
নাইম আবদুল্লাহ, সিডনি, অস্ট্রেলিয়া

অস্ট্রেলিয়ার মূলধারার রাজনীতিতে বহুসংস্কৃতির অংশগ্রহণকে আরও দৃঢ় ভিত্তির ওপর দাঁড় করাতে আবারও সফল উদ্যোগ নিলেন মোহাম্মদ জামান। তার আয়োজনে গত বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) বর্ণাঢ্য পরিবেশে সম্পন্ন হয়েছে ষষ্ঠ বার্ষিক মুসলিম লিবারেল পার্টি ইফতার ডিনার। এই আয়োজন বর্তমানে লিবারেল পার্টি অব অস্ট্রেলিয়ার অভ্যন্তরে সবচেয়ে বড় মুসলিম রাজনৈতিক সমাবেশ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

২০২১ সালে যাত্রা শুরু করা এই ইফতার ডিনারটি স্থানীয় উদ্যোগ থেকে ক্রমেই জাতীয় পর্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ইভেন্টে রূপ নিয়েছে। লাকেম্বা শাখা ও ব্যাংকসটাউন এসইসির প্রেসিডেন্ট হিসেবে মোহাম্মদ জামান এই আয়োজনের মাধ্যমে লিবারেল পার্টি ও অস্ট্রেলিয়ার বৃহৎ মুসলিম জনগোষ্ঠীর মধ্যে এক কার্যকর সেতুবন্ধন তৈরি করেছেন।

উপল আমিনের সঞ্চালনায় আয়োজনে অংশ নেন ফেডারেল সিনেটর, সংসদ সদস্য, স্টেট মেম্বার, মেয়র ও কাউন্সিলরসহ বিভিন্ন পর্যায়ের শীর্ষস্থানীয় রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। পাশাপাশি নিউ সাউথ ওয়েলস ও অন্য অঙ্গরাজ্য থেকে আগত বিশিষ্ট চিকিৎসক, কমিউনিটি লিডার এবং প্রবীণ ব্যক্তিবর্গের উপস্থিতি অনুষ্ঠানকে করে তোলে প্রাণবন্ত ও তাৎপর্যপূর্ণ।

উপস্থিত অতিথিরা বলেন, এই আয়োজন কেবল একটি ধর্মীয় ইফতার নয়—এটি বহুসংস্কৃতি, অংশগ্রহণমূলক রাজনীতি এবং সম্প্রদায়ভিত্তিক নেতৃত্বের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।
সিটি অব ক্যান্টারবারি-ব্যাংকসটাউনের সাবেক কাউন্সিলর ও ওয়াটসন আসনের সাবেক ফেডারেল প্রার্থী মোহাম্মদ জামান দীর্ঘদিন ধরে প্রবাসী বাংলাদেশিদের রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব জোরদারে কাজ করে যাচ্ছেন। তার নেতৃত্বে লাকেম্বা শাখাটি অস্ট্রেলিয়ার একমাত্র শাখা হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে, যেখানে বাংলাদেশি কমিউনিটি প্রধান ও নেতৃত্বদানকারী ভূমিকা পালন করছে।

বক্তব্যে মোহাম্মদ জামান বলেন, প্রতি বছর এই ইফতার মাহফিল আয়োজন করা আমার জন্য গর্বের বিষয়। আমাদের লক্ষ্য হলো অস্ট্রেলিয়ার মূলধারায় মুসলিম সম্প্রদায়, বিশেষ করে বাংলাদেশি প্রবাসীদের অবদান তুলে ধরা। এটি কেবল ইফতার নয়—এটি এমন একটি প্ল্যাটফর্ম, যার মাধ্যমে আমাদের কমিউনিটির কণ্ঠস্বর সরকারের উচ্চপর্যায়ে পৌঁছাতে পারে। ইনশাআল্লাহ, আমাদের এই শাখা একদিন অস্ট্রেলিয়ার সবচেয়ে বড় ও প্রভাবশালী শাখায় পরিণত হবে।

