
বিডিজেন ডেস্ক

স্পেনের রাজধানী মাদ্রিদে যথাযোগ্য মর্যাদায় বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদ্যাপন করেছে বাংলাদেশ দূতাবাস। এ উপলক্ষে ৮ এপ্রিল (মঙ্গলবার) মাদ্রিদের অভিজাত হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে এক সাড়ম্বর অভ্যর্থনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

বর্ণাঢ্য এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে স্পেনে বসবাসরত সর্বস্তরের বিপুলসংখ্যক বাংলাদেশি, প্রবাসী বাংলাদেশি রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, স্পেন সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত ও কূটনীতিকবৃন্দ এবং সিভিল সোসাইটি ও গণমাধ্যমের প্রতিনিধিরা। অনুষ্ঠানে তাদের স্বাগত জানান স্পেন, ইকুয়েটোরিয়াল গিনি ও এন্ডোরায় নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ সারওয়ার মাহমুদ।

শুভেচ্ছা বক্তব্যে রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ সারওয়ার মাহমুদ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের তাৎপর্যের ওপর আলোচনাকালে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সকল শহীদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান। তিনি বলেন, ‘তাঁদের আত্মদানের পথ ধরেই দীর্ঘ নয় মাস রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে আমরা অর্জন করেছি কাক্সিক্ষত স্বাধীনতা।’

রাষ্ট্রদূত আরও বলেন, ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ছাত্র-জনতার সর্বোচ্চ আত্মত্যাগ ও বীরত্বে জাতি ফ্যাসিস্ট স্বৈরাচারের অত্যাচারের হাত থেকে মুক্তি পেয়েছে।’ একটি ন্যায়ভিত্তিক সমাজ বিনির্মাণ ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় মুক্তিযুদ্ধ ও জুলাই ২০২৪ এর বৈপ্লবিক গণঅভ্যুত্থানের চেতনাকে ধারণ করে সকলকে সম্মিলিতভাবে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান রাষ্ট্রদূত।

অভ্যর্থনা অনুষ্ঠানে স্পেনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উত্তর আমেরিকা, পূর্ব ইউরোপ ও এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চল বিষয়ক মহাপরিচালক লুইস ফনসেকা সানচেজ প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য উপস্থাপন করেন। তিনি তাঁর বক্তব্যে বাংলাদেশ-স্পেন দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও সম্প্রসারণে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে জাতীয় দিবসের সম্বর্ধনা অনুষ্ঠানের ভোজসভায় উপস্থিত সকলকে বিদেশি খাবারের ঐতিহ্যবাহী বাংলাদেশী খাবার দিয়ে আপ্যায়ন করা হয়।

এর আগে ২৬ মার্চ সকালে দূতাবাস প্রাঙ্গনে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস পালনের কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়। দূতাবাসের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের বাণী পাঠ, জুলাই ২০২৪–এর বৈপ্লবিক গণঅভ্যুত্থানের ওপর একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন এবং স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস ও জুলাই ২০২৪–এর বৈপ্লবিক গণঅভ্যুত্থানের ওপর তাৎপর্যপূর্ণ বক্তব্য প্রদান করেন রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ সারওয়ার মাহমুদ। বিজ্ঞপ্তি

স্পেনের রাজধানী মাদ্রিদে যথাযোগ্য মর্যাদায় বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদ্যাপন করেছে বাংলাদেশ দূতাবাস। এ উপলক্ষে ৮ এপ্রিল (মঙ্গলবার) মাদ্রিদের অভিজাত হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে এক সাড়ম্বর অভ্যর্থনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

বর্ণাঢ্য এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে স্পেনে বসবাসরত সর্বস্তরের বিপুলসংখ্যক বাংলাদেশি, প্রবাসী বাংলাদেশি রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, স্পেন সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত ও কূটনীতিকবৃন্দ এবং সিভিল সোসাইটি ও গণমাধ্যমের প্রতিনিধিরা। অনুষ্ঠানে তাদের স্বাগত জানান স্পেন, ইকুয়েটোরিয়াল গিনি ও এন্ডোরায় নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ সারওয়ার মাহমুদ।

