
বিডিজেন ডেস্ক

কাতারের রাজধানী দোহায় বর্ণাঢ্য আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়েছে তুর্কিনামা গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন। বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) স্থানীয় সময় সন্ধ্যায় দোহার প্লাজা ইন হোটেলের বলিউড হলরুমে এই অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে কাতারে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত হযরত আলী খান প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। তিনি বলেন, বইটিতে তুরস্কের নানা বর্ণনার পাশাপাশি যেসব তথ্য ও সচেতনতামূলক বিষয় লেখকের সরস লেখার মাধ্যমে চমৎকারভাবে উঠে এসেছে, তা বইটিকে সবার জন্য সুখপাঠ্য করে তুলেছে।
তিনি বইটির পাঠকপ্রিয়তা ও ব্যাপক সাফল্য কামনা করে বলেন, বাংলা ভ্রমণসাহিত্যে লেখক নুরুল কবিরের বইটি ভ্রমণকাহিনি এবং তথ্য ও জ্ঞানের পাশাপাশি এক আনন্দময় সমন্বয় হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে থাকবে।
লেখক নুরুল কবির চৌধুরী বলেন, তুর্কিনামা লেখায় তাকে বিশেষভাবে প্রভাবিত করেছেন তার বন্ধুরা। পরিচিত অনেক মানুষ ও শুভানুধ্যায়ীদের অনবরত প্রভাব বিস্তারের ফলে বইটি লিখতে তিনি সাহসী ও অনুপ্রাণিত হয়েছেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বই সম্পর্কে আরও আলোচনা করেন বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের কাতারের কান্ট্রি ম্যানেজার মো. কামাল উদ্দীন, বাংলাদেশি কমিউনিটির সিনিয়র ব্যক্তিত্ব আনোয়ার হোসেন আকন।
তারা বলেন, যে কেউ বইটি পড়লে তুরস্কের নানারকম অভিজ্ঞতা যেমন অর্জিত হবে, তেমনি লেখকের রসবোধ পাঠককে এক অন্যরকম অনুভূতি দেবে। তারা আশা করেন, আগামীতেও লেখক হিসেবে এই যাত্রা অব্যাহত রাখবেন নুরুল কবির চৌধুরী।
কাতারপ্রবাসী সাংবাদিক তামীম রায়হানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানের শুরুতে কোরআন তিলাওয়াত করেন ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশের কাতার প্রতিনিধি মো. শাহনেওয়াজ। পরে অতিথিদের নিয়ে বইটির মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় লেখক ও বই সম্পর্কে শুভেচ্ছা বক্তৃতায় আরও অংশ নেন অধ্যাপক এ কে এম আমিনুল হক, বাংলাদেশ এমএইচএম স্কুল অ্যান্ড কলেজের সাবেক প্রিন্সিপ্যাল জুলফিকার আজাদ, শিক্ষক তাফসির উদ্দীন, প্রকৌশলী কামরুল হাসান খসরু, কাতার এয়ারওয়েজের সিনিয়র পাইলট মিজানুর রহমান, জসিম উদ্দীন, নুর মোহাম্মদ, কবি আব্দুর রহমান প্রমুখ।
উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশি কমিউনিটির গণ্যমান্য অতিথিরা।
বইটির লেখক নুরুল কবির চৌধুরী কাতারপ্রবাসী এবং এরাবিয়ান এক্সচেঞ্জের সিইও। বিজ্ঞপ্তি

কাতারের রাজধানী দোহায় বর্ণাঢ্য আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়েছে তুর্কিনামা গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন। বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) স্থানীয় সময় সন্ধ্যায় দোহার প্লাজা ইন হোটেলের বলিউড হলরুমে এই অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে কাতারে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত হযরত আলী খান প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। তিনি বলেন, বইটিতে তুরস্কের নানা বর্ণনার পাশাপাশি যেসব তথ্য ও সচেতনতামূলক বিষয় লেখকের সরস লেখার মাধ্যমে চমৎকারভাবে উঠে এসেছে, তা বইটিকে সবার জন্য সুখপাঠ্য করে তুলেছে।
