
বিডিজেন ডেস্ক

জাতিসংঘের বাণিজ্য ও উন্নয়ন বিষয়ক সম্মেলনের ১৬তম মন্ত্রীপর্যায়ের শীর্ষ অধিবেশন (আঙ্কটাড ১৬) জেনেভা কনসেনসাসের মধ্য দিয়ে সফলভাবে সমাপ্ত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৩ অক্টোবর) জেনেভায় স্থানীয় সময় মধ্যরাতে কনসেনসাস গৃহীত হয়। ২০-২৩ অক্টোবর অনুষ্ঠিত সম্মেলনটি আয়োজন করে সুইজারল্যান্ড সরকার ও আঙ্কটাড। সম্মেলনে অংশ নেন বিভিন্ন দেশের বাণিজ্য ও অর্থমন্ত্রী, বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রধান, নীতি বিশেষজ্ঞ, বেসরকারি খাত ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি ও তরুণ নেতৃত্বেরা।
জেনেভায় নিয়োজিত বাংলাদেশের স্থায়ী এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানিয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ১৯৬৪ সাল থেকে প্রতি চার বছর অন্তর আয়োজিত আঙ্কটাড সম্মেলন সংস্থাটির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী অধিবেশন। এবারের সম্মেলনের প্রতিপাদ্য বিষয় ছিল ‘ভবিষ্যৎ নির্মাণ: ন্যায্য, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই উন্নয়নের জন্য অর্থনৈতিক রূপান্তর’।
মূল সম্মেলনে বিগত ১১ মাসব্যাপী নেগোসিয়েশনের মাধ্যমে চূড়ান্ত ‘জেনেভা কনসেনসাস’ শীর্ষক আউটকাম ডকুমেন্ট গৃহীত হয়। এই গুরুত্বপূর্ণ দলিলে আগামী চার বছরের জন্য আঙ্কটাডের কর্মপরিধি নির্ধারণ করা হয়েছে।
সম্মেলনের বিভিন্ন আলোচনায় বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক আর্থিক ব্যবস্থা পুনর্গঠনের দাবি পুনর্ব্যক্ত করে। অধিকন্তু বাংলাদেশ উন্নয়ন অর্থায়নের ঘাটতি, ঋণের চাপ এবং এলডিসি ও অন্য উন্নয়নশীল দেশসমূহের ওপর বৈশ্বিক অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের বহুমাত্রিক প্রভাব মোকাবিলায় শক্তিশালী আন্তর্জাতিক সহযোগিতার আহ্বান জানায়।
জেনেভায় বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনের কূটনৈতিক প্রচেষ্টার ফলশ্রুতিতে জেনেভা কনসেনসাসে গ্রাজুয়েশন পরবর্তী সময়ে এলডিসি দেশগুলোর জন্য বিশেষ আন্তর্জাতিক সহায়তা নিশ্চিতের দাবি অন্তর্ভুক্ত হয়। এলডিসি থেকে উত্তরণের পর দেশগুলোর স্মুথ ট্রানজিশন তথা মসৃণ উত্তরণ নিশ্চিত করতে বিশেষ সহায়তা ব্যবস্থা অব্যাহত রাখার গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে। সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণভাবে ‘জেনেভা কনসেনসাস’ শীর্ষক আউটকাম ডকুমেন্টে আঙ্কটাডকে একটি বিশেষ ‘গ্রাজুয়েটিং সাপোর্ট প্রোগ্রাম’ প্রণয়নের ম্যান্ডেট দেওয়া হয়েছে—যা বাংলাদেশসহ গ্রাজুয়েশনের পথে থাকা অন্য এলডিসি দেশগুলোর জন্য বড় ধরনের সাফল্য।
এ ছাড়া প্রযুক্তি হস্তান্তর, এলডিসি দেশগুলোর উৎপাদন সক্ষমতা বৃদ্ধি, বিনিয়োগ প্রবাহ নিশ্চিতকরণ, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা এবং ডিজিটাল বৈষম্য হ্রাসের বিষয়ের মতো আলোচনায় স্বল্পোন্নত ও উন্নয়নশীল দেশসমূহের অবস্থান এবং ন্যায্য দাবি জেনেভা কনসেনসাসে প্রতিফলিত করতে বাংলাদেশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশের পক্ষ থেকে জেনেভা কনসেনসাস গৃহীত হওয়ার নেগোসিয়েশনে বাংলাদেশের স্বার্থ রক্ষায় বাংলাদেশে স্থায়ী মিশনের প্রথম সচিব (রাজনৈতিক) আবদুল্লাহ বিন মাহবুব, প্রথম সচিব (রাজনৈতিক) মাসুদ পারভেজ ও কাউন্সেলর (বাণিজ্য) সেলিম হোসেন সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন।
