
বিডিজেন ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের গাজা দখল এবং এখানকার বাসিন্দাদের বাস্তুচ্যুত করার পরিকল্পনার বিরুদ্ধে আরব লিগের বিকল্প প্রস্তাব আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রহণ করেছে ইসলামিক সহযোগিতা সংস্থা (ওআইসি)। সৌদি আরবের জেদ্দায় শনিবার (৮ মার্চ) ওআইসির এক জরুরি বৈঠক শেষে এ প্রস্তাব গ্রহণ করা হয়। এ সময় ওআইসির পক্ষ থেকে আঞ্চলিক উদ্যোগকে সমর্থন করার জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানানো হয়।
বার্তা সংস্থা এএফপি জেদ্দা থেকে এ খবর দিয়েছে।
মিসরের কায়রোতে গত মঙ্গলবার আরব লিগের এক সম্মেলনে গাজা পুনর্গঠনে মিসরের দেওয়া প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়। এর ৩ দিন পর জেদ্দায় ৫৭ সদস্যের ওআইসির বৈঠকে প্রস্তাবটি আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রহণ করা হয়েছে।
ট্রাম্পের প্রস্তাবের বিকল্প মিসরের প্রস্তাবে গাজা পুনর্গঠনে এর ভবিষ্যৎ প্রশাসন ফিলিস্তিন কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে এর দখল নেওয়ার বিষয়টিতে ব্যাপক নিন্দা জানানো হয়েছে।
ওআইসির বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ওআইসি গাজার দ্রুত পুনরুদ্ধার এবং পুনর্গঠনের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। মুসলিম বিশ্বের প্রতিনিধিত্বকারী এই সংস্থা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এবং আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক তহবিল সংস্থাগুলোকে দ্রুত এ পরিকল্পনার জন্য প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদানের আহ্বান জানিয়েছে।
যুদ্ধ–পরবর্তী গাজায় নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে চায় ট্রাম্প প্রশাসন। গাজা জোর করে খালি করার পরিকল্পনাও রয়েছে ট্রাম্পের। ট্রাম্পের প্রস্তাবে গাজাবাসীকে জর্ডান ও মিসরে সরিয়ে দিতে বলা হয়েছিল।
মিসরের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বদর আবদেলাত্তি ওআইসির অনুমোদনকে স্বাগত জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, এখন যুক্তরাষ্ট্রসহ বৃহত্তর আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সমর্থন পাওয়ার আশা করছেন। তিনি আরও বলেন, পরবর্তী পদক্ষেপ হলো ইউরোপীয় ইউনিয়ন, জাপান, রাশিয়া, চীন এবং আন্তর্জাতিক অন্য পক্ষগুলোর কাছ থেকে সমর্থনের মাধ্যমে একে আন্তর্জাতিক পরিকল্পনায় পরিণত করা। এ লক্ষ্য থেকে যুক্তরাষ্ট্রসহ অন্য পক্ষগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে।
কায়রোর আল-আহরাম সেন্টার ফর পলিটিক্যাল অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজের রাভা সাইফ আল্লাম বলেন, ট্রাম্পের পরিকল্পনা আরব দেশগুলোকে বিরোধী কাতারে ঐক্যবদ্ধ করেছে। মিসর তার প্রস্তাবের জন্য আরও বড় পরিসরে সমর্থন চাইছে। রাভা আরও বলেন, এটি গাজা থেকে ফিলিস্তিনিদের বাস্তুচ্যুতি প্রত্যাখ্যান করে—এমন একটি বিস্তৃত জোট গঠনের একটি প্রচেষ্টা
জিম্মিদের আহ্বান
হামাসের হাত থেকে মুক্ত হয়ে ইসরায়েলে ফেরা ৫৬ জিম্মি ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে গাজা যুদ্ধবিরতি পূর্ণ বাস্তবায়নের আহ্বান জানিয়েছেন ও হামাসের হাতে থাকা বাকি জিম্মিদের মুক্ত করতে বলেছেন। গত শুক্রবার ৫৬ জিম্মি ইনস্টাগ্রামে একটি চিঠি পোস্ট করেন। তাতে তারা লিখেছেন, ‘আমরা যারা সেই নরক অভিজ্ঞতা অর্জন করেছি, তারা জানি যে যুদ্ধে ফিরে যাওয়া বাকি জিম্মিদের জীবনের জন্য হুমকিস্বরূপ। একবারে একসঙ্গে সব জিম্মিকে মুক্ত করতে চুক্তিটি সম্পূর্ণরূপে বাস্তবায়ন করুন।’
