
মাহবুব সরকার, আবুধাবি থেকে

সংযুক্ত আরব আমিরাতের আবুধাবিতে বাংলাদেশ ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ওয়েলফেয়ার সোসাইটি আবুধাবি শাখার বার্ষিক মিলনমেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রোববার (২৩ ফেব্রুয়ারি) আবুধাবির খালিজ আল আরব পার্কে আলোচনা সভা, কমিটি ঘোষণা, রাফেল ড্র, কুইজ ও ক্রীড়া প্রতিযোগিতা, মধ্যাহ্নভোজ ও পুরস্কার বিতরণীসহ দিনব্যাপী নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে এ মিলনমেলা অনুষ্ঠিত হয়।
আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি প্রকৌশলী মোহাম্মদ মিজানুর রহমান সোহেল। সঞ্চালনা করেন প্রকৌশলী সাইফুন নাহার জলি। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন আমিরাতে নবনিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ তারেক আহমেদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন রাষ্ট্রদূতের সহধর্মিণী, দূতাবাসের ডিসিএম শাহনাজ পারভীন রানু, সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি আশিষ বড়ুয়া ও সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর হোসাইন, দুবাই শাখার ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মহিউদ্দিন ইকবাল, আল আইন শাখার প্রধান উপদেষ্টা উত্তম কুমার হাওলাদার, কমিউনিটি ব্যক্তিত্ব প্রকৌশলী সালাহ উদ্দিন আহমেদ, ইনডেক্স এক্সচেঞ্জের সিইও আবদুস সালাম, আহলিয়া এক্সচেঞ্জের মার্কেটিং অফিসার শাহিনুরসহ বিশিষ্ট কমিউনিটি ব্যক্তিরা।
এ ছাড়া, সংগঠনের আবুধাবি শাখার সকল সদস্যসহ শুভাকাঙ্ক্ষী ও আমন্ত্রিত বহু অতিথি অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

আলোচনা সভায় স্বাগত ও সাংগঠনিক বক্তব্য রাখেন যথাক্রমে কামরুল ইসলাম, আবুল কাশেম তুহিন, মিফতাহ উদ্দিন, নুরুল আলম চৌধুরী, মোহাম্মদ সেকেন্দার, কাশেম তালুকদার, রাশেদুল হাসান তুহিন, আফজাল হোসেন, শহিদুল ইসলাম, মোহাম্মদ আলমগীর, দিদারুল ইসলাম আলমগীর, বোরহান উদ্দিন, মাইনুল ইসলাম প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে সাইফুন্নাহার জলিকে সভাপতি, আবুল কাশেম তুহিনকে সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং খন্দকার আমিনুল ইসলামকে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত করে ৩১ সদস্য বিশিষ্ট দুই বছর (২০২৫-২০২৭) মেয়াদি সংগঠনের নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়।
অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রদূত প্রবাসীদের দ্বিধা–দ্বন্দ্ব ও মত–অমতের উর্ধ্বে এসে ঐক্যবদ্ধ হয়ে সবাইকে একই মঞ্চ থেকে দেশের কল্যাণে কাজ করার অনুরোধ করেন।
তিনি আরও বলেন, আমাদের মধ্যে মতের ভিন্নতা থাকলেও দিনশেষে আমরা সবাই বাংলাদেশি, সবাই বাংলাদেশি পতাকা বহন করি, সবাই আমরা দেশের ভালো চাই, এখন আমাদের জাতীয় ঐক্যের সময়, ঐক্য ছাড়া আমাদের জাতীয় উন্নয়ন সম্ভব না।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের আবুধাবিতে বাংলাদেশ ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ওয়েলফেয়ার সোসাইটি আবুধাবি শাখার বার্ষিক মিলনমেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রোববার (২৩ ফেব্রুয়ারি) আবুধাবির খালিজ আল আরব পার্কে আলোচনা সভা, কমিটি ঘোষণা, রাফেল ড্র, কুইজ ও ক্রীড়া প্রতিযোগিতা, মধ্যাহ্নভোজ ও পুরস্কার বিতরণীসহ দিনব্যাপী নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে এ মিলনমেলা অনুষ্ঠিত হয়।
আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি প্রকৌশলী মোহাম্মদ মিজানুর রহমান সোহেল। সঞ্চালনা করেন প্রকৌশলী সাইফুন নাহার জলি। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন আমিরাতে নবনিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ তারেক আহমেদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন রাষ্ট্রদূতের সহধর্মিণী, দূতাবাসের ডিসিএম শাহনাজ পারভীন রানু, সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি আশিষ বড়ুয়া ও সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর হোসাইন, দুবাই শাখার ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মহিউদ্দিন ইকবাল, আল আইন শাখার প্রধান উপদেষ্টা উত্তম কুমার হাওলাদার, কমিউনিটি ব্যক্তিত্ব প্রকৌশলী সালাহ উদ্দিন আহমেদ, ইনডেক্স এক্সচেঞ্জের সিইও আবদুস সালাম, আহলিয়া এক্সচেঞ্জের মার্কেটিং অফিসার শাহিনুরসহ বিশিষ্ট কমিউনিটি ব্যক্তিরা।
এ ছাড়া, সংগঠনের আবুধাবি শাখার সকল সদস্যসহ শুভাকাঙ্ক্ষী ও আমন্ত্রিত বহু অতিথি অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

