
বিডিজেন ডেস্ক

ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে চলমান উত্তেজনা নিয়ে কথা বলেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেছেন, প্রতিবেশী দুই দেশের মধ্যে এ সমস্যা নিয়ে তারা নিজেরাই সিদ্ধান্ত নেবে। নিজেরাই বিষয়গুলো মিটিয়ে ফেলবে। শুক্রবার (২৫ এপ্রিল) যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের বহনকারী বিমান এয়ারফোর্স ওয়ানে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।
খবর বার্তা সংস্থা রয়টার্সের।
সাংবাদিকদের ট্রাম্প বলেন, তিনি ভারত ও পাকিস্তান—দুই দেশের নেতাদেরই চেনেন। দেশ দুটির সীমান্ত অঞ্চলে যে ঐতিহাসিক সংঘাত চলে আসছে।
তবে কাশ্মীর ইস্যু নিয়ে ভারত ও পাকিস্তানের নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ করবেন কি না, এমন প্রশ্নের কোনো জবাব দেননি ট্রাম্প।
তাঁর মতে, ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে বড় উত্তেজনা রয়েছে। তবে এমন উত্তেজনা আগে থেকেই ছিল। তিনি বলেন, দেশ দুটি কোনো না কোনোভাবে বিষয়টি মিটিয়ে ফেলবে।
ভারতনিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরের পহেলগামের জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্র বৈসারণে মঙ্গলবার (২২ এপ্রিল) বিকেলে বন্দুকধারীরা হামলা চালায়। ওই হামলার দায় স্বীকার করেছে দ্য রেজিস্ট্যান্স ফ্রন্ট (টিআরএফ) নামের একটি সশস্ত্র গোষ্ঠী। এর পেছনে পাকিস্তান কলকাঠি নেড়েছে বলে দাবি নয়াদিল্লির। তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করেছে ইসলামাবাদ।
এদিকে পহেলগামে হামলার পর পাকিস্তানের নাগরিকদের ভিসা বাতিল ও সিন্ধু পানি চুক্তি স্থগিতসহ ৫টি পদক্ষেপ নিয়েছে ভারত। ১৯৬০ সালে ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরু ও পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট জেনারেল আইয়ুব খানের মধ্যে সিন্ধু পানিবণ্টন চুক্তি হয়েছিল। এই চুক্তি স্থগিত নিয়ে ভারতের পদক্ষেপের তীব্র সমালোচনা করেছে পাকিস্তান।
ভারতের পদক্ষেপের পাল্টা হিসেবে দেশটির নাগরিকদের ভিসা বাতিল, দ্বিপক্ষীয় চুক্তি স্থগিত, আকাশসীমা বন্ধসহ বেশ কয়েকটি পদক্ষেপ নিয়েছে পাকিস্তান। এ ছাড়া কাশ্মীরের সীমান্তের নিয়ন্ত্রণরেখায় বৃহস্পতি ও শুক্রবার রাতে দুই দেশের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনাও ঘটেছে।

ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে চলমান উত্তেজনা নিয়ে কথা বলেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেছেন, প্রতিবেশী দুই দেশের মধ্যে এ সমস্যা নিয়ে তারা নিজেরাই সিদ্ধান্ত নেবে। নিজেরাই বিষয়গুলো মিটিয়ে ফেলবে। শুক্রবার (২৫ এপ্রিল) যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের বহনকারী বিমান এয়ারফোর্স ওয়ানে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।
খবর বার্তা সংস্থা রয়টার্সের।
সাংবাদিকদের ট্রাম্প বলেন, তিনি ভারত ও পাকিস্তান—দুই দেশের নেতাদেরই চেনেন। দেশ দুটির সীমান্ত অঞ্চলে যে ঐতিহাসিক সংঘাত চলে আসছে।
তবে কাশ্মীর ইস্যু নিয়ে ভারত ও পাকিস্তানের নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ করবেন কি না, এমন প্রশ্নের কোনো জবাব দেননি ট্রাম্প।
তাঁর মতে, ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে বড় উত্তেজনা রয়েছে। তবে এমন উত্তেজনা আগে থেকেই ছিল। তিনি বলেন, দেশ দুটি কোনো না কোনোভাবে বিষয়টি মিটিয়ে ফেলবে।
ভারতনিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরের পহেলগামের জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্র বৈসারণে মঙ্গলবার (২২ এপ্রিল) বিকেলে বন্দুকধারীরা হামলা চালায়। ওই হামলার দায় স্বীকার করেছে দ্য রেজিস্ট্যান্স ফ্রন্ট (টিআরএফ) নামের একটি সশস্ত্র গোষ্ঠী। এর পেছনে পাকিস্তান কলকাঠি নেড়েছে বলে দাবি নয়াদিল্লির। তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করেছে ইসলামাবাদ।
এদিকে পহেলগামে হামলার পর পাকিস্তানের নাগরিকদের ভিসা বাতিল ও সিন্ধু পানি চুক্তি স্থগিতসহ ৫টি পদক্ষেপ নিয়েছে ভারত। ১৯৬০ সালে ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরু ও পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট জেনারেল আইয়ুব খানের মধ্যে সিন্ধু পানিবণ্টন চুক্তি হয়েছিল। এই চুক্তি স্থগিত নিয়ে ভারতের পদক্ষেপের তীব্র সমালোচনা করেছে পাকিস্তান।
ভারতের পদক্ষেপের পাল্টা হিসেবে দেশটির নাগরিকদের ভিসা বাতিল, দ্বিপক্ষীয় চুক্তি স্থগিত, আকাশসীমা বন্ধসহ বেশ কয়েকটি পদক্ষেপ নিয়েছে পাকিস্তান। এ ছাড়া কাশ্মীরের সীমান্তের নিয়ন্ত্রণরেখায় বৃহস্পতি ও শুক্রবার রাতে দুই দেশের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনাও ঘটেছে।
পাকিস্তানের শিয়া সম্প্রদায়ের নেতারা বলছেন, যুদ্ধ শুরুর পর বিতাড়নের ঘটনা আরও বেড়েছে। এই সংঘাতের কারণে পুরো উপসাগরীয় অঞ্চলে উত্তেজনা বেড়েছে। বিশেষ করে ইরান সংযুক্ত আরব আমিরাতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানোর পর পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে।
ইউএসসিআইএসের নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, কোনো বিদেশি যদি সাময়িকভাবে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে রয়েছেন এবং গ্রিন কার্ড পেতে চান, তবে তাকে অবশ্যই নিজ দেশে ফিরে গিয়ে আবেদন করতে হবে।
বিপুল নগদ অর্থের মজুত থাকায় যুদ্ধজনিত অর্থনৈতিক অস্থিরতায় এখন পর্যন্ত বড় ধরনের চাকরি হারানো বা বিদেশি ব্যবসার ব্যাপক প্রস্থান দেখা যায়নি। তবে অচলাবস্থা যত দীর্ঘ এবং স্বাভাবিক ব্যবসা-বাণিজ্য যত ব্যাহত হবে, আন্তর্জাতিক ব্যবসা ও বিনিয়োগ আকর্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ইউএইর ভাবমূর্তি তত বেশি ঝুঁকির মুখে পড়বে।
নিউ সাউথ ওয়েলস পুলিশের অ্যাকটিং সুপারিনটেনডেন্ট মাইকেল মরোনি গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, নিহতদের শরীরে ধারালো অস্ত্রের গুরুতর আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে, যা এতটাই বিভৎস যে বিস্তারিত প্রকাশের যোগ্য নয়।

বিপুল নগদ অর্থের মজুত থাকায় যুদ্ধজনিত অর্থনৈতিক অস্থিরতায় এখন পর্যন্ত বড় ধরনের চাকরি হারানো বা বিদেশি ব্যবসার ব্যাপক প্রস্থান দেখা যায়নি। তবে অচলাবস্থা যত দীর্ঘ এবং স্বাভাবিক ব্যবসা-বাণিজ্য যত ব্যাহত হবে, আন্তর্জাতিক ব্যবসা ও বিনিয়োগ আকর্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ইউএইর ভাবমূর্তি তত বেশি ঝুঁকির মুখে পড়বে।
১০ দিন আগে