
বিডিজেন ডেস্ক

মালয়েশিয়ায় এক প্রবাসী বাংলাদেশি কর্মী নিজের পায়ের রাবার বুট খুলে খালি পায়ে এটিএম বুথে ঢুকে বুথ থেকে রিঙ্গিত উত্তোলন করে বাহিরে রাখা বুট পরছেন। সম্প্রতি এই ভিডিও মালয়েশিয়ায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ভাইরাল হওয়া ভিডিও মাধ্যমে বেশ প্রশংসিত হয়েছেন ওই বাংলাদেশি। তবে তার নাম-পরিচয় জানা যায়নি।
সোমবার (১৪ অক্টোবর) মালয়েশিয়ার স্থানীয় এক নাগরিক ওই বাংলাদেশির ভিডিও ক্লিপটি এক্সে পোস্ট করে লেখেন, ‘আধুনিক এই যুগে এমন বিনয়ী মানুষ খুঁজে পাওয়া কঠিন, যে কিনা ফ্লোর নোংরা হবে ভেবে নিজের পায়ের বুট বাইরে রেখে ভেতরে প্রবেশ করেছে। সে শ্রমিক হলেও মনের দিক থেকে অনেক প্রজ্ঞাবান ধনী ব্যক্তি।’
এই বাংলাদেশির এমন অভিব্যক্তি স্থানীয়দের আবেগে ভাসিয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া ওই ভিডিওর কমেন্টে ওই বাংলাদেশির প্রশংসায করেছেন স্থানীয় অনেকে। এমন ঘটনায় খুশি দেশটিতে থাকা বাংলাদেশি প্রবাসীরাও।
নেটিজেনদের অনেকে বলছেন, তিনি যে উদার মনোভাব দেখিয়েছেন এটি আমাদের স্থানীয় বাসিন্দাদের মনে উৎসাহ জুগিয়েছে। তার এই শিষ্টাচার নিশ্চয়ই সে তার বাবা-মায়ের কাছ থেকে শিখেছে। এমন অনেক বাংলাদেশিকে দেখেছি যারা অনেক কঠোর পরিশ্রম করে পরিবারকে সুখে রেখেছে।’
সামাজিক য়োগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, বাংলাদেশি ওই ব্যক্তি কাজ শেষে ব্যাংকের এটিএম বুথে প্রবেশের আগে নিজের পায়ের রাবার বুট খুলে রাখেন।
ওই বাংলাদেশি বুথ থেকে বেরিয়ে আসার পর ভিডিওধারণ করা ব্যক্তি তাঁকে বলে ‘তুমি অনেক ভালো একজন মানুষ’। উত্তরে ওই বাংলাদেশি বলেন, ‘দেখো আমার এই বুটের তলায় ময়লা আবর্জনা থাকতে পারে। এটা নিয়ে যদি আমি বুথের ভেতর প্রবেশ করি তাহলে ওই জায়গাটা নোংরা হয়ে যেতে পারে। এই ভেবে আমি বুটটি খুলে প্রবেশ করেছি। আমি চাই না ফ্লোরটি নোংরা হয়ে যাক।’
একপর্যায়ে ভিডিওধারণ করা ব্যক্তি তাঁকে জিজ্ঞেস করে, তোমার দেশ কোথায়? উত্তরে সে বলে বাংলাদেশ।

মালয়েশিয়ায় এক প্রবাসী বাংলাদেশি কর্মী নিজের পায়ের রাবার বুট খুলে খালি পায়ে এটিএম বুথে ঢুকে বুথ থেকে রিঙ্গিত উত্তোলন করে বাহিরে রাখা বুট পরছেন। সম্প্রতি এই ভিডিও মালয়েশিয়ায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ভাইরাল হওয়া ভিডিও মাধ্যমে বেশ প্রশংসিত হয়েছেন ওই বাংলাদেশি। তবে তার নাম-পরিচয় জানা যায়নি।
সোমবার (১৪ অক্টোবর) মালয়েশিয়ার স্থানীয় এক নাগরিক ওই বাংলাদেশির ভিডিও ক্লিপটি এক্সে পোস্ট করে লেখেন, ‘আধুনিক এই যুগে এমন বিনয়ী মানুষ খুঁজে পাওয়া কঠিন, যে কিনা ফ্লোর নোংরা হবে ভেবে নিজের পায়ের বুট বাইরে রেখে ভেতরে প্রবেশ করেছে। সে শ্রমিক হলেও মনের দিক থেকে অনেক প্রজ্ঞাবান ধনী ব্যক্তি।’
