
বিডিজেন ডেস্ক

সৌদি আরবে নবনিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. দেলোয়ার হোসেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রিন্স ফয়সাল বিন ফারহান আল সৌদের কাছে পরিচয়পত্র পেশ করে রাষ্ট্রদূতের দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন।
বৃহস্পতিবার (২৬ ডিসেম্বর) রাজধানী রিয়াদে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর পক্ষে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক (প্রটোকল) আলী আস সাহরী রাষ্ট্রদূতের পরিচয়পত্রের কপি গ্রহণ করেন।
মো. দেলোয়ার হোসেন সৌদি আরবে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত হিসেবে তাঁকে গ্রহণ করায় তিনি সৌদি বাদশাহ ও যুবরাজের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

সৌদি আরবের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক (প্রটোকল) রাষ্ট্রদূতকে সাদরে গ্রহণ করেন এবং রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তাঁকে সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
রাষ্ট্রদূতও ভবিষ্যতে বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের মধ্যকার সম্পর্ক অনন্য উচ্চতায় পৌঁছাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
পরিচয়পত্র পেশের পর রাষ্ট্রদূত দূতাবাসের কর্মকর্তা–কর্মচারীদের সঙ্গে এক মতবিনিময় অনুষ্ঠানে মিলিত হন। এ সময় তিনি সবাইকে হাসিমুখে ইতিবাচক মনোভাব নিয়ে দূতাবাসের সেবা প্রত্যাশীদের সেবা প্রদান করার জন্য নির্দেশনা প্রদান করেন।

রাষ্ট্রদূত কর্মকর্তা–কর্মচারীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভার শুরুতেই স্মরণ করেন মুক্তিযুদ্ধের লাখ লাখ শহীদ এবং গত জুলাই-আগস্ট মাসে ছাত্র–শ্রমিক–জনতার অভ্যুত্থানে নিহত সকল শহীদকে। তিনি পরিবর্তিত বাংলাদেশে জনআকাঙ্খার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে সকল কর্মকর্তা–কর্মচারীদের দূতাবাসের কাজে আত্মনিয়োগ ও এর গুণগত মানোন্নয়নের আহ্বান জানান।
রাষ্ট্রদূত মো. দেলোয়ার হোসেন সৌদি আরবে নিযুক্ত বাংলাদেশের ১৬তম রাষ্ট্রদূত।
উল্লেখ্য, সৌদি আরবে রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের আগে তিনি দক্ষিণ কোরিয়ায় বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। বিজ্ঞপ্তি

সৌদি আরবে নবনিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. দেলোয়ার হোসেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রিন্স ফয়সাল বিন ফারহান আল সৌদের কাছে পরিচয়পত্র পেশ করে রাষ্ট্রদূতের দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন।
বৃহস্পতিবার (২৬ ডিসেম্বর) রাজধানী রিয়াদে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর পক্ষে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক (প্রটোকল) আলী আস সাহরী রাষ্ট্রদূতের পরিচয়পত্রের কপি গ্রহণ করেন।
মো. দেলোয়ার হোসেন সৌদি আরবে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত হিসেবে তাঁকে গ্রহণ করায় তিনি সৌদি বাদশাহ ও যুবরাজের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

সৌদি আরবের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক (প্রটোকল) রাষ্ট্রদূতকে সাদরে গ্রহণ করেন এবং রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তাঁকে সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
রাষ্ট্রদূতও ভবিষ্যতে বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের মধ্যকার সম্পর্ক অনন্য উচ্চতায় পৌঁছাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
পরিচয়পত্র পেশের পর রাষ্ট্রদূত দূতাবাসের কর্মকর্তা–কর্মচারীদের সঙ্গে এক মতবিনিময় অনুষ্ঠানে মিলিত হন। এ সময় তিনি সবাইকে হাসিমুখে ইতিবাচক মনোভাব নিয়ে দূতাবাসের সেবা প্রত্যাশীদের সেবা প্রদান করার জন্য নির্দেশনা প্রদান করেন।

