
বিডিজেন ডেস্ক

রাশিয়ার উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই রিয়াবকভ জানিয়েছেন, মস্কো ও তেহরানের মধ্যে যে অংশীদারত্ব রয়েছে, তা ভেদ করা সম্ভব নয়। তিনি বলেন, ইরান তার আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগ করছে, যা সম্পূর্ণ বৈধ।
রুশ রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা তাসকে সোমবার (২৩ জুন) তিনি বলেন, ‘ইরান আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগ করছে এবং এটি একদম বৈধ ও সঠিক পদক্ষেপ। আমরা বহু খাতে ইরানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করছি।’
রিয়াবকভের এই মন্তব্য এমন এক সময় এসেছে, যখন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন মস্কোয় ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচির সঙ্গে বৈঠকে তেহরানের প্রতি ক্রেমলিনের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছেন।
যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকার কড়া সমালোচনা করে পুতিন বলেন, ‘আমরা দেখছি, তারা ইরানের সঙ্গে চুক্তির পথে না গিয়ে আলটিমেটামের ভাষায় কথা বলছে। কিন্তু এই ভাষা আজ আর স্বীকৃত নয়—তেহরানেও নয়, অন্য যেকোনো রাজধানীতেও নয়।’
একই সুরে রিয়াবকভও বলেন, ‘আমরা যদি এই উত্তেজনামূলক পদক্ষেপ ও ভাষা বন্ধ করতে পারি, তাহলে রাজনৈতিক সমাধানের সম্ভাবনা অনেক বাড়বে।’
রাশিয়া ও ইরানের মধ্যে সামরিক সহায়তাসংক্রান্ত কোনো আলোচনা হয়েছে কি না—এমন প্রশ্নের উত্তরে রিয়াবকভ বলেন, ‘এই পরিস্থিতিতে আমাদের চলমান আলোচনা ও যোগাযোগের বিষয়বস্তু প্রকাশ করা দায়িত্বজ্ঞানহীন হবে।’
তবে তিনি আবারও জোর দিয়ে বলেন, ‘আমাদের কৌশলগত অংশীদারত্ব ইরানের সঙ্গে অভেদ্য। এটি সময়ের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হবে।’
বিশ্লেষকদের মতে, ইরান ও রাশিয়ার মধ্যকার এই ঘনিষ্ঠতা মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনীতিতে একটি শক্তিশালী বার্তা দিচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা ও কূটনৈতিক চাপের মুখেও দুই দেশ নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট রেখে পারস্পরিক সমর্থন বাড়িয়ে চলেছে।

রাশিয়ার উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই রিয়াবকভ জানিয়েছেন, মস্কো ও তেহরানের মধ্যে যে অংশীদারত্ব রয়েছে, তা ভেদ করা সম্ভব নয়। তিনি বলেন, ইরান তার আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগ করছে, যা সম্পূর্ণ বৈধ।
রুশ রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা তাসকে সোমবার (২৩ জুন) তিনি বলেন, ‘ইরান আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগ করছে এবং এটি একদম বৈধ ও সঠিক পদক্ষেপ। আমরা বহু খাতে ইরানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করছি।’
রিয়াবকভের এই মন্তব্য এমন এক সময় এসেছে, যখন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন মস্কোয় ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচির সঙ্গে বৈঠকে তেহরানের প্রতি ক্রেমলিনের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছেন।
যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকার কড়া সমালোচনা করে পুতিন বলেন, ‘আমরা দেখছি, তারা ইরানের সঙ্গে চুক্তির পথে না গিয়ে আলটিমেটামের ভাষায় কথা বলছে। কিন্তু এই ভাষা আজ আর স্বীকৃত নয়—তেহরানেও নয়, অন্য যেকোনো রাজধানীতেও নয়।’
একই সুরে রিয়াবকভও বলেন, ‘আমরা যদি এই উত্তেজনামূলক পদক্ষেপ ও ভাষা বন্ধ করতে পারি, তাহলে রাজনৈতিক সমাধানের সম্ভাবনা অনেক বাড়বে।’
রাশিয়া ও ইরানের মধ্যে সামরিক সহায়তাসংক্রান্ত কোনো আলোচনা হয়েছে কি না—এমন প্রশ্নের উত্তরে রিয়াবকভ বলেন, ‘এই পরিস্থিতিতে আমাদের চলমান আলোচনা ও যোগাযোগের বিষয়বস্তু প্রকাশ করা দায়িত্বজ্ঞানহীন হবে।’
তবে তিনি আবারও জোর দিয়ে বলেন, ‘আমাদের কৌশলগত অংশীদারত্ব ইরানের সঙ্গে অভেদ্য। এটি সময়ের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হবে।’
বিশ্লেষকদের মতে, ইরান ও রাশিয়ার মধ্যকার এই ঘনিষ্ঠতা মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনীতিতে একটি শক্তিশালী বার্তা দিচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা ও কূটনৈতিক চাপের মুখেও দুই দেশ নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট রেখে পারস্পরিক সমর্থন বাড়িয়ে চলেছে।
তিন কূটনীতিক রয়টার্সকে জানান, কাতারের আল উদেইদ বিমানঘাঁটি থেকে কিছু আমেরিকান কর্মীকে বুধবার সন্ধ্যার মধ্যে সরে যেতে বলা হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ভিসা আবেদন যাচাই-বাছাইয়ের সময় বিদ্যমান আইনের অধীনে ভিসা প্রত্যাখ্যানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে চিঠিতে। আগামী ২১ জানুয়ারি থেকে এ নির্দেশ কার্যকর হবে এবং অভিবাসী ভিসা প্রক্রিয়াকরণ পুনর্মূল্যায়ন না করা পর্যন্ত অনির্দিষ্টকালের জন্য অব্যাহত থাকবে বলেও এতে উল্লেখ করা হয়।
রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান পরিস্থিতি এবং বৈশ্বিক আন্তর্জাতিক নিরাপত্তার জন্য ভয়াবহ পরিণতির বিষয়ে আমেরিকাকে সচেতন হতে হবে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই কর্মকর্তা জানান, নিহতদের মধ্যে বিক্ষোভকারী ও নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা রয়েছে। তবে পৃথকভাবে কতজন বিক্ষোভকারী বা কতজন নিরাপত্তা কর্মী মারা গেছে, তার কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য তিনি দেননি।