
প্রতিনিধি, কুয়ালালামপুর

মালয়েশিয়ায় গাউসিয়া কমিটি বাংলাদেশের মালয়েশিয়া শাখার ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত রোববার (৬ এপ্রিল) সন্ধ্যায় কুয়ালালামপুরের কেপং আমান পুরী সুরাও গাউসুল আজমে ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি মুহাম্মদ আনোয়ার হোসাইন। প্রধান আলোচক ছিলেন ইউনিভার্সিটি অব মালায়ার পিএইচডি গবেষক মাওলানা মুহাম্মদ হোসাইন আজহারী।
গোলাম মোস্তফার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন বিশেষ অতিথি গাউসিয়া কমিটি বাংলাদেশের নারায়ণগঞ্জ জেলা শাখার সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা মোহাম্মদ হাসান।

উপস্থিত ছিলেন গাউসিয়া কমিটি মালয়েশিয়া শাখার উপদেষ্টা সাংবাদিক রফিক আহমদ খান, গাউসিয়া কমিটি মালয়েশিয়া শাখার জৈষ্ঠ্য সহ সভাপতি মুহাম্মদ রফিকুল ইসলাম আকন্দ, সাধারণ সম্পাদক নাঈম উদ্দিন, তারেকুল আলম চৌধুরী, তাজ উদ্দীন, গোলাম মোস্তফা, টুকু সরদার, জামাল হোসেন, ইব্রাহিম টিপু, নাজিম উদ্দিন, মুরশেদ, মিজান প্রমুখ।
অনুষ্ঠানের প্রধান আলোচক ইউনিভার্সিটি অব মালায়ার পিএইচডি গবেষক মাওলানা মুহাম্মদ হোসাইন আজহারী বলেন, ‘আজ ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান হলেও আমরা আনন্দ প্রকাশ করতে পারছি না, ফিলিস্তিনে আমাদের মুসলিম ভাইয়ের ওপর যেভাবে গণহত্যা চালানো হচ্ছে, আমরা খুবই ব্যথিত। আমরা ইসরায়েলি বাহিনির হত্যাকান্ডের তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানাই।’
তিনি ফিলিস্তিনের মানুষের জন্য নিজ নিজ সামর্থ অনুযায়ী আর্থিক সাহায্য পাঠানোর জন্য সবার প্রতি আহবান জানান।

সভায় বক্তারা আহলে সুন্নাত ওয়াল জামায়াত আদর্শে পরিচালিত একমাত্র তরিকত সংগঠন গাউসিয়া কমিটি বাংলাদেশের কার্যক্রমকে মালয়েশিয়ার সর্বত্রে ছড়িয়ে দিয়ে দ্বীন ও মাজহাব মিল্লাতের খেদমতকে আরও বেগমান করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। এ ছাড়া, সুন্নীয়ত ও ত্বরীকতের দায়িত্ব পালনে, মাদ্রাসা, আনজুমান এবং মুর্শিদে বরহক্বের নির্দেশের প্রতি আস্থাশীল এবং মুর্শিদের বাতলানো পথে নিবেদিত হয়ে নবী প্রেমিক এবং খোদাপ্রাপ্তির পথ সুগম করার অনুশীলনে নিরলসভাবে এগিয়ে চলার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। পরে মিলাদ কিয়ামের মাধ্যমে অনুষ্ঠিত হয়।
শেষে সংবর্ধিত প্রধান অতিথি ঢাকা কাদেরিয়া তৈয়বিয়া কামিল মাদ্রাসার উপাধ্যক্ষ মিডিয়া ব্যক্তিত্ব শাইখুল হাদিস আল্লামা আবুল কাশেম মোহাম্মদ ফজলুল হক অসুস্থতার জন্য মালয়েশিয়ায় আসতে না পারায় মোবাইলে ভার্চ্যুয়ালি দুঃখ প্রকাশ করে দেশবাসী ও প্রবাসের সকল মুসলিম উম্মাহসহ ফিলিস্তিনের গাজার মুসলমানদের জন্য দোয়া ও মোনাজাত করেন।

মালয়েশিয়ায় গাউসিয়া কমিটি বাংলাদেশের মালয়েশিয়া শাখার ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত রোববার (৬ এপ্রিল) সন্ধ্যায় কুয়ালালামপুরের কেপং আমান পুরী সুরাও গাউসুল আজমে ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি মুহাম্মদ আনোয়ার হোসাইন। প্রধান আলোচক ছিলেন ইউনিভার্সিটি অব মালায়ার পিএইচডি গবেষক মাওলানা মুহাম্মদ হোসাইন আজহারী।
গোলাম মোস্তফার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন বিশেষ অতিথি গাউসিয়া কমিটি বাংলাদেশের নারায়ণগঞ্জ জেলা শাখার সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা মোহাম্মদ হাসান।

