
প্রতিবেদক, বিডিজেন

প্রবাসী ভোটার নিবন্ধন অ্যাপের উদ্বোধন ১৬ নভেম্বরের পরিবর্তে ১৮ নভেম্বর হবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।
আজ রোববার (৯ নভেম্বর) বিকেলে নির্বাচন ভবনে এক ব্রিফিংয়ে তিনি এ তথ্য জানান।
আখতার আহমেদ বলেন, ‘আপনারা জানেন, আমরা আমাদের প্রবাসী ভোটার নিবন্ধন অ্যাপটি লঞ্চ করতে চেয়েছিলাম ১৬ নভেম্বর। তবে এখন সিদ্ধান্ত হয়েছে, আমরা এটি ১৮ নভেম্বর লঞ্চ করব।’
তিনি আরও বলেন, এর মূল দুটি কারণ আছে। প্রথমত, ১৬ নভেম্বর পড়েছে রোববার, যেদিন বিশ্বের অধিকাংশ দেশেই সাপ্তাহিক ছুটি থাকে। যদিও আমাদের দেশে আমরা কাজ করি, তবে আন্তর্জাতিক দিক বিবেচনা করে দেখা গেল ১৮ তারিখে লঞ্চ করা উত্তম হবে। দ্বিতীয়ত, ওই দিন অর্থাৎ ১৮ নভেম্বর আমরা চূড়ান্ত ভোটার তালিকাও প্রকাশ করব।’
‘সেই কারণে সময় পরিবর্তন করা হয়েছে। লঞ্চিংয়ের নির্দিষ্ট সময় পরে জানানো হবে। আমরা আগেই বলেছিলাম যে, ১৬ নভেম্বর আমরা “আউট অব কান্ট্রি ভোটিং” এবং আইসিপিবি’র পোস্টাল ভোট বিডিং অ্যাপটি উদ্বোধন করব। এখন সেটির উদ্বোধন ১৮ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হবে—এটাই আজকের মূল বিষয়,’ যোগ করেন তিনি।

প্রবাসী ভোটার নিবন্ধন অ্যাপের উদ্বোধন ১৬ নভেম্বরের পরিবর্তে ১৮ নভেম্বর হবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।
আজ রোববার (৯ নভেম্বর) বিকেলে নির্বাচন ভবনে এক ব্রিফিংয়ে তিনি এ তথ্য জানান।
আখতার আহমেদ বলেন, ‘আপনারা জানেন, আমরা আমাদের প্রবাসী ভোটার নিবন্ধন অ্যাপটি লঞ্চ করতে চেয়েছিলাম ১৬ নভেম্বর। তবে এখন সিদ্ধান্ত হয়েছে, আমরা এটি ১৮ নভেম্বর লঞ্চ করব।’
তিনি আরও বলেন, এর মূল দুটি কারণ আছে। প্রথমত, ১৬ নভেম্বর পড়েছে রোববার, যেদিন বিশ্বের অধিকাংশ দেশেই সাপ্তাহিক ছুটি থাকে। যদিও আমাদের দেশে আমরা কাজ করি, তবে আন্তর্জাতিক দিক বিবেচনা করে দেখা গেল ১৮ তারিখে লঞ্চ করা উত্তম হবে। দ্বিতীয়ত, ওই দিন অর্থাৎ ১৮ নভেম্বর আমরা চূড়ান্ত ভোটার তালিকাও প্রকাশ করব।’
‘সেই কারণে সময় পরিবর্তন করা হয়েছে। লঞ্চিংয়ের নির্দিষ্ট সময় পরে জানানো হবে। আমরা আগেই বলেছিলাম যে, ১৬ নভেম্বর আমরা “আউট অব কান্ট্রি ভোটিং” এবং আইসিপিবি’র পোস্টাল ভোট বিডিং অ্যাপটি উদ্বোধন করব। এখন সেটির উদ্বোধন ১৮ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হবে—এটাই আজকের মূল বিষয়,’ যোগ করেন তিনি।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ফিরে আসা বাংলাদেশিদের বেশির ভাগই সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে মানবপাচারকারীদের প্ররোচনা ও সহযোগিতায় লিবিয়ায় অনুপ্রবেশ করেছিলেন। তাদের অনেকেই সেখানে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
তিন দিনব্যাপী এই আয়োজনে বিনিয়োগ, স্টার্টআপ, স্বাস্থ্যসেবা উদ্ভাবন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), ফ্যাশন, সংগীত, গণমাধ্যম, খাদ্য, শিল্পকলা এবং সাংস্কৃতিক কূটনীতি বিষয়ক বিভিন্ন প্যানেল আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে।
কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীদের ২০০৩ সালের ইউনেসকো কনভেনশনের মূলনীতি, নৈতিক নথিভুক্তকরণ প্রক্রিয়া এবং অবাধ, পূর্বানুমোদিত ও অবহিত সম্মতি সম্পর্কে ধারণা প্রদান করা হয়।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রত্যাবাসিতদের বেশির ভাগই মানবপাচারকারীদের প্ররোচনা ও সহযোগিতায় সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে লিবিয়ায় প্রবেশ করেছিলেন। তাদের অনেকেই সেখানে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।