব প্রশাসনের সংস্কার এবং গ্লোবাল সাউথের স্বার্থ প্রচারের পাশাপাশি অন্তর্ভুক্তিমূলক, টেকসই ও দ্রুত জাতীয় উন্নয়নের জন্য বিশ্বের সঙ্গে ভারতের ক্রমবর্ধমান সম্পৃক্ততার কথা তুলে ধরেন তিনি।
ভারতের পররাষ্ট্রনীতির অগ্রাধিকার ‘প্রতিবেশী প্রথম’, ‘অ্যাক্ট ইস্ট পলিসি’, সাগর ডকট্রিনের পাশাপাশি ভারতের ইন্দো-প্যাসিফিক ভিশনের আওতায় বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের দীর্ঘমেয়াদি দৃষ্টিভঙ্গি ব্যাখ্যা করেন প্রণয় ভার্মা।
বৈঠকে লিবিয়ার উপ-প্রধানমন্ত্রী দেশটির দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নমূলক ও অগ্রাধিকারভিত্তিক প্রকল্পগুলোতে আরও বেশিসংখ্যক দক্ষ বাংলাদেশি জনশক্তির অংশগ্রহণের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই নতুন শ্রমবাজার সৃষ্টি ও বিদ্যমান শ্রমবাজার সম্প্রসারণে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে ধারাবাহিক আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় উন্মুক্ত হয়েছে।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বিভিন্ন ধাপে ২০২৬ সালের মে মাস পর্যন্ত ১৯১ জনের কাছে সম্পদ বিবরণী দাখিলের নোটিশ জারি করা হয়েছে। আরও ২২ জনের কাছে নোটিশ জারির প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
নুরুল হক নুর বলেন, “এক সময় বিদেশে নির্যাতনের শিকার হলে প্রবাসী বাংলাদেশিরা প্রতিকার চাইতে পারতেন না। তবে বর্তমানে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে চুক্তির ফলে নির্যাতনের শিকার কর্মীদের জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি ও আইনি প্রতিকার পাওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।”