

বিডিজেন ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রে ডেলাইট সেভিং ডে ৩ নভেম্বর (রোববার) শুরু হবে। দেশটির অধিকাংশ এলাকায় শনিবার দিবাগত রাতে ঘড়ির কাঁটা পিছিয়ে নিতে হবে। রাত ২টার সময় ঘড়ির কাঁটা ১টায় নিয়ে আসতে হবে।
আইফোন বা অন্য কোনো ধরনের স্মার্ট ফোন, কম্পিউটারে সময় বদলে যাবে স্বয়ংক্রিয়ভাবে।
এই ব্যবস্থা অব্যাহত থাকবে আগামী ৯ মার্চ রোববার ভোর রাত ২টা পর্যন্ত।
নতুন এই সময়সূচি চালুর ফলে বাংলাদেশে যখন বেলা ১২টা বাজবে নিউইয়র্কে তখন রাত ১টা হবে। নতুন সময়সূচিকালে যুক্তরাষ্ট্রের অফিস-আদালত এক ঘণ্টা আগে শুরু হয়।
খবর ইউএসএনিউজঅনলাইনডটকমের।
৯ মার্চ রোববার ভোর রাত ২টার পর থেকে আবার ডে-লাইট সেভিংস টাইম শুরু হবে। তখন আবার ঘড়ির কাঁটা এক ঘণ্টা এগিয়ে নেওয়া হবে।
এর আগে গত ১০ মার্চ রোববার (ডিএসটি) যুক্তরাষ্ট্রের অধিকাংশ এলাকায় ঘড়ির কাঁটা এক ঘণ্টা এগিয়ে আনা হয়েছিল।
যুক্তরাষ্ট্রে বছরে দুবার ডেলাইট সেভিংয়ের জন্য ঘড়ির কাঁটা এক ঘণ্টা পরিবর্তন করা হয়। এর ফলে একবার সামনে আরেকবার পেছনে করে এক ঘণ্টা পরিবর্তন করা হয়।
‘গ্রীষ্মে এগোনো আর শীতে পেছানো’–মূলত এই নীতির ওপর ভিত্তি করেই যুক্তরাষ্ট্রে ঘড়ির কাঁটা সামনের দিকে এগিয়ে বা পিছিয়ে নেওয়া হয়।
সূর্যের আলোর সুবিধাকে কাজে লাগিয়ে জ্বালানি সাশ্রয় করার ‘ডে লাইট সেভিংস টাইম’ পদ্ধতি যুক্তরাষ্ট্রে প্রথম বলবৎ হয় প্রথম বিশ্বযুদ্ধ চলাকালে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের সর্বত্রই এ পদ্ধতি মেনে চলা হলেও আদিবাসীদের জন্য সংরক্ষিত কিছু অঞ্চল ছাড়া অ্যারিজোনা রাজ্য ও হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জ চলে স্বাাভাবিক সময়সূচি মেনেই।
সূর্যের আলোর সুবিধাকে কাজে লাগিয়ে জ্বালানি সাশ্রয় করার উদ্যোগ এর আগে চালু করে অবশ্য জার্মানি। দেশটিতে ১৯১৬ সালের ৩০ এপ্রিল থেকে ডিএসটি সময় পরিবর্তন শুরু হয়।
ইউরোপের কয়েকটি দেশসহ বিশ্বের আরও কয়েকটি দেশে সূর্যের আলোর সুবিধাকে কাজে লাগানোর জন্য এই পদ্ধতি কার্যকর রয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রে ডেলাইট সেভিং ডে ৩ নভেম্বর (রোববার) শুরু হবে। দেশটির অধিকাংশ এলাকায় শনিবার দিবাগত রাতে ঘড়ির কাঁটা পিছিয়ে নিতে হবে। রাত ২টার সময় ঘড়ির কাঁটা ১টায় নিয়ে আসতে হবে।
আইফোন বা অন্য কোনো ধরনের স্মার্ট ফোন, কম্পিউটারে সময় বদলে যাবে স্বয়ংক্রিয়ভাবে।
এই ব্যবস্থা অব্যাহত থাকবে আগামী ৯ মার্চ রোববার ভোর রাত ২টা পর্যন্ত।
নতুন এই সময়সূচি চালুর ফলে বাংলাদেশে যখন বেলা ১২টা বাজবে নিউইয়র্কে তখন রাত ১টা হবে। নতুন সময়সূচিকালে যুক্তরাষ্ট্রের অফিস-আদালত এক ঘণ্টা আগে শুরু হয়।
খবর ইউএসএনিউজঅনলাইনডটকমের।
৯ মার্চ রোববার ভোর রাত ২টার পর থেকে আবার ডে-লাইট সেভিংস টাইম শুরু হবে। তখন আবার ঘড়ির কাঁটা এক ঘণ্টা এগিয়ে নেওয়া হবে।
এর আগে গত ১০ মার্চ রোববার (ডিএসটি) যুক্তরাষ্ট্রের অধিকাংশ এলাকায় ঘড়ির কাঁটা এক ঘণ্টা এগিয়ে আনা হয়েছিল।
