
নাঈম হাসান, পোর্তো, পর্তুগাল থেকে

পর্তুগালের জাতীয় উদ্যান সেররা দ্য জেরেস ও ব্রাগা শহরে শরৎকালীন শিক্ষাসফর করেছে মুসলিম কালচারাল অ্যাসোসিয়েশন অব পোর্তো।
পর্তুগালের স্থানীয় সময় রোববার (৭ সেপ্টেম্বর) ছুটির দিনে আয়োজিত এ আনন্দ ভ্রমণে যোগ দেন প্রায় শতাধিক প্রবাসী বাংলাদেশি। পোর্তো শহরের বাংলাদেশি অধ্যুষিত সাও বেন্তো এলাকা থেকে দুটি পৃথক বাসযোগে যাত্রা শুরু করে অংশগ্রহণকারীরা।
শিক্ষা সফরের প্রথম গন্তব্য ছিল পোর্তো শহরের অদূরে পর্তুগালের জাতীয় উদ্যান সেররা দ্য জেরেস। সেররা দ্য জেরেস পর্তুগালের একমাত্র জাতীয় উদ্যান হিসেবে পরিচিত। অসাধারণ প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের পর্বতমালা, গ্রানাইট শৃঙ্গ, স্বচ্ছ নদী, ঝর্ণা ও প্রাকৃতিক লেকে ঘেরা এই অঞ্চল প্রকৃতির এক অনন্য স্বর্গরাজ্য। টটপ্রকৃতি প্রেমীদের জন্য এটি এক অসাধারণ গন্তব্য। সেখানে অবস্থান করে জেরেস প্রাকৃতিক উদ্যানের মনোরম দৃশ্য উপভোগ করেন সবাই।
এরপরের গন্তব্য ছিল পর্তুগালের প্রাচীন রোমান শহর ব্রাগা। পর্তুগালের উত্তরের ব্রাগা শহরের প্রায় ২ হাজার বছরের ইতিহাস রয়েছে।

প্রবাসের কর্মব্যস্ত জীবনে এমন একটা দিন প্রবাসীদের জন্য আনন্দের উপলক্ষ তৈরি করে। পথে বাস যাত্রায় দেশের গান, ইসলামী সংগীত, কুইজ প্রতিযোগিতা, আড্ডা হাসিতে সময় কাটান সফরকারীরা। এ ছাড়াও, জেরেস লেকে নৌকা ভ্রমণ ও নানা প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। দিনের সমাপ্তিতে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। দিনভর আনন্দ আয়োজনে কাটিয়ে বেলা শেষে সবাই ফিরে আসেন পোর্তো শহরে।
শিক্ষাসফরের সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন জহিরুল ইসলাম, নবীউল হক, ইব্রাহিম খলিল, জসিম উদ্দিন, আসাদুল্লাহ ফুয়াদ, দেলোয়ার হোসাইন সাইয়্যেদী, গোলাম রাব্বানী জাবেদ, আশিকুর রহমান প্রমুখ।
উল্লেখ্য, মুসলিম কালচারাল অ্যাসোসিয়েশন অব পোর্তো প্রবাসী বাংলাদেশিদের কল্যাণে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ করে থাকে। এটি পর্তুগালে প্রবাসী বাংলাদেশিদের একটি পরিচিত ইসলামিক সংগঠন। এই সংগঠনটি পর্তুগালে ইসলামের সৌন্দর্য ছড়িয়ে দিতে এবং কমিউনিটির সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে কাজ করে। এ ছাড়াও, মূল ধারার পর্তুগিজ কমিউনিটির সঙ্গে প্রবাসী বাংলাদেশীদের সম্পৃক্ততা বাড়াতে বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়ে থাকে সংগঠনটি।