আয়োজকদের মতে, এই ইভেন্ট বহুসংস্কৃতিবাদ ও তৃণমূলভিত্তিক সম্পৃক্ততার প্রতি লিবারেল পার্টির প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন। নিয়মিত এ ধরনের উদ্যোগের মাধ্যমে মুসলিম ও বাংলাদেশি কমিউনিটিকে মূলধারার রাজনীতিতে সক্রিয়ভাবে সম্পৃক্ত করার একটি কার্যকর মডেল তৈরি হয়েছে।
লাকেম্বা ও ব্যাংকসটাউন শাখার এই ধারাবাহিক অগ্রযাত্রা নিউ সাউথ ওয়েলসের রাজনীতিতে প্রবাসী বাংলাদেশিদের ক্রমবর্ধমান প্রভাব ও উপস্থিতির এক উজ্জ্বল উদাহরণ হয়ে উঠছে।

অস্ট্রেলিয়ার মূলধারার রাজনীতিতে বহুসংস্কৃতির অংশগ্রহণকে আরও দৃঢ় ভিত্তির ওপর দাঁড় করাতে আবারও সফল উদ্যোগ নিলেন মোহাম্মদ জামান। তার আয়োজনে গত বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) বর্ণাঢ্য পরিবেশে সম্পন্ন হয়েছে ষষ্ঠ বার্ষিক মুসলিম লিবারেল পার্টি ইফতার ডিনার। এই আয়োজন বর্তমানে লিবারেল পার্টি অব অস্ট্রেলিয়ার অভ্যন্তরে সবচেয়ে বড় মুসলিম রাজনৈতিক সমাবেশ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

২০২১ সালে যাত্রা শুরু করা এই ইফতার ডিনারটি স্থানীয় উদ্যোগ থেকে ক্রমেই জাতীয় পর্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ইভেন্টে রূপ নিয়েছে। লাকেম্বা শাখা ও ব্যাংকসটাউন এসইসির প্রেসিডেন্ট হিসেবে মোহাম্মদ জামান এই আয়োজনের মাধ্যমে লিবারেল পার্টি ও অস্ট্রেলিয়ার বৃহৎ মুসলিম জনগোষ্ঠীর মধ্যে এক কার্যকর সেতুবন্ধন তৈরি করেছেন।

উপল আমিনের সঞ্চালনায় আয়োজনে অংশ নেন ফেডারেল সিনেটর, সংসদ সদস্য, স্টেট মেম্বার, মেয়র ও কাউন্সিলরসহ বিভিন্ন পর্যায়ের শীর্ষস্থানীয় রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। পাশাপাশি নিউ সাউথ ওয়েলস ও অন্য অঙ্গরাজ্য থেকে আগত বিশিষ্ট চিকিৎসক, কমিউনিটি লিডার এবং প্রবীণ ব্যক্তিবর্গের উপস্থিতি অনুষ্ঠানকে করে তোলে প্রাণবন্ত ও তাৎপর্যপূর্ণ।

উপস্থিত অতিথিরা বলেন, এই আয়োজন কেবল একটি ধর্মীয় ইফতার নয়—এটি বহুসংস্কৃতি, অংশগ্রহণমূলক রাজনীতি এবং সম্প্রদায়ভিত্তিক নেতৃত্বের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।
সিটি অব ক্যান্টারবারি-ব্যাংকসটাউনের সাবেক কাউন্সিলর ও ওয়াটসন আসনের সাবেক ফেডারেল প্রার্থী মোহাম্মদ জামান দীর্ঘদিন ধরে প্রবাসী বাংলাদেশিদের রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব জোরদারে কাজ করে যাচ্ছেন। তার নেতৃত্বে লাকেম্বা শাখাটি অস্ট্রেলিয়ার একমাত্র শাখা হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে, যেখানে বাংলাদেশি কমিউনিটি প্রধান ও নেতৃত্বদানকারী ভূমিকা পালন করছে।

বক্তব্যে মোহাম্মদ জামান বলেন, প্রতি বছর এই ইফতার মাহফিল আয়োজন করা আমার জন্য গর্বের বিষয়। আমাদের লক্ষ্য হলো অস্ট্রেলিয়ার মূলধারায় মুসলিম সম্প্রদায়, বিশেষ করে বাংলাদেশি প্রবাসীদের অবদান তুলে ধরা। এটি কেবল ইফতার নয়—এটি এমন একটি প্ল্যাটফর্ম, যার মাধ্যমে আমাদের কমিউনিটির কণ্ঠস্বর সরকারের উচ্চপর্যায়ে পৌঁছাতে পারে। ইনশাআল্লাহ, আমাদের এই শাখা একদিন অস্ট্রেলিয়ার সবচেয়ে বড় ও প্রভাবশালী শাখায় পরিণত হবে।

