
বিডিজেন ডেস্ক

ইসরায়েল সরকার বলেছে, ইরানে হামলা চালানোর মধ্য দিয়ে নিজেদের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য অর্জন হওয়ার পরই দেশটি যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবে সম্মতি জানিয়েছে। এক বিবৃতিতে এমন দাবি জানিয়েছে ইসরায়েল সরকার।
খবর ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির।
ওই বিবৃতিতে বলা হয়, ইসরায়েল ইরানের পারমাণবিক অস্ত্র ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের ‘দ্বিমুখী হুমকি’ দূর করেছে। ইসরায়েল ইরানের সামরিক নেতৃত্বকে ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে এবং দেশটির সরকারের গুরুত্বপূর্ণ বেশ কিছু স্থাপনা ধ্বংস করেছে।
মঙ্গলবার (২৪ জুন) ভোররাতে ইসরায়েলি বাহিনী তেহরানের কেন্দ্রস্থলে সরকারি লক্ষ্যবস্তুতে বড় ধরনের হামলা চালিয়েছে। এ সময় বাসিজ বাহিনীর কয়েক শ সদস্যকে নির্মূল করা হয়েছে। ইরানে বিক্ষোভ দমন করতে দেশটির সরকার প্রায়ই এ মিলিশিয়া বাহিনীকে ব্যবহার করে থাকে।
এ ছাড়া, ইরানের আরও একজন জ্যেষ্ঠ পরমাণু বিজ্ঞানীকে হত্যা করারও দাবি করেছে ইসরায়েল।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘প্রতিরক্ষায় সহযোগিতা এবং ইরানের পারমাণবিক হুমকি থামাতে সহযোগিতার জন্য প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ও যুক্তরাষ্ট্রকে ধন্যবাদ জানাচ্ছে ইসরায়েল।’
এদিকে কাতারভিত্তিক সম্প্রচারমাধ্যম আল জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, সরকারের ওই বিবৃতিতে আরও জানানো হয়, ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু প্রতিরক্ষামন্ত্রী ও মোসাদের প্রধানের সঙ্গে গতকাল রাতে আলোচনা করেছেন। মন্ত্রিসভার সঙ্গেও আলোচনা হয়েছে নেতানিয়াহুর। সেখানে বলা হয়েছে, ‘অপারেশন রাইজিং লায়ন’–এ সব লক্ষ্যপূরণ হয়েছে ইসরায়েলের। লক্ষ্যের চেয়ে বেশি কিছু অর্জন হয়েছে। ’
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ইসরায়েলি সেনাবাহিনী তেহরানের আকাশসীমার পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে।
যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন হলে ইসরায়েল উপযুক্ত জবাব দেবে বলেও জানানো হয় ওই বিবৃতিতে।

ইসরায়েল সরকার বলেছে, ইরানে হামলা চালানোর মধ্য দিয়ে নিজেদের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য অর্জন হওয়ার পরই দেশটি যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবে সম্মতি জানিয়েছে। এক বিবৃতিতে এমন দাবি জানিয়েছে ইসরায়েল সরকার।
খবর ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির।
ওই বিবৃতিতে বলা হয়, ইসরায়েল ইরানের পারমাণবিক অস্ত্র ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের ‘দ্বিমুখী হুমকি’ দূর করেছে। ইসরায়েল ইরানের সামরিক নেতৃত্বকে ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে এবং দেশটির সরকারের গুরুত্বপূর্ণ বেশ কিছু স্থাপনা ধ্বংস করেছে।
মঙ্গলবার (২৪ জুন) ভোররাতে ইসরায়েলি বাহিনী তেহরানের কেন্দ্রস্থলে সরকারি লক্ষ্যবস্তুতে বড় ধরনের হামলা চালিয়েছে। এ সময় বাসিজ বাহিনীর কয়েক শ সদস্যকে নির্মূল করা হয়েছে। ইরানে বিক্ষোভ দমন করতে দেশটির সরকার প্রায়ই এ মিলিশিয়া বাহিনীকে ব্যবহার করে থাকে।
এ ছাড়া, ইরানের আরও একজন জ্যেষ্ঠ পরমাণু বিজ্ঞানীকে হত্যা করারও দাবি করেছে ইসরায়েল।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘প্রতিরক্ষায় সহযোগিতা এবং ইরানের পারমাণবিক হুমকি থামাতে সহযোগিতার জন্য প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ও যুক্তরাষ্ট্রকে ধন্যবাদ জানাচ্ছে ইসরায়েল।’
এদিকে কাতারভিত্তিক সম্প্রচারমাধ্যম আল জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, সরকারের ওই বিবৃতিতে আরও জানানো হয়, ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু প্রতিরক্ষামন্ত্রী ও মোসাদের প্রধানের সঙ্গে গতকাল রাতে আলোচনা করেছেন। মন্ত্রিসভার সঙ্গেও আলোচনা হয়েছে নেতানিয়াহুর। সেখানে বলা হয়েছে, ‘অপারেশন রাইজিং লায়ন’–এ সব লক্ষ্যপূরণ হয়েছে ইসরায়েলের। লক্ষ্যের চেয়ে বেশি কিছু অর্জন হয়েছে। ’
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ইসরায়েলি সেনাবাহিনী তেহরানের আকাশসীমার পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে।
যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন হলে ইসরায়েল উপযুক্ত জবাব দেবে বলেও জানানো হয় ওই বিবৃতিতে।
তিন কূটনীতিক রয়টার্সকে জানান, কাতারের আল উদেইদ বিমানঘাঁটি থেকে কিছু আমেরিকান কর্মীকে বুধবার সন্ধ্যার মধ্যে সরে যেতে বলা হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ভিসা আবেদন যাচাই-বাছাইয়ের সময় বিদ্যমান আইনের অধীনে ভিসা প্রত্যাখ্যানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে চিঠিতে। আগামী ২১ জানুয়ারি থেকে এ নির্দেশ কার্যকর হবে এবং অভিবাসী ভিসা প্রক্রিয়াকরণ পুনর্মূল্যায়ন না করা পর্যন্ত অনির্দিষ্টকালের জন্য অব্যাহত থাকবে বলেও এতে উল্লেখ করা হয়।
রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান পরিস্থিতি এবং বৈশ্বিক আন্তর্জাতিক নিরাপত্তার জন্য ভয়াবহ পরিণতির বিষয়ে আমেরিকাকে সচেতন হতে হবে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই কর্মকর্তা জানান, নিহতদের মধ্যে বিক্ষোভকারী ও নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা রয়েছে। তবে পৃথকভাবে কতজন বিক্ষোভকারী বা কতজন নিরাপত্তা কর্মী মারা গেছে, তার কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য তিনি দেননি।