
বিডিজেন ডেস্ক

মালয়েশিয়ার বাংলাদেশ হাইকমিশনের উদ্যোগে দেশটির পেনাং প্রদেশে প্রবাসী বাংলাদেশিদের তিন দিনব্যাপী কনস্যুলার সেবা প্রদান করা হয়েছে। কনস্যুলার সেবা প্রদানকালে বৈধ পথে দেশে রেমিট্যান্স বাড়াতে প্রচারণা সভাও অনুষ্ঠিত হয়েছে।
দেশটির রাজধানী কুয়ালালামপুর থেকে প্রায় ৪০০ কিলোমিটার দূরে পেনাংয়ে বাংলাদেশের অগ্রণী ব্যাংক মানি ট্রান্সফার অফিসে ই-পাসপোর্টের আবেদন গ্রহণ, বায়ো-এনরোলমেন্ট সম্পন্নকরণ ও মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট (এমআরপি) প্রদানের পাশাপাশি পাসপোর্টসংক্রান্ত বিভিন্ন কনস্যুলার সেবা প্রদান করা হয়।
২, ৩ ও ৪ নভেম্বর (শনি, রোববার ও সোমবার) এই সেবা প্রদান করা হয়।
বৈধপথে প্রবাসী আয় প্রেরণ ও সর্বজনীন পেনশন সংক্রান্ত প্রচারণা সভায় প্রবাসী বাংলাদেশিদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন বাংলাদেশের হাইকমিশনার মো. শামীম আহসান।
তিনি প্রবাসীদের বেতন, থাকার জায়গাসহ বিভিন্ন সুবিধা ও সমস্যা নিয়ে আলোচনা করেন।
তিনি প্রবাসীদের ব্যাংকের মাধ্যমে রেমিট্যান্স পাঠানোর গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, বৈধপথে টাকা পাঠানো হলে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে।
মো. শামীম আহসান সর্বজনীন পেনশন স্কিমে অন্তর্ভুক্তির আহ্বান জানিয়ে বলেন, সর্বজনীন পেনশন স্কিম বাংলাদেশের সব নাগরিকের টেকসই ভবিষ্যৎ আর্থিক ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চালু করা হয়েছে।
তিনি সবাইকে ওয়েজ আর্নারস ওয়েল ফেয়ার বোর্ডের সদস্য হওয়ার আহ্বান জানান।
মতবিনিময়কালে মো. শামীম আহসান প্রবাসীদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন।
এ সময় হাইকমিশনের পক্ষ থেকে প্রবাসীদের মাঝে বৈধপথে রেমিট্যান্স প্রেরণ, সর্বজনীন পেনশন স্কিম এবং ওয়েজ আর্নার্স ওয়েল ফেয়ার বোর্ডের সদস্য হওয়া সংক্রান্ত লিফলেট বিতরণ করা হয়।
হাইকমিশনারের সঙ্গে নিজেদের সুবিধা-অসুবিধা নিয়ে সরাসরি কথা বলতে পেরে প্রবাসী বাংলাদেশিরা সন্তোষ প্রকাশ করেন।
মতবিনিময় সভায় কাউন্সেলর (শ্রম) সৈয়দ শরিফুল ইসলাম, কাউন্সেলর (পাসপোর্ট ও ভিসা) মিয়া মোহাম্মাদ কেয়ামউদ্দিন, প্রথম সচিব (প্রেস) সুফি আব্দুল্লাহিল মারুফ, মালয়েশিয়ার অগ্রণী রেমিট্যান্স হাউসের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সুলতান আহমেদ এবং সরকার অনুমোদিত পাসপোর্ট, ভিসা ও অন্য সেবাসংক্রান্ত আউটসোর্সিং কোম্পানি ইএসকেএলের ডিরেক্টর আরমান পারভেজ মুরাদ (জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত অভিনেতা), হাইকমিশনের অন্য কর্মকর্তারা এবং বিপুল সংখ্যক প্রবাসী সেবাপ্রার্থী উপস্থিত ছিলেন। বিজ্ঞপ্তি

মালয়েশিয়ার বাংলাদেশ হাইকমিশনের উদ্যোগে দেশটির পেনাং প্রদেশে প্রবাসী বাংলাদেশিদের তিন দিনব্যাপী কনস্যুলার সেবা প্রদান করা হয়েছে। কনস্যুলার সেবা প্রদানকালে বৈধ পথে দেশে রেমিট্যান্স বাড়াতে প্রচারণা সভাও অনুষ্ঠিত হয়েছে।
দেশটির রাজধানী কুয়ালালামপুর থেকে প্রায় ৪০০ কিলোমিটার দূরে পেনাংয়ে বাংলাদেশের অগ্রণী ব্যাংক মানি ট্রান্সফার অফিসে ই-পাসপোর্টের আবেদন গ্রহণ, বায়ো-এনরোলমেন্ট সম্পন্নকরণ ও মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট (এমআরপি) প্রদানের পাশাপাশি পাসপোর্টসংক্রান্ত বিভিন্ন কনস্যুলার সেবা প্রদান করা হয়।