রাষ্ট্রদূত কর্মকর্তা–কর্মচারীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভার শুরুতেই স্মরণ করেন মুক্তিযুদ্ধের লাখ লাখ শহীদ এবং গত জুলাই-আগস্ট মাসে ছাত্র–শ্রমিক–জনতার অভ্যুত্থানে নিহত সকল শহীদকে। তিনি পরিবর্তিত বাংলাদেশে জনআকাঙ্খার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে সকল কর্মকর্তা–কর্মচারীদের দূতাবাসের কাজে আত্মনিয়োগ ও এর গুণগত মানোন্নয়নের আহ্বান জানান।
রাষ্ট্রদূত মো. দেলোয়ার হোসেন সৌদি আরবে নিযুক্ত বাংলাদেশের ১৬তম রাষ্ট্রদূত।
উল্লেখ্য, সৌদি আরবে রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের আগে তিনি দক্ষিণ কোরিয়ায় বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। বিজ্ঞপ্তি
উদ্যোক্তা হেলাল উদ্দিন বলেন, "কুয়ালালামপুরের এই হাংতুয়া এলাকায় কয়েক হাজার বাংলাদেশি বসবাস করেন। প্রবাসীদের দেশি খাবারের আসল স্বাদ দেওয়ার জন্য আমরা মেজবান রেস্টুরেন্ট করেছি। যেহেতু এখানে বসবাসরত বাংলাদেশির মধ্যে অর্ধেকের বেশি চট্টগ্রামের মানুষ। তাই আমরা চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী নানা খাবারও পরিবেশন করব।
বিগত বছরগুলোর মতো এবারও বার্লিনের বেঙ্গলিশে কুলটর ফোরামের উদ্যোগে এ উৎসবে শরিক হয়েছিলেন জার্মানপ্রবাসী বাংলাদেশিরা। নারীরা লাল শাড়ি, কপালে টিপ, খোঁপায় রঙিন ফুল ও দেশীয় অলংকার পরে উৎসবে অংশ নেন। পুরুষেরা পরেন লুঙ্গি, ফতুয়া। মাথায় বাঁধেন গামছা।
সভায় বক্তারা ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন ও দেশের অবদানের কথা স্মরণ করেন। বিশেষ করে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে তার বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা, চট্টগ্রামের অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং মিরসরাইয়ে দেশের বৃহত্তম অর্থনৈতিক অঞ্চল (ইকোনমিক জোন) প্রতিষ্ঠায় তার দূরদর্শী নেতৃত্বের কথা তুলে ধরেন।
দূতাবাস বলছে, চলমান আঞ্চলিক পরিস্থিতি, বিশেষ করে হরমুজ প্রণালী দীর্ঘকাল বন্ধ থাকায় এবং এর ফলে কুয়েতের সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর সৃষ্ট চাপ মোকাবিলায় এই সহায়তা কুয়েতের কৌশলগত খাদ্য মজুত শক্তিশালীকরণ এবং জরুরি প্রয়োজন পূরণে সহায়ক হবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

উদ্যোক্তা হেলাল উদ্দিন বলেন, "কুয়ালালামপুরের এই হাংতুয়া এলাকায় কয়েক হাজার বাংলাদেশি বসবাস করেন। প্রবাসীদের দেশি খাবারের আসল স্বাদ দেওয়ার জন্য আমরা মেজবান রেস্টুরেন্ট করেছি। যেহেতু এখানে বসবাসরত বাংলাদেশির মধ্যে অর্ধেকের বেশি চট্টগ্রামের মানুষ। তাই আমরা চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী নানা খাবারও পরিবেশন করব।
৩ দিন আগে
সভায় বক্তারা ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন ও দেশের অবদানের কথা স্মরণ করেন। বিশেষ করে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে তার বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা, চট্টগ্রামের অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং মিরসরাইয়ে দেশের বৃহত্তম অর্থনৈতিক অঞ্চল (ইকোনমিক জোন) প্রতিষ্ঠায় তার দূরদর্শী নেতৃত্বের কথা তুলে ধরেন।
৪ দিন আগে