যুক্তরাষ্ট্রে বছরে দুবার ডেলাইট সেভিংয়ের জন্য ঘড়ির কাঁটা এক ঘণ্টা পরিবর্তন করা হয়। এর ফলে একবার সামনে আরেকবার পেছনে করে এক ঘণ্টা পরিবর্তন করা হয়।
‘গ্রীষ্মে এগোনো আর শীতে পেছানো’–মূলত এই নীতির ওপর ভিত্তি করেই যুক্তরাষ্ট্রে ঘড়ির কাঁটা সামনের দিকে এগিয়ে বা পিছিয়ে নেওয়া হয়।
সূর্যের আলোর সুবিধাকে কাজে লাগিয়ে জ্বালানি সাশ্রয় করার ‘ডে লাইট সেভিংস টাইম’ পদ্ধতি যুক্তরাষ্ট্রে প্রথম বলবৎ হয় প্রথম বিশ্বযুদ্ধ চলাকালে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের সর্বত্রই এ পদ্ধতি মেনে চলা হলেও আদিবাসীদের জন্য সংরক্ষিত কিছু অঞ্চল ছাড়া অ্যারিজোনা রাজ্য ও হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জ চলে স্বাাভাবিক সময়সূচি মেনেই।
সূর্যের আলোর সুবিধাকে কাজে লাগিয়ে জ্বালানি সাশ্রয় করার উদ্যোগ এর আগে চালু করে অবশ্য জার্মানি। দেশটিতে ১৯১৬ সালের ৩০ এপ্রিল থেকে ডিএসটি সময় পরিবর্তন শুরু হয়।
ইউরোপের কয়েকটি দেশসহ বিশ্বের আরও কয়েকটি দেশে সূর্যের আলোর সুবিধাকে কাজে লাগানোর জন্য এই পদ্ধতি কার্যকর রয়েছে।
পাকিস্তানের শিয়া সম্প্রদায়ের নেতারা বলছেন, যুদ্ধ শুরুর পর বিতাড়নের ঘটনা আরও বেড়েছে। এই সংঘাতের কারণে পুরো উপসাগরীয় অঞ্চলে উত্তেজনা বেড়েছে। বিশেষ করে ইরান সংযুক্ত আরব আমিরাতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানোর পর পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে।
ইউএসসিআইএসের নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, কোনো বিদেশি যদি সাময়িকভাবে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে রয়েছেন এবং গ্রিন কার্ড পেতে চান, তবে তাকে অবশ্যই নিজ দেশে ফিরে গিয়ে আবেদন করতে হবে।
বিপুল নগদ অর্থের মজুত থাকায় যুদ্ধজনিত অর্থনৈতিক অস্থিরতায় এখন পর্যন্ত বড় ধরনের চাকরি হারানো বা বিদেশি ব্যবসার ব্যাপক প্রস্থান দেখা যায়নি। তবে অচলাবস্থা যত দীর্ঘ এবং স্বাভাবিক ব্যবসা-বাণিজ্য যত ব্যাহত হবে, আন্তর্জাতিক ব্যবসা ও বিনিয়োগ আকর্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ইউএইর ভাবমূর্তি তত বেশি ঝুঁকির মুখে পড়বে।
নিউ সাউথ ওয়েলস পুলিশের অ্যাকটিং সুপারিনটেনডেন্ট মাইকেল মরোনি গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, নিহতদের শরীরে ধারালো অস্ত্রের গুরুতর আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে, যা এতটাই বিভৎস যে বিস্তারিত প্রকাশের যোগ্য নয়।

বিপুল নগদ অর্থের মজুত থাকায় যুদ্ধজনিত অর্থনৈতিক অস্থিরতায় এখন পর্যন্ত বড় ধরনের চাকরি হারানো বা বিদেশি ব্যবসার ব্যাপক প্রস্থান দেখা যায়নি। তবে অচলাবস্থা যত দীর্ঘ এবং স্বাভাবিক ব্যবসা-বাণিজ্য যত ব্যাহত হবে, আন্তর্জাতিক ব্যবসা ও বিনিয়োগ আকর্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ইউএইর ভাবমূর্তি তত বেশি ঝুঁকির মুখে পড়বে।
১১ দিন আগে