
মাহবুব সরকার, আবুধাবি থেকে

সংযুক্ত আরব আমিরাতে বাংলাদেশি মৌসুমি ফলের বাজার প্রসার এবং প্রবাসে সুলভে দেশীয় ফল ক্রয়ের সুযোগ সৃষ্টি করতে দুবাইয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘ফল উৎসব ২০২৫’ (ফ্রুট ফ্যাস্টিভ্যাল ২০২৫)। এর আয়োজন করে আবির বিজনেস অ্যাসোসিয়েশন।
উৎসবে ছিল বাংলাদেশি আম, কাঁঠাল, লিচু, পেয়ারা, জাম্বুরা, কলা, পেঁপে, তরমুজ, আনারস, আমড়া ও জলপাইসহ ৫০টিরও বেশি দেশি ফল।
অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক ও ফল উৎসব আয়োজক কমিটির আহবায়ক আলহাজ্ব মোহাম্মদ ইয়াকুব সৈনিকের তত্ত্বাবধানে আয়োজিত ফল উৎসবে অন্য আয়োজনের মধ্যে ছিল আলোচনা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা ও পুরুষ্কার বিতরণ।
গত ২০ জুলাই (রোববার) দুবাইয়ের একটি ইনডোর স্টেডিয়ামে এই উৎসব অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন দুবাইয়ের বাংলাদেশ কনস্যুলেটের কমার্শিয়াল কাউন্সেলর আশীষ কুমার সরকার। সাংবাদিক কামরুল হাসান জনি ও তন্বী সাবরিনের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন জনতা ব্যাংক ইউএই'র সিইও মোহাম্মদ কামরুজ্জামান, কমিউনিটি নেতা ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ সালাউদ্দিন, বাংলাদেশ বিজনেস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি জুলফিকার ওসমান।
উল্লেখযোগ্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কমিউনিটি নেতা আলহাজ্ব শরাফাত উল্লাহ, এনাম চৌধুরী, আজিম উদ্দিন, সিরাজ নওয়াব, মুছা আল মামুন, আজমান বাংলাদেশ সমিতির সভাপতি আব্দুল কুদ্দুস, শারজাহ বাংলাদেশ সমিতির সিনিয়র সহসভাপতি শাহাদাত হোসেন, উম্ম আল কোয়াইন সামাজিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের সভাপতি মুজিবুর রহমান, আক্তার হোসেন সিআইপি, মোহাম্মদ বদরুল সিআইপি ও সংগঠক আবুল কালাম।
অ্যাসোসিয়েশন সদস্য ও ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সেলিম রেজা, নজরুল ইসলাম, রাশহেদুর রহমান চৌধুরী, মজিবুল রহমান মঞ্জু, মোহাম্মদ শহিদুল্লাহ ও বোরহান চৌধুরী প্রমুখ।

ফল উৎসবে ২৫ জন সাংবাদিক ও ৮ জন শিল্পীকে বিশেষ সম্মাননা প্রদান করা হয়।
প্রধান অতিথি আশীষ কুমার সরকার বলেন, বিদেশে মৌসুমি ফল উৎসবের ধারাবাহিকতা রাখা গেলে ভিনদেশিদের কাছে দেশীয় ফলের পরিচিতি আরও বৃদ্ধি পাবে। তিনি ভবিষ্যতে বাংলাদেশ মিশন ও প্রবাসী ব্যবসায়ীদের সহযোগিতায় এ ধরনের আরও আয়োজনের কথা বলেন।
আলহাজ ইয়াকুব সৈনিক জানান, প্রবাস প্রজন্মের কাছে দেশীয় ফলের পরিচিতি বৃদ্ধির লক্ষ্যে তাদের এই আয়োজন। প্রায় ৫০ রকম ফলের প্রদর্শনী, দেশীয় ফলের ওপর শিশু-কিশোরদের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা, নারীদের ফলের ঝুড়ি সাজানো ও অলঙ্করণ ছিল উৎসবের বিশেষ আকর্ষণ।
উৎসবে আগতরা আগামীতে এই আয়োজনের পরিসর বৃদ্ধি করে বড় পরিসরে মেলা আয়োজনের আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

