
বিডিজেন ডেস্ক

জো বাইডেন প্রেসিডেন্ট থাকাকালে ২ কোটি ১০ লাখ অভিবাসী অবৈধভাবে যুক্তরাষ্ট্রে ঢুকেছে বলে দাবি করেছেন দেশটির বর্তমান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেছেন, তাদের মধ্যে অনেককেই বিপজ্জনক অপরাধী হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
খবর বার্তা সংস্থা রয়টার্সের।
গতকাল মঙ্গলবার (৪ মার্চ) রাতে যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসের যৌথ অধিবেশনে দেওয়া ভাষণে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এ কথা বলেন। দ্বিতীয় মেয়াদে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হিসেবে গত ২০ জানুয়ারি ক্ষমতা গ্রহণের পর এই প্রথম কংগ্রেসের যৌথ অধিবেশনে ভাষণ দিলেন তিনি।
যুক্তরাষ্ট্রের সীমান্ত সুরক্ষার দায়িত্বপ্রাপ্ত বাহিনী ‘ইউএস বর্ডার প্যাট্রল’–এর পরিসংখ্যান অনুসারে, বাইডেন প্রেসিডেন্ট থাকাকালে প্রায় ৭০ লাখ অভিবাসীকে অবৈধভাবে যুক্তরাষ্ট্র-মেক্সিকো সীমান্ত অতিক্রম করার সময় গ্রেপ্তার করেছিল এ বাহিনী। যদিও এ পরিসংখ্যানগুলোতে বারবার সীমান্ত অতিক্রমকারীদেরও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
গবেষণায় দেখা গেছে, যুক্তরাষ্ট্রে স্থানীয়দের তুলনায় অভিবাসীরা বেশি অপরাধ করেন না।
ভাষণে ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রে অবৈধ অভিবাসীদের হাতে নিহত নারী ও মেয়েদের উদাহরণ তুলে ধরেন, যাদের মধ্যে রয়েছেন লেকেন রিলে ও জোসেলিন নুঙ্গারে।
ট্রাম্প গত ২০ জানুয়ারি অবৈধ অভিবাসন নিয়ে একটি নির্বাহী আদেশ জারি করলে অভিবাসন ও কাস্টমস বাহিনীর (আইসিই) জন্য অপরাধী নয়, এমন ব্যক্তিদের গ্রেপ্তার করা সহজ হয়ে পড়েছে।
আইসিইর পরিসংখ্যান অনুযায়ী, জানুয়ারির মাঝামাঝি থেকে ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি আইসিইর হাতে অপরাধে যুক্ত থাকার রেকর্ড নেই, এমন গ্রেপ্তার ও আটক হওয়া অভিবাসীর সংখ্যা ২২১ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।
ভাষণে ট্রাম্প প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, তিনি সরকারি সেন্সরশিপের অবসান ঘটাবেন। যুক্তরাষ্ট্রে বাক্স্বাধীনতা পুনরুদ্ধার করবেন।
এর আগে ট্রাম্প তাঁর প্রথম মেয়াদে ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারিতে সবশেষ কংগ্রেসের যৌথ অধিবেশনে বার্ষিক ‘স্টেট অব দ্য ইউনিয়ন’ ভাষণ দিয়েছিলেন। এর কয়েক সপ্তাহ পরই কোভিড-১৯ মহামারি গোটা বিশ্বকে স্থবির করে দিয়েছিল।

জো বাইডেন প্রেসিডেন্ট থাকাকালে ২ কোটি ১০ লাখ অভিবাসী অবৈধভাবে যুক্তরাষ্ট্রে ঢুকেছে বলে দাবি করেছেন দেশটির বর্তমান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেছেন, তাদের মধ্যে অনেককেই বিপজ্জনক অপরাধী হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
খবর বার্তা সংস্থা রয়টার্সের।