বাণিজ্যসচিব মাহবুবুর রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ সরকারের একটি প্রতিনিধিদল এই সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেন। বাণিজ্যসচিব সাধারণ বিতর্কে বক্তব্য দেওয়া ছাড়াও বেশ কয়েকটি উচ্চপর্যায়ের মন্ত্রিসভা, গোলটেবিল বৈঠক ও নীতি সংলাপে অংশগ্রহণ করেন। পাশাপাশি তিনি আঙ্কটাড মহাসচিব রেবেকা গ্রিনস্প্যান এবং জাতিসংঘের এলডিসি বিষয়ক দপ্তরের (OHRLLS) উচ্চ প্রতিনিধি ও আন্ডার-সেক্রেটারি জেনারেল রাবাব ফাতিমার সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেন।

জাতিসংঘের বাণিজ্য ও উন্নয়ন বিষয়ক সম্মেলনের ১৬তম মন্ত্রীপর্যায়ের শীর্ষ অধিবেশন (আঙ্কটাড ১৬) জেনেভা কনসেনসাসের মধ্য দিয়ে সফলভাবে সমাপ্ত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৩ অক্টোবর) জেনেভায় স্থানীয় সময় মধ্যরাতে কনসেনসাস গৃহীত হয়। ২০-২৩ অক্টোবর অনুষ্ঠিত সম্মেলনটি আয়োজন করে সুইজারল্যান্ড সরকার ও আঙ্কটাড। সম্মেলনে অংশ নেন বিভিন্ন দেশের বাণিজ্য ও অর্থমন্ত্রী, বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রধান, নীতি বিশেষজ্ঞ, বেসরকারি খাত ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি ও তরুণ নেতৃত্বেরা।
জেনেভায় নিয়োজিত বাংলাদেশের স্থায়ী এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানিয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ১৯৬৪ সাল থেকে প্রতি চার বছর অন্তর আয়োজিত আঙ্কটাড সম্মেলন সংস্থাটির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী অধিবেশন। এবারের সম্মেলনের প্রতিপাদ্য বিষয় ছিল ‘ভবিষ্যৎ নির্মাণ: ন্যায্য, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই উন্নয়নের জন্য অর্থনৈতিক রূপান্তর’।
মূল সম্মেলনে বিগত ১১ মাসব্যাপী নেগোসিয়েশনের মাধ্যমে চূড়ান্ত ‘জেনেভা কনসেনসাস’ শীর্ষক আউটকাম ডকুমেন্ট গৃহীত হয়। এই গুরুত্বপূর্ণ দলিলে আগামী চার বছরের জন্য আঙ্কটাডের কর্মপরিধি নির্ধারণ করা হয়েছে।
সম্মেলনের বিভিন্ন আলোচনায় বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক আর্থিক ব্যবস্থা পুনর্গঠনের দাবি পুনর্ব্যক্ত করে। অধিকন্তু বাংলাদেশ উন্নয়ন অর্থায়নের ঘাটতি, ঋণের চাপ এবং এলডিসি ও অন্য উন্নয়নশীল দেশসমূহের ওপর বৈশ্বিক অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের বহুমাত্রিক প্রভাব মোকাবিলায় শক্তিশালী আন্তর্জাতিক সহযোগিতার আহ্বান জানায়।
জেনেভায় বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনের কূটনৈতিক প্রচেষ্টার ফলশ্রুতিতে জেনেভা কনসেনসাসে গ্রাজুয়েশন পরবর্তী সময়ে এলডিসি দেশগুলোর জন্য বিশেষ আন্তর্জাতিক সহায়তা নিশ্চিতের দাবি অন্তর্ভুক্ত হয়। এলডিসি থেকে উত্তরণের পর দেশগুলোর স্মুথ ট্রানজিশন তথা মসৃণ উত্তরণ নিশ্চিত করতে বিশেষ সহায়তা ব্যবস্থা অব্যাহত রাখার গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে। সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণভাবে ‘জেনেভা কনসেনসাস’ শীর্ষক আউটকাম ডকুমেন্টে আঙ্কটাডকে একটি বিশেষ ‘গ্রাজুয়েটিং সাপোর্ট প্রোগ্রাম’ প্রণয়নের ম্যান্ডেট দেওয়া হয়েছে—যা বাংলাদেশসহ গ্রাজুয়েশনের পথে থাকা অন্য এলডিসি দেশগুলোর জন্য বড় ধরনের সাফল্য।
