
মাহবুব সরকার, আবুধাবি থেকে

সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাজধানী আবুধাবিতে বাংলাদেশ দূতাবাসের উদ্যোগে জমকালো আয়োজন উদ্যাপন করা হয়েছে বাংলাদেশের ৫৪তম মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস। মঙ্গলবার (১৫ এপ্রিল) আবুধাবির একটি অভিজাত হোটেলে এ অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রতিমন্ত্রী আহমেদ বিন আলী আল সায়্যিদ।
অতিথিদের স্বাগত জানিয়ে বক্তব্য দেন সংযুক্ত আরব আমিরাতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত তারেক আহমেদ।

তিনি তাঁর বক্তব্যে বাংলাদেশ ও আমিরাতের দীর্ঘদিনের সুসম্পর্কের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন এবং আমিরাত সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
রাষ্ট্রদূত আরও বলেন, অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার একটি সুখী, বৈষম্যহীন ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশের স্বপ্ন বাস্তবায়নে কাজ করছে। সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নে প্রবাসী বাংলাদেশিদের গুরুত্বপূর্ণ অবদান অনস্বীকার্য।

আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন অন্তত ৩২টি দেশের কূটনঅতিক ও তাদের পরিবারের সদস্য, দুবাইতে নিযুক্ত বাংলাদেশের কনসাল জেনারেল রাশেদুজ্জামান, বাংলাদেশ দূতাবাস ও দুবাই কনসুলেটের উর্ধ্বত্বন কর্মকর্তা ও তাদের পরিবারের সদস্য, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইস, জনতা ব্যাংকের কর্মকর্তা, সিআইপি মর্যাদাপ্রাপ্ত বিশিষ্ট প্রবাসী, বাংলাদেশ কমিউনিটির গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গ।
অনুষ্ঠানে আগত প্রবাসীরা এ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে আমিরাত বাংলাদেশের সম্পর্ক আরও জোরালো হওয়ার পাশাপাশি দেশটিতে শিগগিরই বাংলাদশিদের জন্য শ্রমবাজার উন্মুক্ত হবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাজধানী আবুধাবিতে বাংলাদেশ দূতাবাসের উদ্যোগে জমকালো আয়োজন উদ্যাপন করা হয়েছে বাংলাদেশের ৫৪তম মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস। মঙ্গলবার (১৫ এপ্রিল) আবুধাবির একটি অভিজাত হোটেলে এ অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রতিমন্ত্রী আহমেদ বিন আলী আল সায়্যিদ।
অতিথিদের স্বাগত জানিয়ে বক্তব্য দেন সংযুক্ত আরব আমিরাতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত তারেক আহমেদ।

তিনি তাঁর বক্তব্যে বাংলাদেশ ও আমিরাতের দীর্ঘদিনের সুসম্পর্কের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন এবং আমিরাত সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
রাষ্ট্রদূত আরও বলেন, অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার একটি সুখী, বৈষম্যহীন ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশের স্বপ্ন বাস্তবায়নে কাজ করছে। সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নে প্রবাসী বাংলাদেশিদের গুরুত্বপূর্ণ অবদান অনস্বীকার্য।

আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন অন্তত ৩২টি দেশের কূটনঅতিক ও তাদের পরিবারের সদস্য, দুবাইতে নিযুক্ত বাংলাদেশের কনসাল জেনারেল রাশেদুজ্জামান, বাংলাদেশ দূতাবাস ও দুবাই কনসুলেটের উর্ধ্বত্বন কর্মকর্তা ও তাদের পরিবারের সদস্য, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইস, জনতা ব্যাংকের কর্মকর্তা, সিআইপি মর্যাদাপ্রাপ্ত বিশিষ্ট প্রবাসী, বাংলাদেশ কমিউনিটির গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গ।
অনুষ্ঠানে আগত প্রবাসীরা এ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে আমিরাত বাংলাদেশের সম্পর্ক আরও জোরালো হওয়ার পাশাপাশি দেশটিতে শিগগিরই বাংলাদশিদের জন্য শ্রমবাজার উন্মুক্ত হবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
উদ্যোক্তা হেলাল উদ্দিন বলেন, "কুয়ালালামপুরের এই হাংতুয়া এলাকায় কয়েক হাজার বাংলাদেশি বসবাস করেন। প্রবাসীদের দেশি খাবারের আসল স্বাদ দেওয়ার জন্য আমরা মেজবান রেস্টুরেন্ট করেছি। যেহেতু এখানে বসবাসরত বাংলাদেশির মধ্যে অর্ধেকের বেশি চট্টগ্রামের মানুষ। তাই আমরা চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী নানা খাবারও পরিবেশন করব।
বিগত বছরগুলোর মতো এবারও বার্লিনের বেঙ্গলিশে কুলটর ফোরামের উদ্যোগে এ উৎসবে শরিক হয়েছিলেন জার্মানপ্রবাসী বাংলাদেশিরা। নারীরা লাল শাড়ি, কপালে টিপ, খোঁপায় রঙিন ফুল ও দেশীয় অলংকার পরে উৎসবে অংশ নেন। পুরুষেরা পরেন লুঙ্গি, ফতুয়া। মাথায় বাঁধেন গামছা।
সভায় বক্তারা ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন ও দেশের অবদানের কথা স্মরণ করেন। বিশেষ করে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে তার বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা, চট্টগ্রামের অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং মিরসরাইয়ে দেশের বৃহত্তম অর্থনৈতিক অঞ্চল (ইকোনমিক জোন) প্রতিষ্ঠায় তার দূরদর্শী নেতৃত্বের কথা তুলে ধরেন।
দূতাবাস বলছে, চলমান আঞ্চলিক পরিস্থিতি, বিশেষ করে হরমুজ প্রণালী দীর্ঘকাল বন্ধ থাকায় এবং এর ফলে কুয়েতের সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর সৃষ্ট চাপ মোকাবিলায় এই সহায়তা কুয়েতের কৌশলগত খাদ্য মজুত শক্তিশালীকরণ এবং জরুরি প্রয়োজন পূরণে সহায়ক হবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

উদ্যোক্তা হেলাল উদ্দিন বলেন, "কুয়ালালামপুরের এই হাংতুয়া এলাকায় কয়েক হাজার বাংলাদেশি বসবাস করেন। প্রবাসীদের দেশি খাবারের আসল স্বাদ দেওয়ার জন্য আমরা মেজবান রেস্টুরেন্ট করেছি। যেহেতু এখানে বসবাসরত বাংলাদেশির মধ্যে অর্ধেকের বেশি চট্টগ্রামের মানুষ। তাই আমরা চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী নানা খাবারও পরিবেশন করব।
৪ দিন আগে
সভায় বক্তারা ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন ও দেশের অবদানের কথা স্মরণ করেন। বিশেষ করে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে তার বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা, চট্টগ্রামের অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং মিরসরাইয়ে দেশের বৃহত্তম অর্থনৈতিক অঞ্চল (ইকোনমিক জোন) প্রতিষ্ঠায় তার দূরদর্শী নেতৃত্বের কথা তুলে ধরেন।
৫ দিন আগে