আয়োজকদের মতে, এই ইভেন্ট বহুসংস্কৃতিবাদ ও তৃণমূলভিত্তিক সম্পৃক্ততার প্রতি লিবারেল পার্টির প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন। নিয়মিত এ ধরনের উদ্যোগের মাধ্যমে মুসলিম ও বাংলাদেশি কমিউনিটিকে মূলধারার রাজনীতিতে সক্রিয়ভাবে সম্পৃক্ত করার একটি কার্যকর মডেল তৈরি হয়েছে।
লাকেম্বা ও ব্যাংকসটাউন শাখার এই ধারাবাহিক অগ্রযাত্রা নিউ সাউথ ওয়েলসের রাজনীতিতে প্রবাসী বাংলাদেশিদের ক্রমবর্ধমান প্রভাব ও উপস্থিতির এক উজ্জ্বল উদাহরণ হয়ে উঠছে।
উদ্যোক্তা হেলাল উদ্দিন বলেন, "কুয়ালালামপুরের এই হাংতুয়া এলাকায় কয়েক হাজার বাংলাদেশি বসবাস করেন। প্রবাসীদের দেশি খাবারের আসল স্বাদ দেওয়ার জন্য আমরা মেজবান রেস্টুরেন্ট করেছি। যেহেতু এখানে বসবাসরত বাংলাদেশির মধ্যে অর্ধেকের বেশি চট্টগ্রামের মানুষ। তাই আমরা চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী নানা খাবারও পরিবেশন করব।
বিগত বছরগুলোর মতো এবারও বার্লিনের বেঙ্গলিশে কুলটর ফোরামের উদ্যোগে এ উৎসবে শরিক হয়েছিলেন জার্মানপ্রবাসী বাংলাদেশিরা। নারীরা লাল শাড়ি, কপালে টিপ, খোঁপায় রঙিন ফুল ও দেশীয় অলংকার পরে উৎসবে অংশ নেন। পুরুষেরা পরেন লুঙ্গি, ফতুয়া। মাথায় বাঁধেন গামছা।
সভায় বক্তারা ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন ও দেশের অবদানের কথা স্মরণ করেন। বিশেষ করে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে তার বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা, চট্টগ্রামের অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং মিরসরাইয়ে দেশের বৃহত্তম অর্থনৈতিক অঞ্চল (ইকোনমিক জোন) প্রতিষ্ঠায় তার দূরদর্শী নেতৃত্বের কথা তুলে ধরেন।
দূতাবাস বলছে, চলমান আঞ্চলিক পরিস্থিতি, বিশেষ করে হরমুজ প্রণালী দীর্ঘকাল বন্ধ থাকায় এবং এর ফলে কুয়েতের সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর সৃষ্ট চাপ মোকাবিলায় এই সহায়তা কুয়েতের কৌশলগত খাদ্য মজুত শক্তিশালীকরণ এবং জরুরি প্রয়োজন পূরণে সহায়ক হবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

উদ্যোক্তা হেলাল উদ্দিন বলেন, "কুয়ালালামপুরের এই হাংতুয়া এলাকায় কয়েক হাজার বাংলাদেশি বসবাস করেন। প্রবাসীদের দেশি খাবারের আসল স্বাদ দেওয়ার জন্য আমরা মেজবান রেস্টুরেন্ট করেছি। যেহেতু এখানে বসবাসরত বাংলাদেশির মধ্যে অর্ধেকের বেশি চট্টগ্রামের মানুষ। তাই আমরা চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী নানা খাবারও পরিবেশন করব।
৩ দিন আগে
সভায় বক্তারা ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন ও দেশের অবদানের কথা স্মরণ করেন। বিশেষ করে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে তার বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা, চট্টগ্রামের অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং মিরসরাইয়ে দেশের বৃহত্তম অর্থনৈতিক অঞ্চল (ইকোনমিক জোন) প্রতিষ্ঠায় তার দূরদর্শী নেতৃত্বের কথা তুলে ধরেন।
৫ দিন আগে