
প্রতিবেদক, বিডিজেন

কুমিল্লার মুরাদনগরে এক প্রবাসীর স্ত্রীকে ‘ধর্ষণ’ ও নিগ্রহের ঘটনা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও কনটেন্ট দ্রুত সরিয়ে নেওয়ার দাবি জানিয়েছে নারী সুরক্ষা নিয়ে কাজ করা সংগঠন ‘ধর্ষণ আইন সংস্কার জোট’। একই সঙ্গে ভুক্তভোগী নারীর নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি। রোববার (২৯ জুন) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে জোটের পক্ষ থেকে এই দাবি জানানো হয়েছে।
বিবৃতিতে ধর্ষণ আইন সংস্কার জোটের পক্ষ থেকে কুমিল্লার মুরাদনগরে নারীর প্রতি সংঘটিত যৌন এবং অনলাইন সহিংসতার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। একই সঙ্গে এ ঘটনার দ্রুত, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্ত এবং দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনি পদক্ষেপ গ্রহণের জোরালো দাবি জানানো হয়। পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এ ঘটনা–সংশ্লিষ্ট ভিডিও দ্রুত সরিয়ে নেওয়া এবং ভুক্তভোগী নারীর নিরাপত্তা নিশ্চিতে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিও জানানো হয়।
বিবৃতিতে বলা হয়, ২৬ জুন রাতে কুমিল্লার মুরাদনগরে ফজর আলী নামের এক ব্যক্তি ভুক্তভোগী নারীকে দরজা ভেঙে ঘরের ভেতরে ঢুকে ধর্ষণ করেন। ৪ ব্যক্তি এ ঘটনার ভিডিও ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেন। ভুক্তভোগীর আর্তনাদে প্রতিবেশীরা তাকে উদ্ধার করতে গিয়ে দেখেন ঘরের দরজা ভাঙা এবং কিছু লোক তাঁকে মারধর করছেন। সেই মারধরের ভিডিও ধারণ করে পরে তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হয়।
বিবৃতিতে এ ধরনের সহিংসতার ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার বিশেষ আবেদন জানানো হয়।
ধর্ষণ শাস্তিযোগ্য অপরাধ উল্লেখ করে বিবৃতিতে বলা হয়, বাংলাদেশের বিদ্যমান আইন যথাক্রমে ১৮৬০ সালের দণ্ডবিধির ৩৭৬ ধারা এবং নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ (সংশোধিত অধ্যাদেশ ২০২৫)–এর ৯(১) ধারায় ধর্ষণ অপরাধকে একটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ এবং ১৪ ধারায় অনলাইন বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নির্যাতনে ভুক্তভোগী নারীসংশ্লিষ্ট যেকোনো তথ্য বা ছবি প্রকাশকে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়েছে।

কুমিল্লার মুরাদনগরে এক প্রবাসীর স্ত্রীকে ‘ধর্ষণ’ ও নিগ্রহের ঘটনা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও কনটেন্ট দ্রুত সরিয়ে নেওয়ার দাবি জানিয়েছে নারী সুরক্ষা নিয়ে কাজ করা সংগঠন ‘ধর্ষণ আইন সংস্কার জোট’। একই সঙ্গে ভুক্তভোগী নারীর নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি। রোববার (২৯ জুন) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে জোটের পক্ষ থেকে এই দাবি জানানো হয়েছে।
বিবৃতিতে ধর্ষণ আইন সংস্কার জোটের পক্ষ থেকে কুমিল্লার মুরাদনগরে নারীর প্রতি সংঘটিত যৌন এবং অনলাইন সহিংসতার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। একই সঙ্গে এ ঘটনার দ্রুত, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্ত এবং দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনি পদক্ষেপ গ্রহণের জোরালো দাবি জানানো হয়। পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এ ঘটনা–সংশ্লিষ্ট ভিডিও দ্রুত সরিয়ে নেওয়া এবং ভুক্তভোগী নারীর নিরাপত্তা নিশ্চিতে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিও জানানো হয়।
বিবৃতিতে বলা হয়, ২৬ জুন রাতে কুমিল্লার মুরাদনগরে ফজর আলী নামের এক ব্যক্তি ভুক্তভোগী নারীকে দরজা ভেঙে ঘরের ভেতরে ঢুকে ধর্ষণ করেন। ৪ ব্যক্তি এ ঘটনার ভিডিও ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেন। ভুক্তভোগীর আর্তনাদে প্রতিবেশীরা তাকে উদ্ধার করতে গিয়ে দেখেন ঘরের দরজা ভাঙা এবং কিছু লোক তাঁকে মারধর করছেন। সেই মারধরের ভিডিও ধারণ করে পরে তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হয়।
বিবৃতিতে এ ধরনের সহিংসতার ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার বিশেষ আবেদন জানানো হয়।
ধর্ষণ শাস্তিযোগ্য অপরাধ উল্লেখ করে বিবৃতিতে বলা হয়, বাংলাদেশের বিদ্যমান আইন যথাক্রমে ১৮৬০ সালের দণ্ডবিধির ৩৭৬ ধারা এবং নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ (সংশোধিত অধ্যাদেশ ২০২৫)–এর ৯(১) ধারায় ধর্ষণ অপরাধকে একটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ এবং ১৪ ধারায় অনলাইন বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নির্যাতনে ভুক্তভোগী নারীসংশ্লিষ্ট যেকোনো তথ্য বা ছবি প্রকাশকে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২০২৫ সালের ইদ আল ইতিহাদ উদ্যাপনের অংশ হিসেবে দেশটির শাসকেরা এ ক্ষমার ঘোষণা দেন। এ সময় বিভিন্ন দেশের হাজারো বন্দিকেও ক্ষমার আওতায় আনা হয়। প্রতি বছর জাতীয় দিবস ও ঈদসহ গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় ও ধর্মীয় উৎসব উপলক্ষে আমিরাতের শাসকেরা দণ্ডপ্রাপ্তদের রাজকীয় ক্ষমা দিয়ে থাকেন।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, নির্বাচনকে ঘিরে ভুয়া খবরের ‘বন্যা ও পরিকল্পিতভাবে বিভ্রান্তি’ ছড়ানো হয়েছে। তবে অন্তর্বর্তী সরকার আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন অনুষ্ঠানের প্রতিশ্রুতিতে অটল। অন্তর্বর্তী সরকার নির্বাচনী ফলাফল ঘোষণা শেষে গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করবে।
২০২৪ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি তিউনিশিয়া উপকূলে পৌঁছানোর আগেই নৌকাটি ডুবে গেলে ৮ বাংলাদেশি নাগরিক মারা যান। তারা হলেন সজল বৈরাগী, মামুন শেখ, নয়ন বিশ্বাস, কাজী সজিব, কায়সার খলিফা, মো. রিফাত শেখ, রাসেল শেখ এবং ইমরুল কায়েস আপন।
মধ্যপ্রাচ্যগামী বাংলাদেশি কর্মীদের ভিসা-সংক্রান্ত প্রতারণা থেকে সুরক্ষা দেওয়া এবং নিরাপদ ও স্বচ্ছ অভিবাসন নিশ্চিত করাই এ উদ্যোগের লক্ষ্য। সেবাটি এরই মধ্যে চালু হয়েছে এবং ১৬৭৬৮ নম্বরে ফোন করে এই সেবা পাওয়া যাচ্ছে।