
রফিক আহমদ খান, মালয়েশিয়া

মালয়েশিয়ায় প্রবাসী বাংলাদেশিদের নিয়ে বিডি এক্সপ্যাটস ক্রিকেট টুর্নামেন্ট শুরু হয়েছে।
রোববার (৩০ আগস্ট) সকাল ১০টায় কুয়ালালামপুরের অদূরে ইউকেএম ক্রিকেট ওভালে টুর্নামেন্ট উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক মুমিনুল হক।
উদ্বোধনী বক্তব্য মুমিনুল হক বলেন, 'প্রবাসীরা রেমিট্যান্স পাঠিয়ে আমাদের দেশের অর্থনীতি সমৃদ্ধ করেন। প্রবাসে ব্যস্ততার মাঝে এ ধরনের টুর্নামেন্ট আয়োজন সত্যিই প্রশংসনীয়। এর মাধ্যমে এক মিলনমেলা হয়ে গেল। কর্মব্যস্ত প্রবাসীরা মানসিক প্রশান্তি ও বিনোদন পাওয়ার সুযোগ হয়েছে। এ রকম টুর্নামেন্ট কয়েক মাস পর পর আয়োজন করলে ভালো হয়। আমি এই টুর্নামেন্ট আয়োজকদের ধন্যবাদ জানাই।'

এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন টুর্নামেন্ট আয়োজক সংস্থা বিডি স্পোর্টস ম্যানেজমেন্ট সার্ভিসের সভাপতি মো. সাইফুদ্দিন, সহ সভাপতি মো. রাফিজ রহমান রাসেল, আবদুল মোবিন ভুঁইয়া ও সোহাগ আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক আলী আজগর মিলন, টুর্নামেন্ট পরিচালক মো. হাফিজুর রহমান, প্রযুক্তি পরিচালক জুবায়ের রহমান, ইকবাল হোসেন ও শাহজাহান আলম।
প্রবাসী বাংলাদেশিদের নিয়ে গঠিত মোট ১৬টি দল টুর্নামেন্টে অংশ নিচ্ছে। মালয়েশিয়া ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন স্বীকৃত ৪টি মাঠে একযোগে টুর্নামেন্টের ম্যাচগুলো অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

ইউকেএম ক্রিকেট ওভালে উদ্বোধনী ম্যাচে খেলা হয় পেনাং গ্লাডিয়েটর বনাম বিডিসিসি দলের। ১২ ওভারের খেলায় প্রথম ব্যাট করতে নেমে পেনাং গ্লাডিয়েটর ৫ উইকেটে ২২৯ রান তোলে। পেনাং গ্লাডিয়েটর তাহসিন ২৯ বলে ৯২ রান, পরান ১১ বলে ৫২ রান ও শাকিল ১৪ বলে ৫১ রান করেন। বিডিসিসি দল ৮ উইকেটে ১২০ রানে করে। ১০৯ রানে জয়ী হয় পেনাং গ্লাডিয়েটর। ম্যান অব দ্য ম্যাচ হন পেনাং গ্লাডিয়েটরের তাহসিন।
কাজাং হাইস্কুল মাঠে অন্য আরেকটি ম্যাচে পুডু এফসির বিপক্ষে বিএফসিসি দল ৪ রানে জয়ী হয়। ম্যান অব দ্যা ম্যাচ বিএফসিসি দলের মোহাম্মদ আমির। তিনি দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৭৮ রান করেন।

মালয়েশিয়ায় প্রবাসী বাংলাদেশিদের নিয়ে বিডি এক্সপ্যাটস ক্রিকেট টুর্নামেন্ট শুরু হয়েছে।
রোববার (৩০ আগস্ট) সকাল ১০টায় কুয়ালালামপুরের অদূরে ইউকেএম ক্রিকেট ওভালে টুর্নামেন্ট উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক মুমিনুল হক।
উদ্বোধনী বক্তব্য মুমিনুল হক বলেন, 'প্রবাসীরা রেমিট্যান্স পাঠিয়ে আমাদের দেশের অর্থনীতি সমৃদ্ধ করেন। প্রবাসে ব্যস্ততার মাঝে এ ধরনের টুর্নামেন্ট আয়োজন সত্যিই প্রশংসনীয়। এর মাধ্যমে এক মিলনমেলা হয়ে গেল। কর্মব্যস্ত প্রবাসীরা মানসিক প্রশান্তি ও বিনোদন পাওয়ার সুযোগ হয়েছে। এ রকম টুর্নামেন্ট কয়েক মাস পর পর আয়োজন করলে ভালো হয়। আমি এই টুর্নামেন্ট আয়োজকদের ধন্যবাদ জানাই।'

এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন টুর্নামেন্ট আয়োজক সংস্থা বিডি স্পোর্টস ম্যানেজমেন্ট সার্ভিসের সভাপতি মো. সাইফুদ্দিন, সহ সভাপতি মো. রাফিজ রহমান রাসেল, আবদুল মোবিন ভুঁইয়া ও সোহাগ আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক আলী আজগর মিলন, টুর্নামেন্ট পরিচালক মো. হাফিজুর রহমান, প্রযুক্তি পরিচালক জুবায়ের রহমান, ইকবাল হোসেন ও শাহজাহান আলম।
প্রবাসী বাংলাদেশিদের নিয়ে গঠিত মোট ১৬টি দল টুর্নামেন্টে অংশ নিচ্ছে। মালয়েশিয়া ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন স্বীকৃত ৪টি মাঠে একযোগে টুর্নামেন্টের ম্যাচগুলো অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

ইউকেএম ক্রিকেট ওভালে উদ্বোধনী ম্যাচে খেলা হয় পেনাং গ্লাডিয়েটর বনাম বিডিসিসি দলের। ১২ ওভারের খেলায় প্রথম ব্যাট করতে নেমে পেনাং গ্লাডিয়েটর ৫ উইকেটে ২২৯ রান তোলে। পেনাং গ্লাডিয়েটর তাহসিন ২৯ বলে ৯২ রান, পরান ১১ বলে ৫২ রান ও শাকিল ১৪ বলে ৫১ রান করেন। বিডিসিসি দল ৮ উইকেটে ১২০ রানে করে। ১০৯ রানে জয়ী হয় পেনাং গ্লাডিয়েটর। ম্যান অব দ্য ম্যাচ হন পেনাং গ্লাডিয়েটরের তাহসিন।
কাজাং হাইস্কুল মাঠে অন্য আরেকটি ম্যাচে পুডু এফসির বিপক্ষে বিএফসিসি দল ৪ রানে জয়ী হয়। ম্যান অব দ্যা ম্যাচ বিএফসিসি দলের মোহাম্মদ আমির। তিনি দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৭৮ রান করেন।
উদ্যোক্তা হেলাল উদ্দিন বলেন, "কুয়ালালামপুরের এই হাংতুয়া এলাকায় কয়েক হাজার বাংলাদেশি বসবাস করেন। প্রবাসীদের দেশি খাবারের আসল স্বাদ দেওয়ার জন্য আমরা মেজবান রেস্টুরেন্ট করেছি। যেহেতু এখানে বসবাসরত বাংলাদেশির মধ্যে অর্ধেকের বেশি চট্টগ্রামের মানুষ। তাই আমরা চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী নানা খাবারও পরিবেশন করব।
বিগত বছরগুলোর মতো এবারও বার্লিনের বেঙ্গলিশে কুলটর ফোরামের উদ্যোগে এ উৎসবে শরিক হয়েছিলেন জার্মানপ্রবাসী বাংলাদেশিরা। নারীরা লাল শাড়ি, কপালে টিপ, খোঁপায় রঙিন ফুল ও দেশীয় অলংকার পরে উৎসবে অংশ নেন। পুরুষেরা পরেন লুঙ্গি, ফতুয়া। মাথায় বাঁধেন গামছা।
সভায় বক্তারা ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন ও দেশের অবদানের কথা স্মরণ করেন। বিশেষ করে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে তার বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা, চট্টগ্রামের অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং মিরসরাইয়ে দেশের বৃহত্তম অর্থনৈতিক অঞ্চল (ইকোনমিক জোন) প্রতিষ্ঠায় তার দূরদর্শী নেতৃত্বের কথা তুলে ধরেন।
দূতাবাস বলছে, চলমান আঞ্চলিক পরিস্থিতি, বিশেষ করে হরমুজ প্রণালী দীর্ঘকাল বন্ধ থাকায় এবং এর ফলে কুয়েতের সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর সৃষ্ট চাপ মোকাবিলায় এই সহায়তা কুয়েতের কৌশলগত খাদ্য মজুত শক্তিশালীকরণ এবং জরুরি প্রয়োজন পূরণে সহায়ক হবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

উদ্যোক্তা হেলাল উদ্দিন বলেন, "কুয়ালালামপুরের এই হাংতুয়া এলাকায় কয়েক হাজার বাংলাদেশি বসবাস করেন। প্রবাসীদের দেশি খাবারের আসল স্বাদ দেওয়ার জন্য আমরা মেজবান রেস্টুরেন্ট করেছি। যেহেতু এখানে বসবাসরত বাংলাদেশির মধ্যে অর্ধেকের বেশি চট্টগ্রামের মানুষ। তাই আমরা চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী নানা খাবারও পরিবেশন করব।
৪ দিন আগে
সভায় বক্তারা ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন ও দেশের অবদানের কথা স্মরণ করেন। বিশেষ করে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে তার বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা, চট্টগ্রামের অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং মিরসরাইয়ে দেশের বৃহত্তম অর্থনৈতিক অঞ্চল (ইকোনমিক জোন) প্রতিষ্ঠায় তার দূরদর্শী নেতৃত্বের কথা তুলে ধরেন।
৫ দিন আগে