
নাইম আবদুল্লাহ, সিডনি, অস্ট্রেলিয়া

অস্ট্রেলিয়ার নিউ সাউথ ওয়েলস রাজ্যের সিডনিতে চট্টগ্রাম ক্লাব অস্ট্রেলিয়ার (সিসিএ) উদ্যোগে ‘মেজবান ২০২৫’-এর সফলতা উদ্যাপন উপলক্ষে এক বিশেষ পারিবারিক মধ্যাহ্নভোজ ও মিলনমেলার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রোববার (১২ অক্টোবর) সেন্ট অ্যান্ড্রুজ কমিউনিটি সেন্টারে দুপুর ১২টা থেকে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে সিসিএ সদস্যবৃন্দ, সাংবাদিক ও ভলান্টিয়ারগণ উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানের শুরুতে তানভীর আহমেদ রুমেল সকলকে স্বাগত জানান।

সিসিএ সভাপতি সৈয়দ আকরাম উল্লাহ সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, আপনাদের আন্তরিক সহযোগিতা ও ভালোবাসায় মেজবান ২০২৫ সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। অনেক সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও এত বড় একটা চ্যালেঞ্জিং আয়োজন সম্ভব হয়েছে শুধুমাত্র সংগঠনের সকল কর্মকর্তা ও সদস্যদের স্বতঃস্ফুর্তভাবে মনপ্রাণ দিয়ে কঠোর পরিশ্রমের জন্য। উদাহরণস্বরূপ তিনি সাইফুল হাসান চৌধুরী (সবুজ) ও এ টি এম মাসুম রানার নাম বিশেষভাবে উল্লেখ করেন।

তিনি আরও বলেন, আজকের এই আয়োজন আমাদের সম্মিলিত সাফল্যের আনন্দ ভাগ করে নেওয়ার মুহূর্ত।
পাবলিক রিলেশন ও কালচারাল সেক্রেটারি সাদিয়া হক জানান চট্টগ্রাম ক্লাব অস্ট্রেলিয়ার পরবর্তী অনুষ্ঠান হবে ২০২৬ সালের মে মাসে। এটা হবে আরও বড় পরিসরে ও বৈচিত্র্যপূর্ণভাবে।

ট্রেজারার ড. শেখ সালাউদ্দিন জানান, এবারের মেজবানে ১২ হাজার ৮৪২ ডলার অর্থ উদ্বৃত্ত হয়েছে কেবলমাত্র সদস্যবৃন্দ এবং পৃষ্টপোষকদের অর্থনৈতিক সহযোগিতার জন্য। চট্টগ্রাম ক্লাব অস্ট্রেলিয়ার মেজবান সম্পূর্ণই ফ্রি এবং টিকিটের জন্য কাউকে কোনো অর্থ খরচ করতে হয়নি। এই উদ্যোগ সিসিএকে একটি ব্যতিক্রমী ও সত্যিকারের চ্যারিটেবল সংস্থা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অথিতি হিসেবে বক্তব্য দেন সাংবাদিক নাইম আবদুল্লাহ। আরও বক্তব্য দেন অপারেশন অ্যান্ড ডেলিভারি সেক্রেটারি মোহাম্মদ জিয়াউর রহমান, এস এস হেয়ার অ্যান্ড বিউটির নির্বাহী পরিচালক শাহরীয়াত পারভীন রিপা এবং মোটিফ বাই নিধির প্রতিষ্ঠাতা নওশিন করিম।

মধ্যাহ্নভোজের মাধ্যমে মিলনমেলার সমাপ্তি হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথিরা জানান, এ ধরনের পারিবারিক ও সৌহার্দ্যপূর্ণ আয়োজন প্রবাসী বাংলাদেশি সমাজে একতা ও বন্ধুত্বের বন্ধনকে আরও মজবুত করে তুলবে।
উল্লেখ্য, অস্ট্রেলিয়ায়প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটির সবচেয়ে বড় ও ঐতিহ্যবাহী সামাজিক আয়োজন চট্টগ্রাম ক্লাব অস্ট্রেলিয়া (সিসিএ) আয়োজিত মেজবান। যা গত ২১ সেপ্টেম্বর (রোববার) সিডনির মিন্টোতে অত্যন্ত জাঁকজমকপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হয়।

অস্ট্রেলিয়ার নিউ সাউথ ওয়েলস রাজ্যের সিডনিতে চট্টগ্রাম ক্লাব অস্ট্রেলিয়ার (সিসিএ) উদ্যোগে ‘মেজবান ২০২৫’-এর সফলতা উদ্যাপন উপলক্ষে এক বিশেষ পারিবারিক মধ্যাহ্নভোজ ও মিলনমেলার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রোববার (১২ অক্টোবর) সেন্ট অ্যান্ড্রুজ কমিউনিটি সেন্টারে দুপুর ১২টা থেকে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে সিসিএ সদস্যবৃন্দ, সাংবাদিক ও ভলান্টিয়ারগণ উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানের শুরুতে তানভীর আহমেদ রুমেল সকলকে স্বাগত জানান।