এই বাংলাদেশির এমন অভিব্যক্তি স্থানীয়দের আবেগে ভাসিয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া ওই ভিডিওর কমেন্টে ওই বাংলাদেশির প্রশংসায করেছেন স্থানীয় অনেকে। এমন ঘটনায় খুশি দেশটিতে থাকা বাংলাদেশি প্রবাসীরাও।
নেটিজেনদের অনেকে বলছেন, তিনি যে উদার মনোভাব দেখিয়েছেন এটি আমাদের স্থানীয় বাসিন্দাদের মনে উৎসাহ জুগিয়েছে। তার এই শিষ্টাচার নিশ্চয়ই সে তার বাবা-মায়ের কাছ থেকে শিখেছে। এমন অনেক বাংলাদেশিকে দেখেছি যারা অনেক কঠোর পরিশ্রম করে পরিবারকে সুখে রেখেছে।’
সামাজিক য়োগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, বাংলাদেশি ওই ব্যক্তি কাজ শেষে ব্যাংকের এটিএম বুথে প্রবেশের আগে নিজের পায়ের রাবার বুট খুলে রাখেন।
ওই বাংলাদেশি বুথ থেকে বেরিয়ে আসার পর ভিডিওধারণ করা ব্যক্তি তাঁকে বলে ‘তুমি অনেক ভালো একজন মানুষ’। উত্তরে ওই বাংলাদেশি বলেন, ‘দেখো আমার এই বুটের তলায় ময়লা আবর্জনা থাকতে পারে। এটা নিয়ে যদি আমি বুথের ভেতর প্রবেশ করি তাহলে ওই জায়গাটা নোংরা হয়ে যেতে পারে। এই ভেবে আমি বুটটি খুলে প্রবেশ করেছি। আমি চাই না ফ্লোরটি নোংরা হয়ে যাক।’
একপর্যায়ে ভিডিওধারণ করা ব্যক্তি তাঁকে জিজ্ঞেস করে, তোমার দেশ কোথায়? উত্তরে সে বলে বাংলাদেশ।
অনুষ্ঠানে মোহাম্মদ আবুল বশর তার বক্তব্যে দেশের অর্থনীতি শক্তিশালী এবং রেমিট্যান্স প্রবাহ আরও গতিশীল করতে বর্তমান প্রণোদনা ২ দশমিক ৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৫ শতাংশ করার জন্য বাংলাদেশ সরকারের প্রতি দাবি জানান।
পরিচয়পত্র পেশের পর প্রেসিডেন্ট পারমেলিন ও রাষ্ট্রদূত সোবহানের মধ্যে এক সৌহার্দ্যপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। প্রেসিডেন্ট দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার ৫০ বছরেরও বেশি সময় অতিক্রান্ত হওয়ার কথা স্মরণ করে আশা প্রকাশ করেন, আগামী দিনগুলোতে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে।
হাসান বিন মাহমুদুল্লাহ। আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, পরিপূর্ণ হালাল খাবারের মুখরোচক আইটেম বাংলাদেশিদের চাহিদা মেটাতে সক্ষম হবে। এটি একটা ভালো উদ্যোগ বিশেষ করে মুসলিমদের জন্য।
চুক্তির আওতায় দুই প্রতিষ্ঠান জাতিসংঘ ঘোষিত টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বিভিন্ন কার্যক্রম যৌথভাবে বাস্তবায়ন এবং নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের অভিজ্ঞতা ও সক্ষমতা কাজে লাগিয়ে যুব উন্নয়নে কাজ করবে।