
মাহবুব সরকার, আবুধাবি থেকে

সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) রাজধানী আবুধাবিতে প্রবাসী আলহাজ মোহাম্মদ আবুল বশর সিআইপিকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) আবুধাবির আল ইব্রাহীম রেষ্টুরেন্টের হল রুমে বিএনপির আবুধাবি শাখার উদ্যোগে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তাকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়।
উল্লেখ্য, মোহাম্মদ আবুল বশর দেশের অর্থনীতিতে বিশেষ অবদান রাখায় ২০২৫ সালে জাতীয় প্রবাসী দিবসে রেমিট্যান্সযোদ্ধা ক্যাটাগরিতে সিআইপি নির্বাচিত হন। তিনি বিএনপির আবুধাবি শাখার সিনিয়র সহসভাপতি ও ইউএই শাখার আহ্বায়ক কমিটির সদস্য।
অনুষ্ঠানে মোহাম্মদ আবুল বশর তার বক্তব্যে দেশের অর্থনীতি শক্তিশালী এবং রেমিট্যান্স প্রবাহ আরও গতিশীল করতে বর্তমান প্রণোদনা ২ দশমিক ৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৫ শতাংশ করার জন্য বাংলাদেশ সরকারের প্রতি দাবি জানান। এ ছাড়া, প্রবাসীদের পেনশন বাস্তবায়ন ও আমিরাতে বিদ্যমান ভিসা সংকট নিরসনে সরকারকে এগিয়ে আসার আহবান জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিএনপির আবুধাবি শাখার সভাপতি ইসমাইল হোসেন তালুকদার। সঞ্চালনা করেন বিএনপির আবুধাবি শাখার ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন।
অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বিএনপির ইউএই শাখা কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটির সদস্য এস এম দিদারুল আলম, নূর হোসেন সুমন, সদস্য মাওলানা আবুল কালাম আজাদ, সাখাওয়াত হোসেন বকুল, মুসাফফা শাখার সভাপতি রুহুল আমিন, জিয়া পরিষদের ইউএই কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটির যুগ্ম আহবায়ক আমিনুল ইসলাম টিপু, বাংলাদেশ সমিতি আমিরাতের সহ সভাপতি নূর মোহাম্মদ ও সাবেক সহ সভাপতি মাহবুবুল আলম।
আরও বক্তব্য দেন জাবেদ হোসেন. আব্দুল মন্নান, মনসুর আলম, মীর নাসির উদ্দিন, হেলাল উদ্দিন, গাজী সেলিম, ইলিয়াস ভূইয়া, আবদুল মাজেদ, শওকত হোসেন, গাজি সেলিম, আরিফ উদ্দিন, ইব্রাহিম খলিল ও আনিসুর রহমান প্রমুখ।
অনুষ্ঠানের শেষে দেশ–জাতি ও প্রবাসীদের কল্যাণ এবং প্রয়াত খালেদা জিয়া ও জিয়াউর রহমানের আত্মার মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া মোনাজাত করা হয়।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) রাজধানী আবুধাবিতে প্রবাসী আলহাজ মোহাম্মদ আবুল বশর সিআইপিকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) আবুধাবির আল ইব্রাহীম রেষ্টুরেন্টের হল রুমে বিএনপির আবুধাবি শাখার উদ্যোগে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তাকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়।
উল্লেখ্য, মোহাম্মদ আবুল বশর দেশের অর্থনীতিতে বিশেষ অবদান রাখায় ২০২৫ সালে জাতীয় প্রবাসী দিবসে রেমিট্যান্সযোদ্ধা ক্যাটাগরিতে সিআইপি নির্বাচিত হন। তিনি বিএনপির আবুধাবি শাখার সিনিয়র সহসভাপতি ও ইউএই শাখার আহ্বায়ক কমিটির সদস্য।
অনুষ্ঠানে মোহাম্মদ আবুল বশর তার বক্তব্যে দেশের অর্থনীতি শক্তিশালী এবং রেমিট্যান্স প্রবাহ আরও গতিশীল করতে বর্তমান প্রণোদনা ২ দশমিক ৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৫ শতাংশ করার জন্য বাংলাদেশ সরকারের প্রতি দাবি জানান। এ ছাড়া, প্রবাসীদের পেনশন বাস্তবায়ন ও আমিরাতে বিদ্যমান ভিসা সংকট নিরসনে সরকারকে এগিয়ে আসার আহবান জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিএনপির আবুধাবি শাখার সভাপতি ইসমাইল হোসেন তালুকদার। সঞ্চালনা করেন বিএনপির আবুধাবি শাখার ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন।
অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বিএনপির ইউএই শাখা কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটির সদস্য এস এম দিদারুল আলম, নূর হোসেন সুমন, সদস্য মাওলানা আবুল কালাম আজাদ, সাখাওয়াত হোসেন বকুল, মুসাফফা শাখার সভাপতি রুহুল আমিন, জিয়া পরিষদের ইউএই কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটির যুগ্ম আহবায়ক আমিনুল ইসলাম টিপু, বাংলাদেশ সমিতি আমিরাতের সহ সভাপতি নূর মোহাম্মদ ও সাবেক সহ সভাপতি মাহবুবুল আলম।
আরও বক্তব্য দেন জাবেদ হোসেন. আব্দুল মন্নান, মনসুর আলম, মীর নাসির উদ্দিন, হেলাল উদ্দিন, গাজী সেলিম, ইলিয়াস ভূইয়া, আবদুল মাজেদ, শওকত হোসেন, গাজি সেলিম, আরিফ উদ্দিন, ইব্রাহিম খলিল ও আনিসুর রহমান প্রমুখ।
অনুষ্ঠানের শেষে দেশ–জাতি ও প্রবাসীদের কল্যাণ এবং প্রয়াত খালেদা জিয়া ও জিয়াউর রহমানের আত্মার মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া মোনাজাত করা হয়।
অনুষ্ঠানে মোহাম্মদ আবুল বশর তার বক্তব্যে দেশের অর্থনীতি শক্তিশালী এবং রেমিট্যান্স প্রবাহ আরও গতিশীল করতে বর্তমান প্রণোদনা ২ দশমিক ৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৫ শতাংশ করার জন্য বাংলাদেশ সরকারের প্রতি দাবি জানান।
পরিচয়পত্র পেশের পর প্রেসিডেন্ট পারমেলিন ও রাষ্ট্রদূত সোবহানের মধ্যে এক সৌহার্দ্যপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। প্রেসিডেন্ট দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার ৫০ বছরেরও বেশি সময় অতিক্রান্ত হওয়ার কথা স্মরণ করে আশা প্রকাশ করেন, আগামী দিনগুলোতে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে।
হাসান বিন মাহমুদুল্লাহ। আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, পরিপূর্ণ হালাল খাবারের মুখরোচক আইটেম বাংলাদেশিদের চাহিদা মেটাতে সক্ষম হবে। এটি একটা ভালো উদ্যোগ বিশেষ করে মুসলিমদের জন্য।
চুক্তির আওতায় দুই প্রতিষ্ঠান জাতিসংঘ ঘোষিত টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বিভিন্ন কার্যক্রম যৌথভাবে বাস্তবায়ন এবং নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের অভিজ্ঞতা ও সক্ষমতা কাজে লাগিয়ে যুব উন্নয়নে কাজ করবে।