
রফিক আহমদ খান, মালয়েশিয়া

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, মালয়েশিয়া শাখা পুনর্গঠন করা হয়েছে। এ উপলক্ষে গতকাল শুক্রবার (২৫ জুলাই) বাদ জুমা মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরে বুকিত বিনতাং ভিআইপি পিঠাঘর রেস্টুরেন্টের হলে এক দাওয়াতি মজলিস অনুষ্ঠিত হয়।
ইব্রাহিম খলিলের সভাপতিত্বে ও মাওলানা হাবীবুর রহমান কাওছারের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা ফয়সাল আহমদ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদ বলেন, ‘মুসলমানরা জীবন-জীবিকার উদ্দেশ্যে পৃথিবীর যেখানে থাকুক না কেন, দ্বীন কায়েমের সংগ্রাম থেকে বিরত থাকার সুযোগ নেই। প্রবাসী বাংলাদেশিদেরও উচিত, দেশের কল্যাণমুখী ইসলামি রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সচেতন ও সংগঠিত হওয়া।’

তিনি আরও বলেন, ‘সংগঠনের আন্তর্জাতিক কাঠামো শক্তিশালী করতে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস বিশ্বব্যাপী প্রবাসীদের নিয়ে স্থানীয় শাখা গঠন করছে। এই ধারাবাহিকতায় বিগত এক সপ্তাহ ধরে আমরা সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়া সফর করছি এবং আজ আনুষ্ঠানিকভাবে মালয়েশিয়া শাখা গঠন করা হলো। আলহামদুলিল্লাহ।’
তিনি বলেন, ‘মালয়েশিয়ায় আমাদের অবস্থান এমন হওয়া উচিত, যাতে বাংলাদেশের সুনাম বৃদ্ধি পায় এবং প্রবাসীদের জন্য শ্রমবাজার আরও সম্প্রসারিত হয়।’
দাওয়াতি মজলিস শেষে রাজধানীর উত্তরায় মাইলস্টোন স্কুলে বিমান বিধ্বস্তের মর্মান্তিক ঘটনায় নিহত ও আহতদের জন্য বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠান শেষে মাওলানা তাকী উল্লাহকে সভাপতি ও মাওলানা হাবীবুর রহমান কাওছারকে সাধারণ সম্পাদক করে ৩১ সদস্য বিশিষ্ট বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, মালয়েশিয়া শাখার নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়।
কমিটির পদ পাওয়া অন্য নেতৃবৃন্দ হলেন—সিনিয়র সহসভাপতি মাওলানা ইব্রাহিম খলিল, সহসভাপতি মোহাম্মদ বাবলু ও মাওলানা মাসরুর,সহ সাধারণ সম্পাদক মাওলানা বদরুদ্দোজা, সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা জহিরুল ইসলাম, বাইতুলমাল সম্পাদক হাফেজ রাহাত, নির্বাহী সদস্যবৃন্দ: হাফেজ এমদাদ, মোহাম্মদ রাসেল খান, মোহাম্মদ তানভীর, মো, ইমদাদ হোসেন প্রমুখ।

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, মালয়েশিয়া শাখা পুনর্গঠন করা হয়েছে। এ উপলক্ষে গতকাল শুক্রবার (২৫ জুলাই) বাদ জুমা মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরে বুকিত বিনতাং ভিআইপি পিঠাঘর রেস্টুরেন্টের হলে এক দাওয়াতি মজলিস অনুষ্ঠিত হয়।
ইব্রাহিম খলিলের সভাপতিত্বে ও মাওলানা হাবীবুর রহমান কাওছারের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা ফয়সাল আহমদ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদ বলেন, ‘মুসলমানরা জীবন-জীবিকার উদ্দেশ্যে পৃথিবীর যেখানে থাকুক না কেন, দ্বীন কায়েমের সংগ্রাম থেকে বিরত থাকার সুযোগ নেই। প্রবাসী বাংলাদেশিদেরও উচিত, দেশের কল্যাণমুখী ইসলামি রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সচেতন ও সংগঠিত হওয়া।’

তিনি আরও বলেন, ‘সংগঠনের আন্তর্জাতিক কাঠামো শক্তিশালী করতে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস বিশ্বব্যাপী প্রবাসীদের নিয়ে স্থানীয় শাখা গঠন করছে। এই ধারাবাহিকতায় বিগত এক সপ্তাহ ধরে আমরা সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়া সফর করছি এবং আজ আনুষ্ঠানিকভাবে মালয়েশিয়া শাখা গঠন করা হলো। আলহামদুলিল্লাহ।’
তিনি বলেন, ‘মালয়েশিয়ায় আমাদের অবস্থান এমন হওয়া উচিত, যাতে বাংলাদেশের সুনাম বৃদ্ধি পায় এবং প্রবাসীদের জন্য শ্রমবাজার আরও সম্প্রসারিত হয়।’
দাওয়াতি মজলিস শেষে রাজধানীর উত্তরায় মাইলস্টোন স্কুলে বিমান বিধ্বস্তের মর্মান্তিক ঘটনায় নিহত ও আহতদের জন্য বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠান শেষে মাওলানা তাকী উল্লাহকে সভাপতি ও মাওলানা হাবীবুর রহমান কাওছারকে সাধারণ সম্পাদক করে ৩১ সদস্য বিশিষ্ট বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, মালয়েশিয়া শাখার নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়।
কমিটির পদ পাওয়া অন্য নেতৃবৃন্দ হলেন—সিনিয়র সহসভাপতি মাওলানা ইব্রাহিম খলিল, সহসভাপতি মোহাম্মদ বাবলু ও মাওলানা মাসরুর,সহ সাধারণ সম্পাদক মাওলানা বদরুদ্দোজা, সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা জহিরুল ইসলাম, বাইতুলমাল সম্পাদক হাফেজ রাহাত, নির্বাহী সদস্যবৃন্দ: হাফেজ এমদাদ, মোহাম্মদ রাসেল খান, মোহাম্মদ তানভীর, মো, ইমদাদ হোসেন প্রমুখ।
মতবিনিময়কালে ইকবাল হোসেন শামীম বলেন, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রার পেছনে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলকে ইসলামাবাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অভ্যর্থনা জানান পাকিস্তান সরকারের আইন ও বিচার মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ব্যরিস্টার আকিল মালিক এবং পাকিস্তানে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মো. ইকবাল হোসেন খান।
ফরহাদ হোসেনের নির্দেশনায় দুই দিনব্যাপী হাউসফুল দর্শকের সামনে মঞ্চস্থ হলো হুমায়ূন আহমেদের জ্বীন কফিল! উপস্থিত ছিলেন বিপাশা আহমেদ এবং নূহাশ হুমায়ূন।
পরামর্শ সভায় বাংলাদেশ-তুরস্ক প্রতিরক্ষা সহযোগিতা জোরদারের বিভিন্ন কৌশল নিয়ে আলোচনা হয়। এর মধ্যে ছিল নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বৃদ্ধি, দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা সম্প্রসারণ, সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব (পিপিপি) জোরদার।