সিসিএ সভাপতি সৈয়দ আকরাম উল্লাহ সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, আপনাদের আন্তরিক সহযোগিতা ও ভালোবাসায় মেজবান ২০২৫ সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। অনেক সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও এত বড় একটা চ্যালেঞ্জিং আয়োজন সম্ভব হয়েছে শুধুমাত্র সংগঠনের সকল কর্মকর্তা ও সদস্যদের স্বতঃস্ফুর্তভাবে মনপ্রাণ দিয়ে কঠোর পরিশ্রমের জন্য। উদাহরণস্বরূপ তিনি সাইফুল হাসান চৌধুরী (সবুজ) ও এ টি এম মাসুম রানার নাম বিশেষভাবে উল্লেখ করেন।

তিনি আরও বলেন, আজকের এই আয়োজন আমাদের সম্মিলিত সাফল্যের আনন্দ ভাগ করে নেওয়ার মুহূর্ত।
পাবলিক রিলেশন ও কালচারাল সেক্রেটারি সাদিয়া হক জানান চট্টগ্রাম ক্লাব অস্ট্রেলিয়ার পরবর্তী অনুষ্ঠান হবে ২০২৬ সালের মে মাসে। এটা হবে আরও বড় পরিসরে ও বৈচিত্র্যপূর্ণভাবে।

ট্রেজারার ড. শেখ সালাউদ্দিন জানান, এবারের মেজবানে ১২ হাজার ৮৪২ ডলার অর্থ উদ্বৃত্ত হয়েছে কেবলমাত্র সদস্যবৃন্দ এবং পৃষ্টপোষকদের অর্থনৈতিক সহযোগিতার জন্য। চট্টগ্রাম ক্লাব অস্ট্রেলিয়ার মেজবান সম্পূর্ণই ফ্রি এবং টিকিটের জন্য কাউকে কোনো অর্থ খরচ করতে হয়নি। এই উদ্যোগ সিসিএকে একটি ব্যতিক্রমী ও সত্যিকারের চ্যারিটেবল সংস্থা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অথিতি হিসেবে বক্তব্য দেন সাংবাদিক নাইম আবদুল্লাহ। আরও বক্তব্য দেন অপারেশন অ্যান্ড ডেলিভারি সেক্রেটারি মোহাম্মদ জিয়াউর রহমান, এস এস হেয়ার অ্যান্ড বিউটির নির্বাহী পরিচালক শাহরীয়াত পারভীন রিপা এবং মোটিফ বাই নিধির প্রতিষ্ঠাতা নওশিন করিম।

মধ্যাহ্নভোজের মাধ্যমে মিলনমেলার সমাপ্তি হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথিরা জানান, এ ধরনের পারিবারিক ও সৌহার্দ্যপূর্ণ আয়োজন প্রবাসী বাংলাদেশি সমাজে একতা ও বন্ধুত্বের বন্ধনকে আরও মজবুত করে তুলবে।
উল্লেখ্য, অস্ট্রেলিয়ায়প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটির সবচেয়ে বড় ও ঐতিহ্যবাহী সামাজিক আয়োজন চট্টগ্রাম ক্লাব অস্ট্রেলিয়া (সিসিএ) আয়োজিত মেজবান। যা গত ২১ সেপ্টেম্বর (রোববার) সিডনির মিন্টোতে অত্যন্ত জাঁকজমকপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হয়।
পাকিস্তানের শিয়া সম্প্রদায়ের নেতারা বলছেন, যুদ্ধ শুরুর পর বিতাড়নের ঘটনা আরও বেড়েছে। এই সংঘাতের কারণে পুরো উপসাগরীয় অঞ্চলে উত্তেজনা বেড়েছে। বিশেষ করে ইরান সংযুক্ত আরব আমিরাতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানোর পর পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে।
ইউএসসিআইএসের নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, কোনো বিদেশি যদি সাময়িকভাবে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে রয়েছেন এবং গ্রিন কার্ড পেতে চান, তবে তাকে অবশ্যই নিজ দেশে ফিরে গিয়ে আবেদন করতে হবে।
বিপুল নগদ অর্থের মজুত থাকায় যুদ্ধজনিত অর্থনৈতিক অস্থিরতায় এখন পর্যন্ত বড় ধরনের চাকরি হারানো বা বিদেশি ব্যবসার ব্যাপক প্রস্থান দেখা যায়নি। তবে অচলাবস্থা যত দীর্ঘ এবং স্বাভাবিক ব্যবসা-বাণিজ্য যত ব্যাহত হবে, আন্তর্জাতিক ব্যবসা ও বিনিয়োগ আকর্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ইউএইর ভাবমূর্তি তত বেশি ঝুঁকির মুখে পড়বে।
নিউ সাউথ ওয়েলস পুলিশের অ্যাকটিং সুপারিনটেনডেন্ট মাইকেল মরোনি গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, নিহতদের শরীরে ধারালো অস্ত্রের গুরুতর আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে, যা এতটাই বিভৎস যে বিস্তারিত প্রকাশের যোগ্য নয়।

বিপুল নগদ অর্থের মজুত থাকায় যুদ্ধজনিত অর্থনৈতিক অস্থিরতায় এখন পর্যন্ত বড় ধরনের চাকরি হারানো বা বিদেশি ব্যবসার ব্যাপক প্রস্থান দেখা যায়নি। তবে অচলাবস্থা যত দীর্ঘ এবং স্বাভাবিক ব্যবসা-বাণিজ্য যত ব্যাহত হবে, আন্তর্জাতিক ব্যবসা ও বিনিয়োগ আকর্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ইউএইর ভাবমূর্তি তত বেশি ঝুঁকির মুখে পড়বে।
১০ দিন আগে