
বিডিজেন ডেস্ক

সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে নবনিযুক্ত বাংলাদেশের কনসাল জেনারেল মুহাম্মদ রাশেদুজ্জামানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন আজমানের বাংলাদেশ সমিতির নেতারা।
মঙ্গলবার (১২ নভেম্বর) দুবাইয়ের বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেলের কার্যালয়ে তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন তারা।
সমিতির নেতারা কনসাল জেনারেলের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়ের পাশাপাশি সমিতির বিগত দিনের নানা কর্মকাণ্ড তার কাছে তুলে ধরেন।
কনসাল জেনারেল মুহাম্মদ রাশেদুজ্জামান আমিরাত সরকার অনুমোদিত সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলোকে মানদণ্ডের ভিত্তিতে পরিচালনার আহ্বান জানান।
তিনি বলেন, সংগঠনগুলো নিজস্ব গঠনতন্ত্র মোতাবেক ও মানদণ্ড রেখে কাজ করলে সাধারণ প্রবাসীদের জন্য সেগুলো সুফল বয়ে আনবে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন কনস্যুলেটের (শ্রম সচিব) আব্দুল সালাম, প্রথম সচিব (পাসপোর্ট) মোহাম্মদ কাজী ফয়সাল, সচিব ও দূতালয় প্রধান মুহাম্মদ আশফাক হোসেইন।
আজমানের বাংলাদেশ সমিতির পক্ষে ছিলেন সভাপতি আব্দুল আলিম সিআইপি, সাধারণ সম্পাদক সিকদার মো. শাফায়েত উল্লাহ, প্রধান উপদেষ্টা আব্দুল কুদ্দুস, সিনিয়র সহসভাপতি মো. সেলিম উদ্দিন চৌধুরী, সহসভাপতি হাসান জাকির, সহসভাপতি এইচ এম কামরুজ্জামান সিআইপি, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মহিউদ্দিন মাহিম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মকবুল হোসেন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক মো. বারেকুজ্জামান, সাংস্কৃতিকবিষয়ক সম্পাদক শাফালী আক্তার আঁখি, অর্থ সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর আলম, মিডিয়া সেক্রেটারি মাহাবুব হাসান হৃদয় এবং সাধারণ সদস্য জাবেদ হোসেন, মিজান সৈয়দ ও মো. বুলবুল আহমেদ মকুল।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে নবনিযুক্ত বাংলাদেশের কনসাল জেনারেল মুহাম্মদ রাশেদুজ্জামানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন আজমানের বাংলাদেশ সমিতির নেতারা।
মঙ্গলবার (১২ নভেম্বর) দুবাইয়ের বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেলের কার্যালয়ে তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন তারা।
সমিতির নেতারা কনসাল জেনারেলের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়ের পাশাপাশি সমিতির বিগত দিনের নানা কর্মকাণ্ড তার কাছে তুলে ধরেন।
কনসাল জেনারেল মুহাম্মদ রাশেদুজ্জামান আমিরাত সরকার অনুমোদিত সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলোকে মানদণ্ডের ভিত্তিতে পরিচালনার আহ্বান জানান।
তিনি বলেন, সংগঠনগুলো নিজস্ব গঠনতন্ত্র মোতাবেক ও মানদণ্ড রেখে কাজ করলে সাধারণ প্রবাসীদের জন্য সেগুলো সুফল বয়ে আনবে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন কনস্যুলেটের (শ্রম সচিব) আব্দুল সালাম, প্রথম সচিব (পাসপোর্ট) মোহাম্মদ কাজী ফয়সাল, সচিব ও দূতালয় প্রধান মুহাম্মদ আশফাক হোসেইন।