উপস্থিত ছিলেন গাউসিয়া কমিটি মালয়েশিয়া শাখার উপদেষ্টা সাংবাদিক রফিক আহমদ খান, গাউসিয়া কমিটি মালয়েশিয়া শাখার জৈষ্ঠ্য সহ সভাপতি মুহাম্মদ রফিকুল ইসলাম আকন্দ, সাধারণ সম্পাদক নাঈম উদ্দিন, তারেকুল আলম চৌধুরী, তাজ উদ্দীন, গোলাম মোস্তফা, টুকু সরদার, জামাল হোসেন, ইব্রাহিম টিপু, নাজিম উদ্দিন, মুরশেদ, মিজান প্রমুখ।
অনুষ্ঠানের প্রধান আলোচক ইউনিভার্সিটি অব মালায়ার পিএইচডি গবেষক মাওলানা মুহাম্মদ হোসাইন আজহারী বলেন, ‘আজ ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান হলেও আমরা আনন্দ প্রকাশ করতে পারছি না, ফিলিস্তিনে আমাদের মুসলিম ভাইয়ের ওপর যেভাবে গণহত্যা চালানো হচ্ছে, আমরা খুবই ব্যথিত। আমরা ইসরায়েলি বাহিনির হত্যাকান্ডের তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানাই।’
তিনি ফিলিস্তিনের মানুষের জন্য নিজ নিজ সামর্থ অনুযায়ী আর্থিক সাহায্য পাঠানোর জন্য সবার প্রতি আহবান জানান।

সভায় বক্তারা আহলে সুন্নাত ওয়াল জামায়াত আদর্শে পরিচালিত একমাত্র তরিকত সংগঠন গাউসিয়া কমিটি বাংলাদেশের কার্যক্রমকে মালয়েশিয়ার সর্বত্রে ছড়িয়ে দিয়ে দ্বীন ও মাজহাব মিল্লাতের খেদমতকে আরও বেগমান করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। এ ছাড়া, সুন্নীয়ত ও ত্বরীকতের দায়িত্ব পালনে, মাদ্রাসা, আনজুমান এবং মুর্শিদে বরহক্বের নির্দেশের প্রতি আস্থাশীল এবং মুর্শিদের বাতলানো পথে নিবেদিত হয়ে নবী প্রেমিক এবং খোদাপ্রাপ্তির পথ সুগম করার অনুশীলনে নিরলসভাবে এগিয়ে চলার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। পরে মিলাদ কিয়ামের মাধ্যমে অনুষ্ঠিত হয়।
শেষে সংবর্ধিত প্রধান অতিথি ঢাকা কাদেরিয়া তৈয়বিয়া কামিল মাদ্রাসার উপাধ্যক্ষ মিডিয়া ব্যক্তিত্ব শাইখুল হাদিস আল্লামা আবুল কাশেম মোহাম্মদ ফজলুল হক অসুস্থতার জন্য মালয়েশিয়ায় আসতে না পারায় মোবাইলে ভার্চ্যুয়ালি দুঃখ প্রকাশ করে দেশবাসী ও প্রবাসের সকল মুসলিম উম্মাহসহ ফিলিস্তিনের গাজার মুসলমানদের জন্য দোয়া ও মোনাজাত করেন।
আলোচনা পর্বে ভ্যানক্যুভারে বসবাসরত একজন মুক্তিযোদ্ধাসহ আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের সঙ্গে সম্পৃক্ত এবং কমিউনিটির বিভিন্ন সাংস্কৃতিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে জড়িত শ্রদ্ধাভাজন সদস্যবৃন্দ তাদের বক্তব্য দেন।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে মো. সিদ্দিকুর রহমান বিডি এক্সপ্যাটের কার্যক্রমের প্রশংসা করে ভবিষ্যতে সংগঠনের কার্যক্রমকে আরও বেগবান করতে হাইকমিশনের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
উপস্থিত অতিথিরা বলেন, এই আয়োজন কেবল একটি ধর্মীয় ইফতার নয়—এটি বহুসংস্কৃতি, অংশগ্রহণমূলক রাজনীতি এবং সম্প্রদায়ভিত্তিক নেতৃত্বের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।
অনুষ্ঠানে তুরস্ক, ফ্রান্স, বসনিয়া হার্জেগোভিনা, আজারবাইজান, শ্রীলঙ্কা, মালদ্বীপ, ব্রাজিল, মঙ্গোলিয়া, ফিলিপাইন, স্লোভেনিয়া, রাশিয়া, তুর্কমিনিস্তানসহ প্রায় ২০টি দেশের প্রতিনিধিরা এবং ছাত্র-ছাত্রীরা তাদের নিজ নিজ ভাষায় নাচ, গান ও কবিতা আবৃত্তির মাধ্যমে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালনে অংশগ্রহণ করেণ।

অনুষ্ঠানে তুরস্ক, ফ্রান্স, বসনিয়া হার্জেগোভিনা, আজারবাইজান, শ্রীলঙ্কা, মালদ্বীপ, ব্রাজিল, মঙ্গোলিয়া, ফিলিপাইন, স্লোভেনিয়া, রাশিয়া, তুর্কমিনিস্তানসহ প্রায় ২০টি দেশের প্রতিনিধিরা এবং ছাত্র-ছাত্রীরা তাদের নিজ নিজ ভাষায় নাচ, গান ও কবিতা আবৃত্তির মাধ্যমে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালনে অংশগ্রহণ করেণ।
৪ দিন আগে