শুভেচ্ছা বক্তব্যে রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ সারওয়ার মাহমুদ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের তাৎপর্যের ওপর আলোচনাকালে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সকল শহীদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান। তিনি বলেন, ‘তাঁদের আত্মদানের পথ ধরেই দীর্ঘ নয় মাস রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে আমরা অর্জন করেছি কাক্সিক্ষত স্বাধীনতা।’

রাষ্ট্রদূত আরও বলেন, ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ছাত্র-জনতার সর্বোচ্চ আত্মত্যাগ ও বীরত্বে জাতি ফ্যাসিস্ট স্বৈরাচারের অত্যাচারের হাত থেকে মুক্তি পেয়েছে।’ একটি ন্যায়ভিত্তিক সমাজ বিনির্মাণ ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় মুক্তিযুদ্ধ ও জুলাই ২০২৪ এর বৈপ্লবিক গণঅভ্যুত্থানের চেতনাকে ধারণ করে সকলকে সম্মিলিতভাবে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান রাষ্ট্রদূত।

অভ্যর্থনা অনুষ্ঠানে স্পেনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উত্তর আমেরিকা, পূর্ব ইউরোপ ও এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চল বিষয়ক মহাপরিচালক লুইস ফনসেকা সানচেজ প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য উপস্থাপন করেন। তিনি তাঁর বক্তব্যে বাংলাদেশ-স্পেন দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও সম্প্রসারণে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে জাতীয় দিবসের সম্বর্ধনা অনুষ্ঠানের ভোজসভায় উপস্থিত সকলকে বিদেশি খাবারের ঐতিহ্যবাহী বাংলাদেশী খাবার দিয়ে আপ্যায়ন করা হয়।

এর আগে ২৬ মার্চ সকালে দূতাবাস প্রাঙ্গনে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস পালনের কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়। দূতাবাসের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের বাণী পাঠ, জুলাই ২০২৪–এর বৈপ্লবিক গণঅভ্যুত্থানের ওপর একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন এবং স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস ও জুলাই ২০২৪–এর বৈপ্লবিক গণঅভ্যুত্থানের ওপর তাৎপর্যপূর্ণ বক্তব্য প্রদান করেন রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ সারওয়ার মাহমুদ। বিজ্ঞপ্তি
অনুষ্ঠানে মোহাম্মদ আবুল বশর তার বক্তব্যে দেশের অর্থনীতি শক্তিশালী এবং রেমিট্যান্স প্রবাহ আরও গতিশীল করতে বর্তমান প্রণোদনা ২ দশমিক ৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৫ শতাংশ করার জন্য বাংলাদেশ সরকারের প্রতি দাবি জানান।
পরিচয়পত্র পেশের পর প্রেসিডেন্ট পারমেলিন ও রাষ্ট্রদূত সোবহানের মধ্যে এক সৌহার্দ্যপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। প্রেসিডেন্ট দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার ৫০ বছরেরও বেশি সময় অতিক্রান্ত হওয়ার কথা স্মরণ করে আশা প্রকাশ করেন, আগামী দিনগুলোতে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে।
হাসান বিন মাহমুদুল্লাহ। আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, পরিপূর্ণ হালাল খাবারের মুখরোচক আইটেম বাংলাদেশিদের চাহিদা মেটাতে সক্ষম হবে। এটি একটা ভালো উদ্যোগ বিশেষ করে মুসলিমদের জন্য।
চুক্তির আওতায় দুই প্রতিষ্ঠান জাতিসংঘ ঘোষিত টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বিভিন্ন কার্যক্রম যৌথভাবে বাস্তবায়ন এবং নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের অভিজ্ঞতা ও সক্ষমতা কাজে লাগিয়ে যুব উন্নয়নে কাজ করবে।