আজমানের বাংলাদেশ সমিতির পক্ষে ছিলেন সভাপতি আব্দুল আলিম সিআইপি, সাধারণ সম্পাদক সিকদার মো. শাফায়েত উল্লাহ, প্রধান উপদেষ্টা আব্দুল কুদ্দুস, সিনিয়র সহসভাপতি মো. সেলিম উদ্দিন চৌধুরী, সহসভাপতি হাসান জাকির, সহসভাপতি এইচ এম কামরুজ্জামান সিআইপি, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মহিউদ্দিন মাহিম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মকবুল হোসেন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক মো. বারেকুজ্জামান, সাংস্কৃতিকবিষয়ক সম্পাদক শাফালী আক্তার আঁখি, অর্থ সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর আলম, মিডিয়া সেক্রেটারি মাহাবুব হাসান হৃদয় এবং সাধারণ সদস্য জাবেদ হোসেন, মিজান সৈয়দ ও মো. বুলবুল আহমেদ মকুল।
উদ্যোক্তা হেলাল উদ্দিন বলেন, "কুয়ালালামপুরের এই হাংতুয়া এলাকায় কয়েক হাজার বাংলাদেশি বসবাস করেন। প্রবাসীদের দেশি খাবারের আসল স্বাদ দেওয়ার জন্য আমরা মেজবান রেস্টুরেন্ট করেছি। যেহেতু এখানে বসবাসরত বাংলাদেশির মধ্যে অর্ধেকের বেশি চট্টগ্রামের মানুষ। তাই আমরা চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী নানা খাবারও পরিবেশন করব।
বিগত বছরগুলোর মতো এবারও বার্লিনের বেঙ্গলিশে কুলটর ফোরামের উদ্যোগে এ উৎসবে শরিক হয়েছিলেন জার্মানপ্রবাসী বাংলাদেশিরা। নারীরা লাল শাড়ি, কপালে টিপ, খোঁপায় রঙিন ফুল ও দেশীয় অলংকার পরে উৎসবে অংশ নেন। পুরুষেরা পরেন লুঙ্গি, ফতুয়া। মাথায় বাঁধেন গামছা।
সভায় বক্তারা ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন ও দেশের অবদানের কথা স্মরণ করেন। বিশেষ করে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে তার বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা, চট্টগ্রামের অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং মিরসরাইয়ে দেশের বৃহত্তম অর্থনৈতিক অঞ্চল (ইকোনমিক জোন) প্রতিষ্ঠায় তার দূরদর্শী নেতৃত্বের কথা তুলে ধরেন।
দূতাবাস বলছে, চলমান আঞ্চলিক পরিস্থিতি, বিশেষ করে হরমুজ প্রণালী দীর্ঘকাল বন্ধ থাকায় এবং এর ফলে কুয়েতের সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর সৃষ্ট চাপ মোকাবিলায় এই সহায়তা কুয়েতের কৌশলগত খাদ্য মজুত শক্তিশালীকরণ এবং জরুরি প্রয়োজন পূরণে সহায়ক হবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

উদ্যোক্তা হেলাল উদ্দিন বলেন, "কুয়ালালামপুরের এই হাংতুয়া এলাকায় কয়েক হাজার বাংলাদেশি বসবাস করেন। প্রবাসীদের দেশি খাবারের আসল স্বাদ দেওয়ার জন্য আমরা মেজবান রেস্টুরেন্ট করেছি। যেহেতু এখানে বসবাসরত বাংলাদেশির মধ্যে অর্ধেকের বেশি চট্টগ্রামের মানুষ। তাই আমরা চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী নানা খাবারও পরিবেশন করব।
৪ দিন আগে
সভায় বক্তারা ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন ও দেশের অবদানের কথা স্মরণ করেন। বিশেষ করে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে তার বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা, চট্টগ্রামের অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং মিরসরাইয়ে দেশের বৃহত্তম অর্থনৈতিক অঞ্চল (ইকোনমিক জোন) প্রতিষ্ঠায় তার দূরদর্শী নেতৃত্বের কথা তুলে ধরেন।
৫ দিন আগে