
বিডিজেন ডেস্ক

ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি রাশিয়ার সহায়তা চেয়ে তাঁর পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে মস্কো পাঠিয়েছেন।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে এ কথা বলা হয়েছে।
১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর গত শনিবারের (২১ জুন) হামলাই ছিল দেশটির বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় সামরিক অভিযান। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইসরায়েল প্রকাশ্যে ইরানের সর্বোচ্চ নেতাকে হত্যা এবং সরকার পরিবর্তনের সম্ভাবনার কথা বলেছেন—যা রাশিয়ার দৃষ্টিতে মধ্যপ্রাচ্যের স্থিতিশীলতা আরও নাজুক করতে পারে।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি আজ সোমবার (২৩ জুন) ক্রেমলিনে প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিনের কাছে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা খামেনির একটি চিঠি তাঁর পৌঁছে দেওয়ার কথা। সেই চিঠিতে ইরানের প্রতি রাশিয়ার সমর্থন চাওয়া হয়েছে। রয়টার্সকে এমনটাই জানিয়েছে এক শীর্ষ সূত্র।
রয়টার্সকে দেওয়া বক্তব্যে ইরানের সূত্রগুলো বলছে, এখন পর্যন্ত রাশিয়ার সমর্থনে তেহরান সন্তুষ্ট নয়। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে রাশিয়ার কাছ থেকে আরও জোরালো সমর্থন প্রত্যাশা করছে ইরান।
তবে তেহরান কী ধরনের সহায়তা চায়, সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু বলেনি সূত্রগুলো।

ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি রাশিয়ার সহায়তা চেয়ে তাঁর পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে মস্কো পাঠিয়েছেন।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে এ কথা বলা হয়েছে।
১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর গত শনিবারের (২১ জুন) হামলাই ছিল দেশটির বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় সামরিক অভিযান। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইসরায়েল প্রকাশ্যে ইরানের সর্বোচ্চ নেতাকে হত্যা এবং সরকার পরিবর্তনের সম্ভাবনার কথা বলেছেন—যা রাশিয়ার দৃষ্টিতে মধ্যপ্রাচ্যের স্থিতিশীলতা আরও নাজুক করতে পারে।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি আজ সোমবার (২৩ জুন) ক্রেমলিনে প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিনের কাছে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা খামেনির একটি চিঠি তাঁর পৌঁছে দেওয়ার কথা। সেই চিঠিতে ইরানের প্রতি রাশিয়ার সমর্থন চাওয়া হয়েছে। রয়টার্সকে এমনটাই জানিয়েছে এক শীর্ষ সূত্র।
রয়টার্সকে দেওয়া বক্তব্যে ইরানের সূত্রগুলো বলছে, এখন পর্যন্ত রাশিয়ার সমর্থনে তেহরান সন্তুষ্ট নয়। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে রাশিয়ার কাছ থেকে আরও জোরালো সমর্থন প্রত্যাশা করছে ইরান।
তবে তেহরান কী ধরনের সহায়তা চায়, সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু বলেনি সূত্রগুলো।
তিন কূটনীতিক রয়টার্সকে জানান, কাতারের আল উদেইদ বিমানঘাঁটি থেকে কিছু আমেরিকান কর্মীকে বুধবার সন্ধ্যার মধ্যে সরে যেতে বলা হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ভিসা আবেদন যাচাই-বাছাইয়ের সময় বিদ্যমান আইনের অধীনে ভিসা প্রত্যাখ্যানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে চিঠিতে। আগামী ২১ জানুয়ারি থেকে এ নির্দেশ কার্যকর হবে এবং অভিবাসী ভিসা প্রক্রিয়াকরণ পুনর্মূল্যায়ন না করা পর্যন্ত অনির্দিষ্টকালের জন্য অব্যাহত থাকবে বলেও এতে উল্লেখ করা হয়।
রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান পরিস্থিতি এবং বৈশ্বিক আন্তর্জাতিক নিরাপত্তার জন্য ভয়াবহ পরিণতির বিষয়ে আমেরিকাকে সচেতন হতে হবে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই কর্মকর্তা জানান, নিহতদের মধ্যে বিক্ষোভকারী ও নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা রয়েছে। তবে পৃথকভাবে কতজন বিক্ষোভকারী বা কতজন নিরাপত্তা কর্মী মারা গেছে, তার কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য তিনি দেননি।