
প্রতিনিধি, কুয়ালালামপুর

মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরে চট্টগ্রাম সমিতি মালয়েশিয়ার উদ্যোগে সংবর্ধিত হলেন জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর মোজাহের ইসলাম।
সোমবার (৮ ডিসেম্বর) স্থানীয় সময় সন্ধ্যায় কুয়ালালামপুরের হাংতুয়ায় চকোলেট রেস্টুরেন্টে অনুষ্ঠিত এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন চট্টগ্রাম সমিতি মালয়েশিয়ার সভাপতি ইসকান্দর মনি।

সমিতির সাধারণ সম্পাদক সাদেক উল্লাহর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন সমিতির প্রধান উপদেষ্টা সাংবাদিক রফিক আহমদ খান, সিনিয়র সহ সভাপতি ফজলে নুর বাপ্পি, সহ সভাপতি হেলাল উদ্দিন, মো: সাইফুদ্দিন, মো. জসীম উদ্দীন ও আরমানুল ইসলাম।

সভায় সংবর্ধিত অতিথি মোজাহের ইসলাম বলেন , "মালয়েশিয়ায় ঘুরতে এসে এখানে প্রবাসী চট্টগ্রামবাসীদের যে ভালোবাসা পেয়েছি তা অতুলনীয়। আমার মনেই হচ্ছে না চট্টগ্রামের বাইরে আছি। কুয়ালালামপুরের হাংতুয়া যেন একখণ্ড চট্টগ্রাম। চাটগাঁইয়া মানুষ একে অপরের প্রতি আসলেই অনেক আন্তরিক। এটাই আমাদের চট্টগ্রামের মানুষের বৈশিষ্ট। "

রফিক আহমদ খান তার বক্তব্যে কনটেন্ট ক্রিয়েটর মোজাহের ইসলাম মোজাহের ভাইয়ের মানবিক কাজগুলো তুলে ধরে বলেন, ' কনটেন্ট নির্মাণের উদ্দেশ্য শুধুমাত্র আনন্দ বিনোদন ও টাকা আয়ের পথ না, এর মাধ্যমে মানুষের উপকার ও শিক্ষানীয় নানা বিষয় তুলে ধরা যায়। যা মোজাহের ইসলাম করে যাচ্ছেন। "
ফজলে নুর বাপ্পি চট্টগ্রাম সমিতি মালয়েশিয়ার নানা মানবিক কাজগুলো তুলে ধরেন।

অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন নাঈম উদ্দিন সুমন, মোহাম্মদ সামাদ, মোহাম্মদ মহিউদ্দিন, মোস্তাক আল আমিন, মোহাম্মদ হারুন, জাকারিয়া ফারুকী, আব্দুল আজিজ বাবুল, রাশেদুল ইসলাম রাশেল, তানজিম, শহিদুল ইসলাম ও মোহাম্মদ সাইফুল।
উল্লেখ্য, চট্টগ্রাম তথা বাংলাদেশের কনটেন্ট ক্রিয়েটর মোজাহের ইসলাম। তিনি স্যোশাল মিডিয়ায় তার দর্শকদের কাছে 'মোজাহের ভাই' নামে পরিচিত।

মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরে চট্টগ্রাম সমিতি মালয়েশিয়ার উদ্যোগে সংবর্ধিত হলেন জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর মোজাহের ইসলাম।
সোমবার (৮ ডিসেম্বর) স্থানীয় সময় সন্ধ্যায় কুয়ালালামপুরের হাংতুয়ায় চকোলেট রেস্টুরেন্টে অনুষ্ঠিত এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন চট্টগ্রাম সমিতি মালয়েশিয়ার সভাপতি ইসকান্দর মনি।

সমিতির সাধারণ সম্পাদক সাদেক উল্লাহর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন সমিতির প্রধান উপদেষ্টা সাংবাদিক রফিক আহমদ খান, সিনিয়র সহ সভাপতি ফজলে নুর বাপ্পি, সহ সভাপতি হেলাল উদ্দিন, মো: সাইফুদ্দিন, মো. জসীম উদ্দীন ও আরমানুল ইসলাম।