তিনি বইটির পাঠকপ্রিয়তা ও ব্যাপক সাফল্য কামনা করে বলেন, বাংলা ভ্রমণসাহিত্যে লেখক নুরুল কবিরের বইটি ভ্রমণকাহিনি এবং তথ্য ও জ্ঞানের পাশাপাশি এক আনন্দময় সমন্বয় হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে থাকবে।
লেখক নুরুল কবির চৌধুরী বলেন, তুর্কিনামা লেখায় তাকে বিশেষভাবে প্রভাবিত করেছেন তার বন্ধুরা। পরিচিত অনেক মানুষ ও শুভানুধ্যায়ীদের অনবরত প্রভাব বিস্তারের ফলে বইটি লিখতে তিনি সাহসী ও অনুপ্রাণিত হয়েছেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বই সম্পর্কে আরও আলোচনা করেন বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের কাতারের কান্ট্রি ম্যানেজার মো. কামাল উদ্দীন, বাংলাদেশি কমিউনিটির সিনিয়র ব্যক্তিত্ব আনোয়ার হোসেন আকন।
তারা বলেন, যে কেউ বইটি পড়লে তুরস্কের নানারকম অভিজ্ঞতা যেমন অর্জিত হবে, তেমনি লেখকের রসবোধ পাঠককে এক অন্যরকম অনুভূতি দেবে। তারা আশা করেন, আগামীতেও লেখক হিসেবে এই যাত্রা অব্যাহত রাখবেন নুরুল কবির চৌধুরী।
কাতারপ্রবাসী সাংবাদিক তামীম রায়হানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানের শুরুতে কোরআন তিলাওয়াত করেন ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশের কাতার প্রতিনিধি মো. শাহনেওয়াজ। পরে অতিথিদের নিয়ে বইটির মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় লেখক ও বই সম্পর্কে শুভেচ্ছা বক্তৃতায় আরও অংশ নেন অধ্যাপক এ কে এম আমিনুল হক, বাংলাদেশ এমএইচএম স্কুল অ্যান্ড কলেজের সাবেক প্রিন্সিপ্যাল জুলফিকার আজাদ, শিক্ষক তাফসির উদ্দীন, প্রকৌশলী কামরুল হাসান খসরু, কাতার এয়ারওয়েজের সিনিয়র পাইলট মিজানুর রহমান, জসিম উদ্দীন, নুর মোহাম্মদ, কবি আব্দুর রহমান প্রমুখ।
উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশি কমিউনিটির গণ্যমান্য অতিথিরা।
বইটির লেখক নুরুল কবির চৌধুরী কাতারপ্রবাসী এবং এরাবিয়ান এক্সচেঞ্জের সিইও। বিজ্ঞপ্তি
অনুষ্ঠানে মোহাম্মদ আবুল বশর তার বক্তব্যে দেশের অর্থনীতি শক্তিশালী এবং রেমিট্যান্স প্রবাহ আরও গতিশীল করতে বর্তমান প্রণোদনা ২ দশমিক ৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৫ শতাংশ করার জন্য বাংলাদেশ সরকারের প্রতি দাবি জানান।
পরিচয়পত্র পেশের পর প্রেসিডেন্ট পারমেলিন ও রাষ্ট্রদূত সোবহানের মধ্যে এক সৌহার্দ্যপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। প্রেসিডেন্ট দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার ৫০ বছরেরও বেশি সময় অতিক্রান্ত হওয়ার কথা স্মরণ করে আশা প্রকাশ করেন, আগামী দিনগুলোতে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে।
হাসান বিন মাহমুদুল্লাহ। আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, পরিপূর্ণ হালাল খাবারের মুখরোচক আইটেম বাংলাদেশিদের চাহিদা মেটাতে সক্ষম হবে। এটি একটা ভালো উদ্যোগ বিশেষ করে মুসলিমদের জন্য।
চুক্তির আওতায় দুই প্রতিষ্ঠান জাতিসংঘ ঘোষিত টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বিভিন্ন কার্যক্রম যৌথভাবে বাস্তবায়ন এবং নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের অভিজ্ঞতা ও সক্ষমতা কাজে লাগিয়ে যুব উন্নয়নে কাজ করবে।