
বিডিজেন ডেস্ক

ইরানে হামলার অজুহাত বানাতে দেশটির পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল অপতথ্য ছড়িয়েছে বলে অভিযোগ করেছে রাশিয়া। জাতিসংঘে নিযুক্ত রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত ভাসিলি নেবেনজিয়া এই অভিযোগ করেন।
খবর আরটির।
জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (২৪ জুন) রাশিয়ার দূত ভাসিলি বলেন, ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী অবৈধ। আর এসব হামলা তেজস্ক্রিয় দূষণের ‘বাস্তবিক ঝুঁকি তৈরি’ করেছে।
ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলো পর্যবেক্ষণের পর আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (আইএইএ) প্রতিবেদনের কথা উল্লেখ করেন রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত। তিনি বলেন, তারা জোর দিয়ে বলতে চান, আইএইএর প্রতিবেদনে এমন কিছু বলা হয়নি যে, ইরান তাদের পারমাণবিক মজুত সামরিক বা গোপন উদ্দেশ্যে ব্যবহার করছে।

ইরানে হামলার অজুহাত বানাতে দেশটির পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল অপতথ্য ছড়িয়েছে বলে অভিযোগ করেছে রাশিয়া। জাতিসংঘে নিযুক্ত রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত ভাসিলি নেবেনজিয়া এই অভিযোগ করেন।
খবর আরটির।
জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (২৪ জুন) রাশিয়ার দূত ভাসিলি বলেন, ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী অবৈধ। আর এসব হামলা তেজস্ক্রিয় দূষণের ‘বাস্তবিক ঝুঁকি তৈরি’ করেছে।
ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলো পর্যবেক্ষণের পর আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (আইএইএ) প্রতিবেদনের কথা উল্লেখ করেন রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত। তিনি বলেন, তারা জোর দিয়ে বলতে চান, আইএইএর প্রতিবেদনে এমন কিছু বলা হয়নি যে, ইরান তাদের পারমাণবিক মজুত সামরিক বা গোপন উদ্দেশ্যে ব্যবহার করছে।
তিন কূটনীতিক রয়টার্সকে জানান, কাতারের আল উদেইদ বিমানঘাঁটি থেকে কিছু আমেরিকান কর্মীকে বুধবার সন্ধ্যার মধ্যে সরে যেতে বলা হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ভিসা আবেদন যাচাই-বাছাইয়ের সময় বিদ্যমান আইনের অধীনে ভিসা প্রত্যাখ্যানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে চিঠিতে। আগামী ২১ জানুয়ারি থেকে এ নির্দেশ কার্যকর হবে এবং অভিবাসী ভিসা প্রক্রিয়াকরণ পুনর্মূল্যায়ন না করা পর্যন্ত অনির্দিষ্টকালের জন্য অব্যাহত থাকবে বলেও এতে উল্লেখ করা হয়।
রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান পরিস্থিতি এবং বৈশ্বিক আন্তর্জাতিক নিরাপত্তার জন্য ভয়াবহ পরিণতির বিষয়ে আমেরিকাকে সচেতন হতে হবে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই কর্মকর্তা জানান, নিহতদের মধ্যে বিক্ষোভকারী ও নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা রয়েছে। তবে পৃথকভাবে কতজন বিক্ষোভকারী বা কতজন নিরাপত্তা কর্মী মারা গেছে, তার কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য তিনি দেননি।