এ ছাড়া প্রযুক্তি হস্তান্তর, এলডিসি দেশগুলোর উৎপাদন সক্ষমতা বৃদ্ধি, বিনিয়োগ প্রবাহ নিশ্চিতকরণ, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা এবং ডিজিটাল বৈষম্য হ্রাসের বিষয়ের মতো আলোচনায় স্বল্পোন্নত ও উন্নয়নশীল দেশসমূহের অবস্থান এবং ন্যায্য দাবি জেনেভা কনসেনসাসে প্রতিফলিত করতে বাংলাদেশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশের পক্ষ থেকে জেনেভা কনসেনসাস গৃহীত হওয়ার নেগোসিয়েশনে বাংলাদেশের স্বার্থ রক্ষায় বাংলাদেশে স্থায়ী মিশনের প্রথম সচিব (রাজনৈতিক) আবদুল্লাহ বিন মাহবুব, প্রথম সচিব (রাজনৈতিক) মাসুদ পারভেজ ও কাউন্সেলর (বাণিজ্য) সেলিম হোসেন সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন।
বাণিজ্যসচিব মাহবুবুর রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ সরকারের একটি প্রতিনিধিদল এই সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেন। বাণিজ্যসচিব সাধারণ বিতর্কে বক্তব্য দেওয়া ছাড়াও বেশ কয়েকটি উচ্চপর্যায়ের মন্ত্রিসভা, গোলটেবিল বৈঠক ও নীতি সংলাপে অংশগ্রহণ করেন। পাশাপাশি তিনি আঙ্কটাড মহাসচিব রেবেকা গ্রিনস্প্যান এবং জাতিসংঘের এলডিসি বিষয়ক দপ্তরের (OHRLLS) উচ্চ প্রতিনিধি ও আন্ডার-সেক্রেটারি জেনারেল রাবাব ফাতিমার সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেন।
পাকিস্তানের শিয়া সম্প্রদায়ের নেতারা বলছেন, যুদ্ধ শুরুর পর বিতাড়নের ঘটনা আরও বেড়েছে। এই সংঘাতের কারণে পুরো উপসাগরীয় অঞ্চলে উত্তেজনা বেড়েছে। বিশেষ করে ইরান সংযুক্ত আরব আমিরাতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানোর পর পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে।
ইউএসসিআইএসের নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, কোনো বিদেশি যদি সাময়িকভাবে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে রয়েছেন এবং গ্রিন কার্ড পেতে চান, তবে তাকে অবশ্যই নিজ দেশে ফিরে গিয়ে আবেদন করতে হবে।
বিপুল নগদ অর্থের মজুত থাকায় যুদ্ধজনিত অর্থনৈতিক অস্থিরতায় এখন পর্যন্ত বড় ধরনের চাকরি হারানো বা বিদেশি ব্যবসার ব্যাপক প্রস্থান দেখা যায়নি। তবে অচলাবস্থা যত দীর্ঘ এবং স্বাভাবিক ব্যবসা-বাণিজ্য যত ব্যাহত হবে, আন্তর্জাতিক ব্যবসা ও বিনিয়োগ আকর্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ইউএইর ভাবমূর্তি তত বেশি ঝুঁকির মুখে পড়বে।
নিউ সাউথ ওয়েলস পুলিশের অ্যাকটিং সুপারিনটেনডেন্ট মাইকেল মরোনি গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, নিহতদের শরীরে ধারালো অস্ত্রের গুরুতর আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে, যা এতটাই বিভৎস যে বিস্তারিত প্রকাশের যোগ্য নয়।

বিপুল নগদ অর্থের মজুত থাকায় যুদ্ধজনিত অর্থনৈতিক অস্থিরতায় এখন পর্যন্ত বড় ধরনের চাকরি হারানো বা বিদেশি ব্যবসার ব্যাপক প্রস্থান দেখা যায়নি। তবে অচলাবস্থা যত দীর্ঘ এবং স্বাভাবিক ব্যবসা-বাণিজ্য যত ব্যাহত হবে, আন্তর্জাতিক ব্যবসা ও বিনিয়োগ আকর্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ইউএইর ভাবমূর্তি তত বেশি ঝুঁকির মুখে পড়বে।
১০ দিন আগে