প্রথম ধাপে ৬ সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি চুক্তি ১ মার্চ শেষ হয়। ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলের হামলা চালানোর সময় ২৫১ জনকে জিম্মি করে হামাস। এখনো হামাসের হাতে ৫৮ জিম্মি রয়েছে।
গতকাল যুদ্ধবিরতির দ্বিতীয় ধাপ দিয়ে মধ্যস্থতাকারী মিসরের সঙ্গে হামাসের প্রতিনিধিদলের বৈঠক হওয়ার কথা। হামাসের এক কর্মকর্তা বলেন, বৈঠকে যুদ্ধবিরতি বাস্তবায়ন ও গাজায় ত্রাণসহায়তা প্রবেশের অনুমতিসহ সাম্প্রতিক বিষয়ে আলোচনা হবে। তাঁরা স্থায়ী যুদ্ধবিরতি চান।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের গাজা দখল এবং এখানকার বাসিন্দাদের বাস্তুচ্যুত করার পরিকল্পনার বিরুদ্ধে আরব লিগের বিকল্প প্রস্তাব আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রহণ করেছে ইসলামিক সহযোগিতা সংস্থা (ওআইসি)। সৌদি আরবের জেদ্দায় শনিবার (৮ মার্চ) ওআইসির এক জরুরি বৈঠক শেষে এ প্রস্তাব গ্রহণ করা হয়। এ সময় ওআইসির পক্ষ থেকে আঞ্চলিক উদ্যোগকে সমর্থন করার জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানানো হয়।
বার্তা সংস্থা এএফপি জেদ্দা থেকে এ খবর দিয়েছে।
মিসরের কায়রোতে গত মঙ্গলবার আরব লিগের এক সম্মেলনে গাজা পুনর্গঠনে মিসরের দেওয়া প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়। এর ৩ দিন পর জেদ্দায় ৫৭ সদস্যের ওআইসির বৈঠকে প্রস্তাবটি আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রহণ করা হয়েছে।
ট্রাম্পের প্রস্তাবের বিকল্প মিসরের প্রস্তাবে গাজা পুনর্গঠনে এর ভবিষ্যৎ প্রশাসন ফিলিস্তিন কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে এর দখল নেওয়ার বিষয়টিতে ব্যাপক নিন্দা জানানো হয়েছে।
ওআইসির বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ওআইসি গাজার দ্রুত পুনরুদ্ধার এবং পুনর্গঠনের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। মুসলিম বিশ্বের প্রতিনিধিত্বকারী এই সংস্থা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এবং আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক তহবিল সংস্থাগুলোকে দ্রুত এ পরিকল্পনার জন্য প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদানের আহ্বান জানিয়েছে।
যুদ্ধ–পরবর্তী গাজায় নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে চায় ট্রাম্প প্রশাসন। গাজা জোর করে খালি করার পরিকল্পনাও রয়েছে ট্রাম্পের। ট্রাম্পের প্রস্তাবে গাজাবাসীকে জর্ডান ও মিসরে সরিয়ে দিতে বলা হয়েছিল।
মিসরের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বদর আবদেলাত্তি ওআইসির অনুমোদনকে স্বাগত জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, এখন যুক্তরাষ্ট্রসহ বৃহত্তর আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সমর্থন পাওয়ার আশা করছেন। তিনি আরও বলেন, পরবর্তী পদক্ষেপ হলো ইউরোপীয় ইউনিয়ন, জাপান, রাশিয়া, চীন এবং আন্তর্জাতিক অন্য পক্ষগুলোর কাছ থেকে সমর্থনের মাধ্যমে একে আন্তর্জাতিক পরিকল্পনায় পরিণত করা। এ লক্ষ্য থেকে যুক্তরাষ্ট্রসহ অন্য পক্ষগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে।
