
বিডিজেন ডেস্ক

প্রতি বছরের মতো এ বছরও ওমানের মাস্কাটে প্রবাসী বাংলাদেশিদের অংশগ্রহণে শুরু হয়েছে গালফ এক্সচেঞ্জ গোল্ড কাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২৪।
শুক্রবার (১ নভেম্বর) বাংলাদেশ সোশ্যাল ক্লাবের উদ্যোগে মাস্কাটের মাস্কাট ক্লাব স্টেডিয়াম মাঠে বেলুন উড়িয়ে এ টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ দূতাবাসের শ্রম কাউন্সেলর রাফিউল ইসলাম।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে গেস্ট অব অনার ছিলেন টুর্নামেন্টের প্রধান স্পনসর গালফ ওভারসিজ এক্সচেঞ্জের প্রধান নির্বাহী (সিইও) ইফতেখার উল হাসান চৌধুরী।
সভাপতিত্ব করেন সোশ্যাল ক্লাবের ভারপ্রাপ্ত সহসভাপতি রেজাউল করিম সিআইপি। সঞ্চালনা করেন ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এন এন আমিন।
উপস্থিত ছিলেন ক্লাবের সহসভাপতি আজিমুল হক বাবুল সিআইপি, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন ও আব্দুর রহিম, ক্রীড়া সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম সিআইপি, সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল বশর সরকার, প্রচার সম্পাদক হাফেজ মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন চৌধুরী, সাহিত্য সম্পাদক শাহজাহান ভূইঁয়া, সাপোর্টিং নির্বাহী সদস্য অজিত, জসিম, কোষাধক্ষ্য মুক্তার, মানিক।
টুর্নামেন্টে এ বছর ১৬টি দল অংশ নিয়েছে। টানটান উত্তেজনা, উৎসাহ–উদ্দীপনা ও জমকালো আয়োজনে উদ্বোধনী দিনে চারটি দল দুটি ম্যাচে অংশগ্রহণ করে।
একটি ম্যাচে হামেরিয়া একাদশ ও ওয়াদি কবির এফসি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে। এই ম্যাচে দুই দল একটি করে গোল করে। দ্বিতীয় ম্যাচে বারকা এফসি ও আল খুওয়াইর এফএফসি অংশগ্রহণ করে। এই ম্যাচের ফলাফল বারকা এফসি ৩, খুওয়াইর এফএফসি ০।