গতকাল মঙ্গলবার (৪ মার্চ) রাতে যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসের যৌথ অধিবেশনে দেওয়া ভাষণে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এ কথা বলেন। দ্বিতীয় মেয়াদে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হিসেবে গত ২০ জানুয়ারি ক্ষমতা গ্রহণের পর এই প্রথম কংগ্রেসের যৌথ অধিবেশনে ভাষণ দিলেন তিনি।
যুক্তরাষ্ট্রের সীমান্ত সুরক্ষার দায়িত্বপ্রাপ্ত বাহিনী ‘ইউএস বর্ডার প্যাট্রল’–এর পরিসংখ্যান অনুসারে, বাইডেন প্রেসিডেন্ট থাকাকালে প্রায় ৭০ লাখ অভিবাসীকে অবৈধভাবে যুক্তরাষ্ট্র-মেক্সিকো সীমান্ত অতিক্রম করার সময় গ্রেপ্তার করেছিল এ বাহিনী। যদিও এ পরিসংখ্যানগুলোতে বারবার সীমান্ত অতিক্রমকারীদেরও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
গবেষণায় দেখা গেছে, যুক্তরাষ্ট্রে স্থানীয়দের তুলনায় অভিবাসীরা বেশি অপরাধ করেন না।
ভাষণে ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রে অবৈধ অভিবাসীদের হাতে নিহত নারী ও মেয়েদের উদাহরণ তুলে ধরেন, যাদের মধ্যে রয়েছেন লেকেন রিলে ও জোসেলিন নুঙ্গারে।
ট্রাম্প গত ২০ জানুয়ারি অবৈধ অভিবাসন নিয়ে একটি নির্বাহী আদেশ জারি করলে অভিবাসন ও কাস্টমস বাহিনীর (আইসিই) জন্য অপরাধী নয়, এমন ব্যক্তিদের গ্রেপ্তার করা সহজ হয়ে পড়েছে।
আইসিইর পরিসংখ্যান অনুযায়ী, জানুয়ারির মাঝামাঝি থেকে ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি আইসিইর হাতে অপরাধে যুক্ত থাকার রেকর্ড নেই, এমন গ্রেপ্তার ও আটক হওয়া অভিবাসীর সংখ্যা ২২১ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।
ভাষণে ট্রাম্প প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, তিনি সরকারি সেন্সরশিপের অবসান ঘটাবেন। যুক্তরাষ্ট্রে বাক্স্বাধীনতা পুনরুদ্ধার করবেন।
এর আগে ট্রাম্প তাঁর প্রথম মেয়াদে ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারিতে সবশেষ কংগ্রেসের যৌথ অধিবেশনে বার্ষিক ‘স্টেট অব দ্য ইউনিয়ন’ ভাষণ দিয়েছিলেন। এর কয়েক সপ্তাহ পরই কোভিড-১৯ মহামারি গোটা বিশ্বকে স্থবির করে দিয়েছিল।
তিন কূটনীতিক রয়টার্সকে জানান, কাতারের আল উদেইদ বিমানঘাঁটি থেকে কিছু আমেরিকান কর্মীকে বুধবার সন্ধ্যার মধ্যে সরে যেতে বলা হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ভিসা আবেদন যাচাই-বাছাইয়ের সময় বিদ্যমান আইনের অধীনে ভিসা প্রত্যাখ্যানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে চিঠিতে। আগামী ২১ জানুয়ারি থেকে এ নির্দেশ কার্যকর হবে এবং অভিবাসী ভিসা প্রক্রিয়াকরণ পুনর্মূল্যায়ন না করা পর্যন্ত অনির্দিষ্টকালের জন্য অব্যাহত থাকবে বলেও এতে উল্লেখ করা হয়।
রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান পরিস্থিতি এবং বৈশ্বিক আন্তর্জাতিক নিরাপত্তার জন্য ভয়াবহ পরিণতির বিষয়ে আমেরিকাকে সচেতন হতে হবে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই কর্মকর্তা জানান, নিহতদের মধ্যে বিক্ষোভকারী ও নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা রয়েছে। তবে পৃথকভাবে কতজন বিক্ষোভকারী বা কতজন নিরাপত্তা কর্মী মারা গেছে, তার কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য তিনি দেননি।