সভায় সংবর্ধিত অতিথি মোজাহের ইসলাম বলেন , "মালয়েশিয়ায় ঘুরতে এসে এখানে প্রবাসী চট্টগ্রামবাসীদের যে ভালোবাসা পেয়েছি তা অতুলনীয়। আমার মনেই হচ্ছে না চট্টগ্রামের বাইরে আছি। কুয়ালালামপুরের হাংতুয়া যেন একখণ্ড চট্টগ্রাম। চাটগাঁইয়া মানুষ একে অপরের প্রতি আসলেই অনেক আন্তরিক। এটাই আমাদের চট্টগ্রামের মানুষের বৈশিষ্ট। "

রফিক আহমদ খান তার বক্তব্যে কনটেন্ট ক্রিয়েটর মোজাহের ইসলাম মোজাহের ভাইয়ের মানবিক কাজগুলো তুলে ধরে বলেন, ' কনটেন্ট নির্মাণের উদ্দেশ্য শুধুমাত্র আনন্দ বিনোদন ও টাকা আয়ের পথ না, এর মাধ্যমে মানুষের উপকার ও শিক্ষানীয় নানা বিষয় তুলে ধরা যায়। যা মোজাহের ইসলাম করে যাচ্ছেন। "
ফজলে নুর বাপ্পি চট্টগ্রাম সমিতি মালয়েশিয়ার নানা মানবিক কাজগুলো তুলে ধরেন।

অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন নাঈম উদ্দিন সুমন, মোহাম্মদ সামাদ, মোহাম্মদ মহিউদ্দিন, মোস্তাক আল আমিন, মোহাম্মদ হারুন, জাকারিয়া ফারুকী, আব্দুল আজিজ বাবুল, রাশেদুল ইসলাম রাশেল, তানজিম, শহিদুল ইসলাম ও মোহাম্মদ সাইফুল।
উল্লেখ্য, চট্টগ্রাম তথা বাংলাদেশের কনটেন্ট ক্রিয়েটর মোজাহের ইসলাম। তিনি স্যোশাল মিডিয়ায় তার দর্শকদের কাছে 'মোজাহের ভাই' নামে পরিচিত।
পাকিস্তানের শিয়া সম্প্রদায়ের নেতারা বলছেন, যুদ্ধ শুরুর পর বিতাড়নের ঘটনা আরও বেড়েছে। এই সংঘাতের কারণে পুরো উপসাগরীয় অঞ্চলে উত্তেজনা বেড়েছে। বিশেষ করে ইরান সংযুক্ত আরব আমিরাতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানোর পর পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে।
ইউএসসিআইএসের নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, কোনো বিদেশি যদি সাময়িকভাবে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে রয়েছেন এবং গ্রিন কার্ড পেতে চান, তবে তাকে অবশ্যই নিজ দেশে ফিরে গিয়ে আবেদন করতে হবে।
বিপুল নগদ অর্থের মজুত থাকায় যুদ্ধজনিত অর্থনৈতিক অস্থিরতায় এখন পর্যন্ত বড় ধরনের চাকরি হারানো বা বিদেশি ব্যবসার ব্যাপক প্রস্থান দেখা যায়নি। তবে অচলাবস্থা যত দীর্ঘ এবং স্বাভাবিক ব্যবসা-বাণিজ্য যত ব্যাহত হবে, আন্তর্জাতিক ব্যবসা ও বিনিয়োগ আকর্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ইউএইর ভাবমূর্তি তত বেশি ঝুঁকির মুখে পড়বে।
নিউ সাউথ ওয়েলস পুলিশের অ্যাকটিং সুপারিনটেনডেন্ট মাইকেল মরোনি গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, নিহতদের শরীরে ধারালো অস্ত্রের গুরুতর আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে, যা এতটাই বিভৎস যে বিস্তারিত প্রকাশের যোগ্য নয়।

বিপুল নগদ অর্থের মজুত থাকায় যুদ্ধজনিত অর্থনৈতিক অস্থিরতায় এখন পর্যন্ত বড় ধরনের চাকরি হারানো বা বিদেশি ব্যবসার ব্যাপক প্রস্থান দেখা যায়নি। তবে অচলাবস্থা যত দীর্ঘ এবং স্বাভাবিক ব্যবসা-বাণিজ্য যত ব্যাহত হবে, আন্তর্জাতিক ব্যবসা ও বিনিয়োগ আকর্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ইউএইর ভাবমূর্তি তত বেশি ঝুঁকির মুখে পড়বে।
১০ দিন আগে