২, ৩ ও ৪ নভেম্বর (শনি, রোববার ও সোমবার) এই সেবা প্রদান করা হয়।
বৈধপথে প্রবাসী আয় প্রেরণ ও সর্বজনীন পেনশন সংক্রান্ত প্রচারণা সভায় প্রবাসী বাংলাদেশিদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন বাংলাদেশের হাইকমিশনার মো. শামীম আহসান।
তিনি প্রবাসীদের বেতন, থাকার জায়গাসহ বিভিন্ন সুবিধা ও সমস্যা নিয়ে আলোচনা করেন।
তিনি প্রবাসীদের ব্যাংকের মাধ্যমে রেমিট্যান্স পাঠানোর গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, বৈধপথে টাকা পাঠানো হলে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে।
মো. শামীম আহসান সর্বজনীন পেনশন স্কিমে অন্তর্ভুক্তির আহ্বান জানিয়ে বলেন, সর্বজনীন পেনশন স্কিম বাংলাদেশের সব নাগরিকের টেকসই ভবিষ্যৎ আর্থিক ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চালু করা হয়েছে।
তিনি সবাইকে ওয়েজ আর্নারস ওয়েল ফেয়ার বোর্ডের সদস্য হওয়ার আহ্বান জানান।
মতবিনিময়কালে মো. শামীম আহসান প্রবাসীদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন।
এ সময় হাইকমিশনের পক্ষ থেকে প্রবাসীদের মাঝে বৈধপথে রেমিট্যান্স প্রেরণ, সর্বজনীন পেনশন স্কিম এবং ওয়েজ আর্নার্স ওয়েল ফেয়ার বোর্ডের সদস্য হওয়া সংক্রান্ত লিফলেট বিতরণ করা হয়।
হাইকমিশনারের সঙ্গে নিজেদের সুবিধা-অসুবিধা নিয়ে সরাসরি কথা বলতে পেরে প্রবাসী বাংলাদেশিরা সন্তোষ প্রকাশ করেন।
মতবিনিময় সভায় কাউন্সেলর (শ্রম) সৈয়দ শরিফুল ইসলাম, কাউন্সেলর (পাসপোর্ট ও ভিসা) মিয়া মোহাম্মাদ কেয়ামউদ্দিন, প্রথম সচিব (প্রেস) সুফি আব্দুল্লাহিল মারুফ, মালয়েশিয়ার অগ্রণী রেমিট্যান্স হাউসের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সুলতান আহমেদ এবং সরকার অনুমোদিত পাসপোর্ট, ভিসা ও অন্য সেবাসংক্রান্ত আউটসোর্সিং কোম্পানি ইএসকেএলের ডিরেক্টর আরমান পারভেজ মুরাদ (জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত অভিনেতা), হাইকমিশনের অন্য কর্মকর্তারা এবং বিপুল সংখ্যক প্রবাসী সেবাপ্রার্থী উপস্থিত ছিলেন। বিজ্ঞপ্তি
অনুষ্ঠানে মোহাম্মদ আবুল বশর তার বক্তব্যে দেশের অর্থনীতি শক্তিশালী এবং রেমিট্যান্স প্রবাহ আরও গতিশীল করতে বর্তমান প্রণোদনা ২ দশমিক ৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৫ শতাংশ করার জন্য বাংলাদেশ সরকারের প্রতি দাবি জানান।
পরিচয়পত্র পেশের পর প্রেসিডেন্ট পারমেলিন ও রাষ্ট্রদূত সোবহানের মধ্যে এক সৌহার্দ্যপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। প্রেসিডেন্ট দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার ৫০ বছরেরও বেশি সময় অতিক্রান্ত হওয়ার কথা স্মরণ করে আশা প্রকাশ করেন, আগামী দিনগুলোতে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে।
হাসান বিন মাহমুদুল্লাহ। আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, পরিপূর্ণ হালাল খাবারের মুখরোচক আইটেম বাংলাদেশিদের চাহিদা মেটাতে সক্ষম হবে। এটি একটা ভালো উদ্যোগ বিশেষ করে মুসলিমদের জন্য।
চুক্তির আওতায় দুই প্রতিষ্ঠান জাতিসংঘ ঘোষিত টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বিভিন্ন কার্যক্রম যৌথভাবে বাস্তবায়ন এবং নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের অভিজ্ঞতা ও সক্ষমতা কাজে লাগিয়ে যুব উন্নয়নে কাজ করবে।