প্রতি বছরের মতো এ বছরও ওমানের মাস্কাটে প্রবাসী বাংলাদেশিদের অংশগ্রহণে শুরু হয়েছে গালফ এক্সচেঞ্জ গোল্ড কাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২৪।
শুক্রবার (১ নভেম্বর) বাংলাদেশ সোশ্যাল ক্লাবের উদ্যোগে মাস্কাটের মাস্কাট ক্লাব স্টেডিয়াম মাঠে বেলুন উড়িয়ে এ টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ দূতাবাসের শ্রম কাউন্সেলর রাফিউল ইসলাম।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে গেস্ট অব অনার ছিলেন টুর্নামেন্টের প্রধান স্পনসর গালফ ওভারসিজ এক্সচেঞ্জের প্রধান নির্বাহী (সিইও) ইফতেখার উল হাসান চৌধুরী।
সভাপতিত্ব করেন সোশ্যাল ক্লাবের ভারপ্রাপ্ত সহসভাপতি রেজাউল করিম সিআইপি। সঞ্চালনা করেন ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এন এন আমিন।
উপস্থিত ছিলেন ক্লাবের সহসভাপতি আজিমুল হক বাবুল সিআইপি, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন ও আব্দুর রহিম, ক্রীড়া সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম সিআইপি, সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল বশর সরকার, প্রচার সম্পাদক হাফেজ মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন চৌধুরী, সাহিত্য সম্পাদক শাহজাহান ভূইঁয়া, সাপোর্টিং নির্বাহী সদস্য অজিত, জসিম, কোষাধক্ষ্য মুক্তার, মানিক।
টুর্নামেন্টে এ বছর ১৬টি দল অংশ নিয়েছে। টানটান উত্তেজনা, উৎসাহ–উদ্দীপনা ও জমকালো আয়োজনে উদ্বোধনী দিনে চারটি দল দুটি ম্যাচে অংশগ্রহণ করে।
একটি ম্যাচে হামেরিয়া একাদশ ও ওয়াদি কবির এফসি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে। এই ম্যাচে দুই দল একটি করে গোল করে। দ্বিতীয় ম্যাচে বারকা এফসি ও আল খুওয়াইর এফএফসি অংশগ্রহণ করে। এই ম্যাচের ফলাফল বারকা এফসি ৩, খুওয়াইর এফএফসি ০।
উদ্যোক্তা হেলাল উদ্দিন বলেন, "কুয়ালালামপুরের এই হাংতুয়া এলাকায় কয়েক হাজার বাংলাদেশি বসবাস করেন। প্রবাসীদের দেশি খাবারের আসল স্বাদ দেওয়ার জন্য আমরা মেজবান রেস্টুরেন্ট করেছি। যেহেতু এখানে বসবাসরত বাংলাদেশির মধ্যে অর্ধেকের বেশি চট্টগ্রামের মানুষ। তাই আমরা চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী নানা খাবারও পরিবেশন করব।
বিগত বছরগুলোর মতো এবারও বার্লিনের বেঙ্গলিশে কুলটর ফোরামের উদ্যোগে এ উৎসবে শরিক হয়েছিলেন জার্মানপ্রবাসী বাংলাদেশিরা। নারীরা লাল শাড়ি, কপালে টিপ, খোঁপায় রঙিন ফুল ও দেশীয় অলংকার পরে উৎসবে অংশ নেন। পুরুষেরা পরেন লুঙ্গি, ফতুয়া। মাথায় বাঁধেন গামছা।
সভায় বক্তারা ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন ও দেশের অবদানের কথা স্মরণ করেন। বিশেষ করে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে তার বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা, চট্টগ্রামের অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং মিরসরাইয়ে দেশের বৃহত্তম অর্থনৈতিক অঞ্চল (ইকোনমিক জোন) প্রতিষ্ঠায় তার দূরদর্শী নেতৃত্বের কথা তুলে ধরেন।
দূতাবাস বলছে, চলমান আঞ্চলিক পরিস্থিতি, বিশেষ করে হরমুজ প্রণালী দীর্ঘকাল বন্ধ থাকায় এবং এর ফলে কুয়েতের সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর সৃষ্ট চাপ মোকাবিলায় এই সহায়তা কুয়েতের কৌশলগত খাদ্য মজুত শক্তিশালীকরণ এবং জরুরি প্রয়োজন পূরণে সহায়ক হবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

উদ্যোক্তা হেলাল উদ্দিন বলেন, "কুয়ালালামপুরের এই হাংতুয়া এলাকায় কয়েক হাজার বাংলাদেশি বসবাস করেন। প্রবাসীদের দেশি খাবারের আসল স্বাদ দেওয়ার জন্য আমরা মেজবান রেস্টুরেন্ট করেছি। যেহেতু এখানে বসবাসরত বাংলাদেশির মধ্যে অর্ধেকের বেশি চট্টগ্রামের মানুষ। তাই আমরা চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী নানা খাবারও পরিবেশন করব।
৪ দিন আগে
সভায় বক্তারা ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন ও দেশের অবদানের কথা স্মরণ করেন। বিশেষ করে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে তার বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা, চট্টগ্রামের অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং মিরসরাইয়ে দেশের বৃহত্তম অর্থনৈতিক অঞ্চল (ইকোনমিক জোন) প্রতিষ্ঠায় তার দূরদর্শী নেতৃত্বের কথা তুলে ধরেন।
৫ দিন আগে