কায়রোর আল-আহরাম সেন্টার ফর পলিটিক্যাল অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজের রাভা সাইফ আল্লাম বলেন, ট্রাম্পের পরিকল্পনা আরব দেশগুলোকে বিরোধী কাতারে ঐক্যবদ্ধ করেছে। মিসর তার প্রস্তাবের জন্য আরও বড় পরিসরে সমর্থন চাইছে। রাভা আরও বলেন, এটি গাজা থেকে ফিলিস্তিনিদের বাস্তুচ্যুতি প্রত্যাখ্যান করে—এমন একটি বিস্তৃত জোট গঠনের একটি প্রচেষ্টা
জিম্মিদের আহ্বান
হামাসের হাত থেকে মুক্ত হয়ে ইসরায়েলে ফেরা ৫৬ জিম্মি ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে গাজা যুদ্ধবিরতি পূর্ণ বাস্তবায়নের আহ্বান জানিয়েছেন ও হামাসের হাতে থাকা বাকি জিম্মিদের মুক্ত করতে বলেছেন। গত শুক্রবার ৫৬ জিম্মি ইনস্টাগ্রামে একটি চিঠি পোস্ট করেন। তাতে তারা লিখেছেন, ‘আমরা যারা সেই নরক অভিজ্ঞতা অর্জন করেছি, তারা জানি যে যুদ্ধে ফিরে যাওয়া বাকি জিম্মিদের জীবনের জন্য হুমকিস্বরূপ। একবারে একসঙ্গে সব জিম্মিকে মুক্ত করতে চুক্তিটি সম্পূর্ণরূপে বাস্তবায়ন করুন।’
প্রথম ধাপে ৬ সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি চুক্তি ১ মার্চ শেষ হয়। ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলের হামলা চালানোর সময় ২৫১ জনকে জিম্মি করে হামাস। এখনো হামাসের হাতে ৫৮ জিম্মি রয়েছে।
গতকাল যুদ্ধবিরতির দ্বিতীয় ধাপ দিয়ে মধ্যস্থতাকারী মিসরের সঙ্গে হামাসের প্রতিনিধিদলের বৈঠক হওয়ার কথা। হামাসের এক কর্মকর্তা বলেন, বৈঠকে যুদ্ধবিরতি বাস্তবায়ন ও গাজায় ত্রাণসহায়তা প্রবেশের অনুমতিসহ সাম্প্রতিক বিষয়ে আলোচনা হবে। তাঁরা স্থায়ী যুদ্ধবিরতি চান।
পাকিস্তানের শিয়া সম্প্রদায়ের নেতারা বলছেন, যুদ্ধ শুরুর পর বিতাড়নের ঘটনা আরও বেড়েছে। এই সংঘাতের কারণে পুরো উপসাগরীয় অঞ্চলে উত্তেজনা বেড়েছে। বিশেষ করে ইরান সংযুক্ত আরব আমিরাতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানোর পর পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে।
ইউএসসিআইএসের নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, কোনো বিদেশি যদি সাময়িকভাবে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে রয়েছেন এবং গ্রিন কার্ড পেতে চান, তবে তাকে অবশ্যই নিজ দেশে ফিরে গিয়ে আবেদন করতে হবে।
বিপুল নগদ অর্থের মজুত থাকায় যুদ্ধজনিত অর্থনৈতিক অস্থিরতায় এখন পর্যন্ত বড় ধরনের চাকরি হারানো বা বিদেশি ব্যবসার ব্যাপক প্রস্থান দেখা যায়নি। তবে অচলাবস্থা যত দীর্ঘ এবং স্বাভাবিক ব্যবসা-বাণিজ্য যত ব্যাহত হবে, আন্তর্জাতিক ব্যবসা ও বিনিয়োগ আকর্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ইউএইর ভাবমূর্তি তত বেশি ঝুঁকির মুখে পড়বে।
নিউ সাউথ ওয়েলস পুলিশের অ্যাকটিং সুপারিনটেনডেন্ট মাইকেল মরোনি গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, নিহতদের শরীরে ধারালো অস্ত্রের গুরুতর আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে, যা এতটাই বিভৎস যে বিস্তারিত প্রকাশের যোগ্য নয়।

বিপুল নগদ অর্থের মজুত থাকায় যুদ্ধজনিত অর্থনৈতিক অস্থিরতায় এখন পর্যন্ত বড় ধরনের চাকরি হারানো বা বিদেশি ব্যবসার ব্যাপক প্রস্থান দেখা যায়নি। তবে অচলাবস্থা যত দীর্ঘ এবং স্বাভাবিক ব্যবসা-বাণিজ্য যত ব্যাহত হবে, আন্তর্জাতিক ব্যবসা ও বিনিয়োগ আকর্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ইউএইর ভাবমূর্তি তত বেশি ঝুঁকির মুখে পড়বে।
১০ দিন আগে