আলোচনা সভায় স্বাগত ও সাংগঠনিক বক্তব্য রাখেন যথাক্রমে কামরুল ইসলাম, আবুল কাশেম তুহিন, মিফতাহ উদ্দিন, নুরুল আলম চৌধুরী, মোহাম্মদ সেকেন্দার, কাশেম তালুকদার, রাশেদুল হাসান তুহিন, আফজাল হোসেন, শহিদুল ইসলাম, মোহাম্মদ আলমগীর, দিদারুল ইসলাম আলমগীর, বোরহান উদ্দিন, মাইনুল ইসলাম প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে সাইফুন্নাহার জলিকে সভাপতি, আবুল কাশেম তুহিনকে সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং খন্দকার আমিনুল ইসলামকে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত করে ৩১ সদস্য বিশিষ্ট দুই বছর (২০২৫-২০২৭) মেয়াদি সংগঠনের নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়।
অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রদূত প্রবাসীদের দ্বিধা–দ্বন্দ্ব ও মত–অমতের উর্ধ্বে এসে ঐক্যবদ্ধ হয়ে সবাইকে একই মঞ্চ থেকে দেশের কল্যাণে কাজ করার অনুরোধ করেন।
তিনি আরও বলেন, আমাদের মধ্যে মতের ভিন্নতা থাকলেও দিনশেষে আমরা সবাই বাংলাদেশি, সবাই বাংলাদেশি পতাকা বহন করি, সবাই আমরা দেশের ভালো চাই, এখন আমাদের জাতীয় ঐক্যের সময়, ঐক্য ছাড়া আমাদের জাতীয় উন্নয়ন সম্ভব না।
অনুষ্ঠানে মোহাম্মদ আবুল বশর তার বক্তব্যে দেশের অর্থনীতি শক্তিশালী এবং রেমিট্যান্স প্রবাহ আরও গতিশীল করতে বর্তমান প্রণোদনা ২ দশমিক ৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৫ শতাংশ করার জন্য বাংলাদেশ সরকারের প্রতি দাবি জানান।
পরিচয়পত্র পেশের পর প্রেসিডেন্ট পারমেলিন ও রাষ্ট্রদূত সোবহানের মধ্যে এক সৌহার্দ্যপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। প্রেসিডেন্ট দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার ৫০ বছরেরও বেশি সময় অতিক্রান্ত হওয়ার কথা স্মরণ করে আশা প্রকাশ করেন, আগামী দিনগুলোতে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে।
হাসান বিন মাহমুদুল্লাহ। আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, পরিপূর্ণ হালাল খাবারের মুখরোচক আইটেম বাংলাদেশিদের চাহিদা মেটাতে সক্ষম হবে। এটি একটা ভালো উদ্যোগ বিশেষ করে মুসলিমদের জন্য।
চুক্তির আওতায় দুই প্রতিষ্ঠান জাতিসংঘ ঘোষিত টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বিভিন্ন কার্যক্রম যৌথভাবে বাস্তবায়ন এবং নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের অভিজ্ঞতা ও সক্ষমতা কাজে লাগিয়ে যুব উন্নয়নে কাজ করবে।