সংযুক্ত আরব আমিরাতে বাংলাদেশি মৌসুমি ফলের বাজার প্রসার এবং প্রবাসে সুলভে দেশীয় ফল ক্রয়ের সুযোগ সৃষ্টি করতে দুবাইয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘ফল উৎসব ২০২৫’ (ফ্রুট ফ্যাস্টিভ্যাল ২০২৫)। এর আয়োজন করে আবির বিজনেস অ্যাসোসিয়েশন।
উৎসবে ছিল বাংলাদেশি আম, কাঁঠাল, লিচু, পেয়ারা, জাম্বুরা, কলা, পেঁপে, তরমুজ, আনারস, আমড়া ও জলপাইসহ ৫০টিরও বেশি দেশি ফল।
অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক ও ফল উৎসব আয়োজক কমিটির আহবায়ক আলহাজ্ব মোহাম্মদ ইয়াকুব সৈনিকের তত্ত্বাবধানে আয়োজিত ফল উৎসবে অন্য আয়োজনের মধ্যে ছিল আলোচনা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা ও পুরুষ্কার বিতরণ।
গত ২০ জুলাই (রোববার) দুবাইয়ের একটি ইনডোর স্টেডিয়ামে এই উৎসব অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন দুবাইয়ের বাংলাদেশ কনস্যুলেটের কমার্শিয়াল কাউন্সেলর আশীষ কুমার সরকার। সাংবাদিক কামরুল হাসান জনি ও তন্বী সাবরিনের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন জনতা ব্যাংক ইউএই'র সিইও মোহাম্মদ কামরুজ্জামান, কমিউনিটি নেতা ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ সালাউদ্দিন, বাংলাদেশ বিজনেস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি জুলফিকার ওসমান।
উল্লেখযোগ্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কমিউনিটি নেতা আলহাজ্ব শরাফাত উল্লাহ, এনাম চৌধুরী, আজিম উদ্দিন, সিরাজ নওয়াব, মুছা আল মামুন, আজমান বাংলাদেশ সমিতির সভাপতি আব্দুল কুদ্দুস, শারজাহ বাংলাদেশ সমিতির সিনিয়র সহসভাপতি শাহাদাত হোসেন, উম্ম আল কোয়াইন সামাজিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের সভাপতি মুজিবুর রহমান, আক্তার হোসেন সিআইপি, মোহাম্মদ বদরুল সিআইপি ও সংগঠক আবুল কালাম।
অ্যাসোসিয়েশন সদস্য ও ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সেলিম রেজা, নজরুল ইসলাম, রাশহেদুর রহমান চৌধুরী, মজিবুল রহমান মঞ্জু, মোহাম্মদ শহিদুল্লাহ ও বোরহান চৌধুরী প্রমুখ।

ফল উৎসবে ২৫ জন সাংবাদিক ও ৮ জন শিল্পীকে বিশেষ সম্মাননা প্রদান করা হয়।
প্রধান অতিথি আশীষ কুমার সরকার বলেন, বিদেশে মৌসুমি ফল উৎসবের ধারাবাহিকতা রাখা গেলে ভিনদেশিদের কাছে দেশীয় ফলের পরিচিতি আরও বৃদ্ধি পাবে। তিনি ভবিষ্যতে বাংলাদেশ মিশন ও প্রবাসী ব্যবসায়ীদের সহযোগিতায় এ ধরনের আরও আয়োজনের কথা বলেন।
আলহাজ ইয়াকুব সৈনিক জানান, প্রবাস প্রজন্মের কাছে দেশীয় ফলের পরিচিতি বৃদ্ধির লক্ষ্যে তাদের এই আয়োজন। প্রায় ৫০ রকম ফলের প্রদর্শনী, দেশীয় ফলের ওপর শিশু-কিশোরদের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা, নারীদের ফলের ঝুড়ি সাজানো ও অলঙ্করণ ছিল উৎসবের বিশেষ আকর্ষণ।
উৎসবে আগতরা আগামীতে এই আয়োজনের পরিসর বৃদ্ধি করে বড় পরিসরে মেলা আয়োজনের আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
অনুষ্ঠানে মোহাম্মদ আবুল বশর তার বক্তব্যে দেশের অর্থনীতি শক্তিশালী এবং রেমিট্যান্স প্রবাহ আরও গতিশীল করতে বর্তমান প্রণোদনা ২ দশমিক ৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৫ শতাংশ করার জন্য বাংলাদেশ সরকারের প্রতি দাবি জানান।
পরিচয়পত্র পেশের পর প্রেসিডেন্ট পারমেলিন ও রাষ্ট্রদূত সোবহানের মধ্যে এক সৌহার্দ্যপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। প্রেসিডেন্ট দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার ৫০ বছরেরও বেশি সময় অতিক্রান্ত হওয়ার কথা স্মরণ করে আশা প্রকাশ করেন, আগামী দিনগুলোতে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে।
হাসান বিন মাহমুদুল্লাহ। আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, পরিপূর্ণ হালাল খাবারের মুখরোচক আইটেম বাংলাদেশিদের চাহিদা মেটাতে সক্ষম হবে। এটি একটা ভালো উদ্যোগ বিশেষ করে মুসলিমদের জন্য।
চুক্তির আওতায় দুই প্রতিষ্ঠান জাতিসংঘ ঘোষিত টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বিভিন্ন কার্যক্রম যৌথভাবে বাস্তবায়ন এবং নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের অভিজ্ঞতা ও সক্ষমতা কাজে লাগিয়ে যুব উন্নয়নে কাজ করবে।