
বিডিজেন ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসার জন্য আবেদন করা নির্দিষ্ট কিছু ব্যক্তির সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কর্মকাণ্ড খতিয়ে দেখার নির্দেশ দিয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি প্রশাসনের সমালোচকদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ ঠেকাতেই এমন পদক্ষেপ নিচ্ছে ওয়াশিংটন।
আজ বুধবার (২ এপ্রিল) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমস।
প্রতিবেদন অনুসারে, গত ২৫ মার্চ এক চিঠিতে কূটনীতিকদের ওই নির্দেশনা দেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী রুবিও। নির্দেশনা অনুযায়ী, কিছু শিক্ষার্থীর ভিসার আবেদন পাঠানো হয়েছে ফ্রড প্রিভেন্ট ইউনিট বা প্রতারণা প্রতিরোধ ইউনিটের কাছে। বিশেষ এই ইউনিট ওই শিক্ষার্থীদের সোশ্যাল মিডিয়ায় তৎপরতা যাচাই করবে। যুক্তরাষ্ট্রবিরোধী ও ইহুদিবিরোধী মনোভাবের ইঙ্গিত মিললে তাকে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হবে না।
নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই নির্দেশনার মূল লক্ষ্য, ফিলিস্তিনপন্থী আবেদনকারীদের ভিসা প্রত্যাখ্যান করা। নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যেসব আবেদনকারীর আচরণ বা অনলাইন কর্মকাণ্ড ‘যুক্তরাষ্ট্র বা এর সংস্কৃতির প্রতি বিদ্বেষপূর্ণ মনোভাব’ প্রকাশ করে, তাদের ভিসার আবেদন প্রত্যাখ্যান করা হবে।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইতিমধ্যে তিন শতাধিক ভিসার আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছেন, যাদের বেশির ভাগই শিক্ষার্থী। এই ইস্যুতে তিনি বলেন, ‘আমরা তোমাদের যুক্তরাষ্ট্রে পড়াশোনার সুযোগ দিচ্ছি, অ্যাকটিভিস্ট সেজে আন্দোলনের নামে বিশৃঙ্খলা তৈরির জন্য নয়।’
ট্রাম্প প্রশাসনের বিতর্কিত ইহুদিবিদ্বেষ (অ্যান্টি সেমিটিজম) বিরোধী ব্যবস্থার আওতায় নেওয়া হচ্ছে এসব সিদ্ধান্ত। এরই মধ্যে নতুন নীতির আওতায় বহু বিদেশি শিক্ষার্থীকে আটক করা হয়েছে। অনেক শিক্ষার্থীকে দেশে ফেরতও পাঠানো হয়েছে। শিক্ষার্থীদের গ্রেপ্তারের প্রক্রিয়া নিয়েও বিতর্ক তৈরি হয়েছে।
সম্প্রতি তুর্কি শিক্ষার্থী রুমাইসাকে আটকের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। তিনি বোস্টন টাফটস ইউনিভার্সিটিতে পিএইচডি করছিলেন। একটি ইফতারের আয়োজনে যোগ দিতে বাড়ি থেকে বের হয়েছিলেন। এমন সময় একদল মুখোশধারী তাঁকে ধরে নিয়ে যায়। পরে জানা যায়, মুখোশধারীরা ইমিগ্রেশন ও কাস্টমস এনফোর্সমেন্টের কর্মকর্তা ছিলেন। রুমাইসার হাতে থাকা মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিয়ে হাতকড়া পরিয়ে তাঁকে নিয়ে যায় তারা।
রুমাইসার ‘অপরাধ’, তিনি ক্যাম্পাস ম্যাগাজিনে একটি নিবন্ধ লিখেছিলেন, যেখানে তিনি ফিলিস্তিনে গণহত্যার বিষয়ে সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করেন এবং টাফটস বিশ্ববিদ্যালয়কে ইসরায়েল সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর অনুদান প্রত্যাখ্যানের আহ্বান জানান। এরই ভিত্তিতে তাঁকে হামাসের সমর্থক হিসেবে চিহ্নিত করে যুক্তরাষ্ট্রের কর্তৃপক্ষ।
এরই জেরে ক্যানারি মিশন নামক একটি ইসরায়েলপন্থি ওয়েবসাইটের কালোতালিকাভুক্ত হন রুমাইসা। ওই ওয়েবসাইটে মূলত ফিলিস্তিনপন্থি শিক্ষার্থীদের তথ্য সংরক্ষণ করা হয়।

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসার জন্য আবেদন করা নির্দিষ্ট কিছু ব্যক্তির সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কর্মকাণ্ড খতিয়ে দেখার নির্দেশ দিয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি প্রশাসনের সমালোচকদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ ঠেকাতেই এমন পদক্ষেপ নিচ্ছে ওয়াশিংটন।
আজ বুধবার (২ এপ্রিল) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমস।
প্রতিবেদন অনুসারে, গত ২৫ মার্চ এক চিঠিতে কূটনীতিকদের ওই নির্দেশনা দেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী রুবিও। নির্দেশনা অনুযায়ী, কিছু শিক্ষার্থীর ভিসার আবেদন পাঠানো হয়েছে ফ্রড প্রিভেন্ট ইউনিট বা প্রতারণা প্রতিরোধ ইউনিটের কাছে। বিশেষ এই ইউনিট ওই শিক্ষার্থীদের সোশ্যাল মিডিয়ায় তৎপরতা যাচাই করবে। যুক্তরাষ্ট্রবিরোধী ও ইহুদিবিরোধী মনোভাবের ইঙ্গিত মিললে তাকে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হবে না।
নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই নির্দেশনার মূল লক্ষ্য, ফিলিস্তিনপন্থী আবেদনকারীদের ভিসা প্রত্যাখ্যান করা। নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যেসব আবেদনকারীর আচরণ বা অনলাইন কর্মকাণ্ড ‘যুক্তরাষ্ট্র বা এর সংস্কৃতির প্রতি বিদ্বেষপূর্ণ মনোভাব’ প্রকাশ করে, তাদের ভিসার আবেদন প্রত্যাখ্যান করা হবে।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইতিমধ্যে তিন শতাধিক ভিসার আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছেন, যাদের বেশির ভাগই শিক্ষার্থী। এই ইস্যুতে তিনি বলেন, ‘আমরা তোমাদের যুক্তরাষ্ট্রে পড়াশোনার সুযোগ দিচ্ছি, অ্যাকটিভিস্ট সেজে আন্দোলনের নামে বিশৃঙ্খলা তৈরির জন্য নয়।’
ট্রাম্প প্রশাসনের বিতর্কিত ইহুদিবিদ্বেষ (অ্যান্টি সেমিটিজম) বিরোধী ব্যবস্থার আওতায় নেওয়া হচ্ছে এসব সিদ্ধান্ত। এরই মধ্যে নতুন নীতির আওতায় বহু বিদেশি শিক্ষার্থীকে আটক করা হয়েছে। অনেক শিক্ষার্থীকে দেশে ফেরতও পাঠানো হয়েছে। শিক্ষার্থীদের গ্রেপ্তারের প্রক্রিয়া নিয়েও বিতর্ক তৈরি হয়েছে।
সম্প্রতি তুর্কি শিক্ষার্থী রুমাইসাকে আটকের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। তিনি বোস্টন টাফটস ইউনিভার্সিটিতে পিএইচডি করছিলেন। একটি ইফতারের আয়োজনে যোগ দিতে বাড়ি থেকে বের হয়েছিলেন। এমন সময় একদল মুখোশধারী তাঁকে ধরে নিয়ে যায়। পরে জানা যায়, মুখোশধারীরা ইমিগ্রেশন ও কাস্টমস এনফোর্সমেন্টের কর্মকর্তা ছিলেন। রুমাইসার হাতে থাকা মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিয়ে হাতকড়া পরিয়ে তাঁকে নিয়ে যায় তারা।
রুমাইসার ‘অপরাধ’, তিনি ক্যাম্পাস ম্যাগাজিনে একটি নিবন্ধ লিখেছিলেন, যেখানে তিনি ফিলিস্তিনে গণহত্যার বিষয়ে সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করেন এবং টাফটস বিশ্ববিদ্যালয়কে ইসরায়েল সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর অনুদান প্রত্যাখ্যানের আহ্বান জানান। এরই ভিত্তিতে তাঁকে হামাসের সমর্থক হিসেবে চিহ্নিত করে যুক্তরাষ্ট্রের কর্তৃপক্ষ।
এরই জেরে ক্যানারি মিশন নামক একটি ইসরায়েলপন্থি ওয়েবসাইটের কালোতালিকাভুক্ত হন রুমাইসা। ওই ওয়েবসাইটে মূলত ফিলিস্তিনপন্থি শিক্ষার্থীদের তথ্য সংরক্ষণ করা হয়।
পাকিস্তানের শিয়া সম্প্রদায়ের নেতারা বলছেন, যুদ্ধ শুরুর পর বিতাড়নের ঘটনা আরও বেড়েছে। এই সংঘাতের কারণে পুরো উপসাগরীয় অঞ্চলে উত্তেজনা বেড়েছে। বিশেষ করে ইরান সংযুক্ত আরব আমিরাতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানোর পর পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে।
ইউএসসিআইএসের নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, কোনো বিদেশি যদি সাময়িকভাবে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে রয়েছেন এবং গ্রিন কার্ড পেতে চান, তবে তাকে অবশ্যই নিজ দেশে ফিরে গিয়ে আবেদন করতে হবে।
বিপুল নগদ অর্থের মজুত থাকায় যুদ্ধজনিত অর্থনৈতিক অস্থিরতায় এখন পর্যন্ত বড় ধরনের চাকরি হারানো বা বিদেশি ব্যবসার ব্যাপক প্রস্থান দেখা যায়নি। তবে অচলাবস্থা যত দীর্ঘ এবং স্বাভাবিক ব্যবসা-বাণিজ্য যত ব্যাহত হবে, আন্তর্জাতিক ব্যবসা ও বিনিয়োগ আকর্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ইউএইর ভাবমূর্তি তত বেশি ঝুঁকির মুখে পড়বে।
নিউ সাউথ ওয়েলস পুলিশের অ্যাকটিং সুপারিনটেনডেন্ট মাইকেল মরোনি গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, নিহতদের শরীরে ধারালো অস্ত্রের গুরুতর আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে, যা এতটাই বিভৎস যে বিস্তারিত প্রকাশের যোগ্য নয়।

বিপুল নগদ অর্থের মজুত থাকায় যুদ্ধজনিত অর্থনৈতিক অস্থিরতায় এখন পর্যন্ত বড় ধরনের চাকরি হারানো বা বিদেশি ব্যবসার ব্যাপক প্রস্থান দেখা যায়নি। তবে অচলাবস্থা যত দীর্ঘ এবং স্বাভাবিক ব্যবসা-বাণিজ্য যত ব্যাহত হবে, আন্তর্জাতিক ব্যবসা ও বিনিয়োগ আকর্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ইউএইর ভাবমূর্তি তত বেশি ঝুঁকির মুখে পড়বে।
১০ দিন আগে