
রফিক আহমদ খান, মালয়েশিয়া

মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরে অনুষ্ঠিত হয়েছে রুটি-মাংসের ‘ঈদ উৎসব ১৪৪৭ হিজরি'। ঈদুল আজহার দিন সন্ধ্যায় চট্টগ্রাম সমিতি, মালয়েশিয়ার আয়োজনে এই উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে কুয়ালালামপুরের বাংলাদেশি অধ্যুষিত এলাকা হাংতুয়ায়।
মেজবান রেস্টুরেন্টে অনুষ্ঠিত এই উৎসবে প্রায় ৫০০ মানুষের সমাগম হয়। উপস্থিত সবাইকে ঈদুল আজহায় বাংলাদেশের ঐতিহ্য হিসেবে মন ভরে রুটি-মাংস দিয়ে আপ্যায়ন করানো হয়।

ঈদ উৎসবে উপস্থিত মোহাম্মদ মাসুম বলেন, “আলহামদুলিল্লাহ, খাবার খুব স্বাদ হয়েছে। আমরা কোরবানির মাংসের মতো স্বাদ উপলব্ধি করেছি। চট্টগ্রাম সমিতিকে অসংখ্য ধন্যবাদ।”
উপস্থিত প্রবাসী মোহাম্মদ আলী বলেন, “খাবার অনেক স্বাদ হয়েছে, অসাধারণ আয়োজন—এই ঈদ উৎসব।”
প্রবাসী শহিদুল ইসলাম বলেন, “আমি দুইবার খেয়েছি। রান্না দেশের কোরবানির মাংসের মতো হয়েছে।”

দূর প্রবাসে থাকা শত-শত প্রবাসীকে কোরবানির দিনে একত্রিত করে এমন আয়োজন সত্যিই প্রশংসনীয় বলে উল্লেখ করেন—প্রবীণ এক প্রবাসী।
চট্টগ্রাম সমিতি মালয়েশিয়ার সভাপতি ইসকান্দর মনি বলেন, “আমরা প্রবাসী ভাইদের জন্য গোস্ত রুটি খাওয়ার আয়োজন করেছি। মালয়েশিয়ায় প্রবাসী চট্টগ্রামের অনেক মানুষ এসেছেন। আমরা সবাইকে এক সাথে নিয়ে ঈদ উৎসবের আয়োজন করতে পেরে ভালো লাগছে।”

চট্টগ্রাম সমিতি-মালয়েশিয়ার সাধারণ সম্পাদক সাদেক উল্লাহ বলেন, “বাংলাদেশের ঐতিহ্য—কোরবানির ঈদে পেট ভরে রুটি-মাংস খাওয়া। আমরা গত বছরের মতো এবছরও এই ঈদ উৎসবের আয়োজন করতে পেরে খুশি। উৎসবে যারা এসেছেন তাদেরকে ধন্যবাদ জানাই, যারা পরিবার পরিজন থেকে দূরে থাকা এই প্রবাসীদের জন্য এই আয়োজনে বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করেছেন তাদেরকে ধন্যবাদ জানাই।”

উৎসবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম সমিতি, মালয়েশিয়ার উপদেষ্টা রফিক আহমদ খান, সভাপতি ইসকান্দর মনি, সাধারণ সম্পাদক সাদেক উল্লাহ, সহ সভাপতি হেলাল উদ্দিন, রাশেদুল ইসলাম রাশেল, মো. শহিদুল ইসলাম, মোহাম্মদ আলী, মোহাম্মদ মহিউদ্দিন, মোহাম্মদ মাসুম, শওকত হোসেন, আল-আমিন মোস্তাক, সাহাব উদ্দিন, মোহাম্মদ পারভেজ, জহির উদ্দিন বাবর, মোহাম্মদ আশরাফ, আবু তৈয়ব, মোহাম্মদ রুবেল প্রমুখ।

মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরে অনুষ্ঠিত হয়েছে রুটি-মাংসের ‘ঈদ উৎসব ১৪৪৭ হিজরি'। ঈদুল আজহার দিন সন্ধ্যায় চট্টগ্রাম সমিতি, মালয়েশিয়ার আয়োজনে এই উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে কুয়ালালামপুরের বাংলাদেশি অধ্যুষিত এলাকা হাংতুয়ায়।
মেজবান রেস্টুরেন্টে অনুষ্ঠিত এই উৎসবে প্রায় ৫০০ মানুষের সমাগম হয়। উপস্থিত সবাইকে ঈদুল আজহায় বাংলাদেশের ঐতিহ্য হিসেবে মন ভরে রুটি-মাংস দিয়ে আপ্যায়ন করানো হয়।

ঈদ উৎসবে উপস্থিত মোহাম্মদ মাসুম বলেন, “আলহামদুলিল্লাহ, খাবার খুব স্বাদ হয়েছে। আমরা কোরবানির মাংসের মতো স্বাদ উপলব্ধি করেছি। চট্টগ্রাম সমিতিকে অসংখ্য ধন্যবাদ।”
উপস্থিত প্রবাসী মোহাম্মদ আলী বলেন, “খাবার অনেক স্বাদ হয়েছে, অসাধারণ আয়োজন—এই ঈদ উৎসব।”
প্রবাসী শহিদুল ইসলাম বলেন, “আমি দুইবার খেয়েছি। রান্না দেশের কোরবানির মাংসের মতো হয়েছে।”

