logo
প্রবাসের খবর

ট্রাম্পের ঘোষণার পর পাল্টা ব্যবস্থা নিচ্ছে কানাডা

মোহাম্মদ সাকিবুর রহমান খান, কানাডা থেকে০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৫
Copied!
ট্রাম্পের ঘোষণার পর পাল্টা ব্যবস্থা নিচ্ছে কানাডা
কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্রের পতাকা। ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কানাডার সব পণ্যের ওপর শাস্তিমূলক শুল্ক আরোপের মাধ্যমে বাণিজ্যযুদ্ধ শুরু করার পর কানাডা পাল্টা ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে।

গতকাল স্থানীয় সময় শনিবার (১ ফেব্রুয়ারি) রাতে প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো জানান, ফেডারেল সরকার যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে কঠোর প্রতিশোধমূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করবে। ট্রুডো স্পষ্ট করে বলেন, ‘আমরা এমন একটি দেশের আক্রমণ মেনে নেব না, যে দেশ নিজেকে আমাদের মিত্র ও বন্ধু বলে দাবি করে।’

ট্রাম্প প্রশাসনের এই পদক্ষেপকে কানাডার অর্থনীতির ওপর আঘাত হিসেবে আখ্যা দিয়ে ট্রুডো বলেন, তাঁর দেশও পাল্টা শুল্ক আরোপ করবে। তাঁর ঘোষণামতে, মঙ্গলবার থেকে কানাডায় আসা যুক্তরাষ্ট্রের ৩০ বিলিয়ন ডলার মূল্যের পণ্যের ওপর ২৫ শতাংশ শুল্ক কার্যকর হবে। আগামী তিন সপ্তাহের মধ্যে আরও ১২৫ বিলিয়ন ডলার মূল্যের আমদানি পণ্য এই শুল্কের আওতায় আসবে।

ট্রুডো বলেন, ‘আমরা এ অবস্থানে আসতে চাইনি, কিন্তু কানাডিয়ানদের স্বার্থরক্ষায় আমরা কোনোভাবেই পিছপা হব না।’

প্রতিশোধমূলক শুল্কের আওতায় প্রথম পর্যায়ে আসছে আমেরিকান বিয়ার, ওয়াইন, স্পিরিট, শাকসবজি, পোশাক, জুতা ও সুগন্ধি। এ ছাড়া গৃহস্থালি যন্ত্রপাতি, আসবাবপত্র এবং ক্রীড়া সরঞ্জামের মতো আমেরিকান ভোগ্যপণ্যের ওপরও শুল্ক আরোপ করা হবে বলে জানিয়েছেন ট্রুডো।

তিনি আরও জানান, ট্রাম্পের এই বাণিজ্যিক শত্রুতার বিরুদ্ধে কেবল শুল্ক আরোপই নয়, কানাডা আরও কঠোর অ-শুল্ক বাণিজ্য পদক্ষেপ গ্রহণের কথা বিবেচনা করছে। এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ খনিজ ও জ্বালানি পণ্যের রপ্তানিতে বিধিনিষেধ এবং আমেরিকান কোম্পানিগুলোর জন্য সরকারি দরপত্র নিষিদ্ধ করার মতো সিদ্ধান্ত অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে।

বিশ্লেষকদের মতে, এই বাণিজ্যযুদ্ধ উত্তর আমেরিকার অর্থনীতিতে ব্যাপক প্রভাব ফেলতে পারে। কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দীর্ঘদিনের ঘনিষ্ঠ বাণিজ্যিক সম্পর্ক থাকলেও সাম্প্রতিক শুল্ক নীতির কারণে দুই দেশের সম্পর্ক নতুন সংকটে পড়েছে।

আরও দেখুন

আমিরাতে বিতাড়নের শিকার হচ্ছেন পাকিস্তানি শিয়ারা, জমানো অর্থ–লাগেজ কিছুই নিতে পারছেন না

আমিরাতে বিতাড়নের শিকার হচ্ছেন পাকিস্তানি শিয়ারা, জমানো অর্থ–লাগেজ কিছুই নিতে পারছেন না

পাকিস্তানের শিয়া সম্প্রদায়ের নেতারা বলছেন, যুদ্ধ শুরুর পর বিতাড়নের ঘটনা আরও বেড়েছে। এই সংঘাতের কারণে পুরো উপসাগরীয় অঞ্চলে উত্তেজনা বেড়েছে। বিশেষ করে ইরান সংযুক্ত আরব আমিরাতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানোর পর পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে।

৪ দিন আগে

আমেরিকার গ্রিন কার্ড পেতে হলে ফিরতে হবে নিজ দেশে

আমেরিকার গ্রিন কার্ড পেতে হলে ফিরতে হবে নিজ দেশে

ইউএসসিআইএসের নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, কোনো বিদেশি যদি সাময়িকভাবে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে রয়েছেন এবং গ্রিন কার্ড পেতে চান, তবে তাকে অবশ্যই নিজ দেশে ফিরে গিয়ে আবেদন করতে হবে।

৬ দিন আগে

যুদ্ধের কারণে মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপদ আশ্রয় হিসেবে আমিরাতের ভাবমূর্তি চ্যালেঞ্জের মুখে

যুদ্ধের কারণে মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপদ আশ্রয় হিসেবে আমিরাতের ভাবমূর্তি চ্যালেঞ্জের মুখে

বিপুল নগদ অর্থের মজুত থাকায় যুদ্ধজনিত অর্থনৈতিক অস্থিরতায় এখন পর্যন্ত বড় ধরনের চাকরি হারানো বা বিদেশি ব্যবসার ব্যাপক প্রস্থান দেখা যায়নি। তবে অচলাবস্থা যত দীর্ঘ এবং স্বাভাবিক ব্যবসা-বাণিজ্য যত ব্যাহত হবে, আন্তর্জাতিক ব্যবসা ও বিনিয়োগ আকর্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ইউএইর ভাবমূর্তি তত বেশি ঝুঁকির মুখে পড়বে।

১০ দিন আগে

অস্ট্রেলিয়ায় স্ত্রী ও দুই প্রতিবন্ধী সন্তান হত্যার অভিযোগে বাংলাদেশি গ্রেপ্তার

অস্ট্রেলিয়ায় স্ত্রী ও দুই প্রতিবন্ধী সন্তান হত্যার অভিযোগে বাংলাদেশি গ্রেপ্তার

নিউ সাউথ ওয়েলস পুলিশের অ্যাকটিং সুপারিনটেনডেন্ট মাইকেল মরোনি গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, নিহতদের শরীরে ধারালো অস্ত্রের গুরুতর আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে, যা এতটাই বিভৎস যে বিস্তারিত প্রকাশের যোগ্য নয়।

১১ দিন আগে