দূর প্রবাসে থাকা শত-শত প্রবাসীকে কোরবানির দিনে একত্রিত করে এমন আয়োজন সত্যিই প্রশংসনীয় বলে উল্লেখ করেন—প্রবীণ এক প্রবাসী।
চট্টগ্রাম সমিতি মালয়েশিয়ার সভাপতি ইসকান্দর মনি বলেন, “আমরা প্রবাসী ভাইদের জন্য গোস্ত রুটি খাওয়ার আয়োজন করেছি। মালয়েশিয়ায় প্রবাসী চট্টগ্রামের অনেক মানুষ এসেছেন। আমরা সবাইকে এক সাথে নিয়ে ঈদ উৎসবের আয়োজন করতে পেরে ভালো লাগছে।”

চট্টগ্রাম সমিতি-মালয়েশিয়ার সাধারণ সম্পাদক সাদেক উল্লাহ বলেন, “বাংলাদেশের ঐতিহ্য—কোরবানির ঈদে পেট ভরে রুটি-মাংস খাওয়া। আমরা গত বছরের মতো এবছরও এই ঈদ উৎসবের আয়োজন করতে পেরে খুশি। উৎসবে যারা এসেছেন তাদেরকে ধন্যবাদ জানাই, যারা পরিবার পরিজন থেকে দূরে থাকা এই প্রবাসীদের জন্য এই আয়োজনে বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করেছেন তাদেরকে ধন্যবাদ জানাই।”

উৎসবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম সমিতি, মালয়েশিয়ার উপদেষ্টা রফিক আহমদ খান, সভাপতি ইসকান্দর মনি, সাধারণ সম্পাদক সাদেক উল্লাহ, সহ সভাপতি হেলাল উদ্দিন, রাশেদুল ইসলাম রাশেল, মো. শহিদুল ইসলাম, মোহাম্মদ আলী, মোহাম্মদ মহিউদ্দিন, মোহাম্মদ মাসুম, শওকত হোসেন, আল-আমিন মোস্তাক, সাহাব উদ্দিন, মোহাম্মদ পারভেজ, জহির উদ্দিন বাবর, মোহাম্মদ আশরাফ, আবু তৈয়ব, মোহাম্মদ রুবেল প্রমুখ।
মেজবান রেস্টুরেন্টে অনুষ্ঠিত এই উৎসবে প্রায় ৫০০ মানুষের সমাগম হয়। উপস্থিত সবাইকে ঈদুল আজহায় বাংলাদেশের ঐতিহ্য হিসেবে মন ভরে রুটি-মাংস দিয়ে আপ্যায়ন করানো হয়।
উদ্যোক্তা হেলাল উদ্দিন বলেন, "কুয়ালালামপুরের এই হাংতুয়া এলাকায় কয়েক হাজার বাংলাদেশি বসবাস করেন। প্রবাসীদের দেশি খাবারের আসল স্বাদ দেওয়ার জন্য আমরা মেজবান রেস্টুরেন্ট করেছি। যেহেতু এখানে বসবাসরত বাংলাদেশির মধ্যে অর্ধেকের বেশি চট্টগ্রামের মানুষ। তাই আমরা চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী নানা খাবারও পরিবেশন করব।
বিগত বছরগুলোর মতো এবারও বার্লিনের বেঙ্গলিশে কুলটর ফোরামের উদ্যোগে এ উৎসবে শরিক হয়েছিলেন জার্মানপ্রবাসী বাংলাদেশিরা। নারীরা লাল শাড়ি, কপালে টিপ, খোঁপায় রঙিন ফুল ও দেশীয় অলংকার পরে উৎসবে অংশ নেন। পুরুষেরা পরেন লুঙ্গি, ফতুয়া। মাথায় বাঁধেন গামছা।
সভায় বক্তারা ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন ও দেশের অবদানের কথা স্মরণ করেন। বিশেষ করে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে তার বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা, চট্টগ্রামের অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং মিরসরাইয়ে দেশের বৃহত্তম অর্থনৈতিক অঞ্চল (ইকোনমিক জোন) প্রতিষ্ঠায় তার দূরদর্শী নেতৃত্বের কথা তুলে ধরেন।

উদ্যোক্তা হেলাল উদ্দিন বলেন, "কুয়ালালামপুরের এই হাংতুয়া এলাকায় কয়েক হাজার বাংলাদেশি বসবাস করেন। প্রবাসীদের দেশি খাবারের আসল স্বাদ দেওয়ার জন্য আমরা মেজবান রেস্টুরেন্ট করেছি। যেহেতু এখানে বসবাসরত বাংলাদেশির মধ্যে অর্ধেকের বেশি চট্টগ্রামের মানুষ। তাই আমরা চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী নানা খাবারও পরিবেশন করব।
৪ দিন আগে
সভায় বক্তারা ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন ও দেশের অবদানের কথা স্মরণ করেন। বিশেষ করে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে তার বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা, চট্টগ্রামের অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং মিরসরাইয়ে দেশের বৃহত্তম অর্থনৈতিক অঞ্চল (ইকোনমিক জোন) প্রতিষ্ঠায় তার দূরদর্শী নেতৃত্বের কথা তুলে ধরেন।
৫ দিন আগে