পর্তুগালের জাতীয় উদ্যান সেররা দ্য জেরেস ও ব্রাগা শহরে শরৎকালীন শিক্ষাসফর করেছে মুসলিম কালচারাল অ্যাসোসিয়েশন অব পোর্তো।
পর্তুগালের স্থানীয় সময় রোববার (৭ সেপ্টেম্বর) ছুটির দিনে আয়োজিত এ আনন্দ ভ্রমণে যোগ দেন প্রায় শতাধিক প্রবাসী বাংলাদেশি। পোর্তো শহরের বাংলাদেশি অধ্যুষিত সাও বেন্তো এলাকা থেকে দুটি পৃথক বাসযোগে যাত্রা শুরু করে অংশগ্রহণকারীরা।
শিক্ষা সফরের প্রথম গন্তব্য ছিল পোর্তো শহরের অদূরে পর্তুগালের জাতীয় উদ্যান সেররা দ্য জেরেস। সেররা দ্য জেরেস পর্তুগালের একমাত্র জাতীয় উদ্যান হিসেবে পরিচিত। অসাধারণ প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের পর্বতমালা, গ্রানাইট শৃঙ্গ, স্বচ্ছ নদী, ঝর্ণা ও প্রাকৃতিক লেকে ঘেরা এই অঞ্চল প্রকৃতির এক অনন্য স্বর্গরাজ্য। টটপ্রকৃতি প্রেমীদের জন্য এটি এক অসাধারণ গন্তব্য। সেখানে অবস্থান করে জেরেস প্রাকৃতিক উদ্যানের মনোরম দৃশ্য উপভোগ করেন সবাই।
এরপরের গন্তব্য ছিল পর্তুগালের প্রাচীন রোমান শহর ব্রাগা। পর্তুগালের উত্তরের ব্রাগা শহরের প্রায় ২ হাজার বছরের ইতিহাস রয়েছে।

প্রবাসের কর্মব্যস্ত জীবনে এমন একটা দিন প্রবাসীদের জন্য আনন্দের উপলক্ষ তৈরি করে। পথে বাস যাত্রায় দেশের গান, ইসলামী সংগীত, কুইজ প্রতিযোগিতা, আড্ডা হাসিতে সময় কাটান সফরকারীরা। এ ছাড়াও, জেরেস লেকে নৌকা ভ্রমণ ও নানা প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। দিনের সমাপ্তিতে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। দিনভর আনন্দ আয়োজনে কাটিয়ে বেলা শেষে সবাই ফিরে আসেন পোর্তো শহরে।
শিক্ষাসফরের সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন জহিরুল ইসলাম, নবীউল হক, ইব্রাহিম খলিল, জসিম উদ্দিন, আসাদুল্লাহ ফুয়াদ, দেলোয়ার হোসাইন সাইয়্যেদী, গোলাম রাব্বানী জাবেদ, আশিকুর রহমান প্রমুখ।
উল্লেখ্য, মুসলিম কালচারাল অ্যাসোসিয়েশন অব পোর্তো প্রবাসী বাংলাদেশিদের কল্যাণে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ করে থাকে। এটি পর্তুগালে প্রবাসী বাংলাদেশিদের একটি পরিচিত ইসলামিক সংগঠন। এই সংগঠনটি পর্তুগালে ইসলামের সৌন্দর্য ছড়িয়ে দিতে এবং কমিউনিটির সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে কাজ করে। এ ছাড়াও, মূল ধারার পর্তুগিজ কমিউনিটির সঙ্গে প্রবাসী বাংলাদেশীদের সম্পৃক্ততা বাড়াতে বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়ে থাকে সংগঠনটি।
রয়টার্সের বিশ্লেষণে দেখা যায়, ২৩ জুন থেকে ৬ জুলাইয়ের মধ্যে ট্রাম্প তার প্রকাশ্য বক্তব্যে ৮১ বার ‘কমিউনিজম’ শব্দটি ব্যবহার করেছেন।
দলটির সমালোচকদের অভিযোগ, এএফডি বর্ণবাদী নীতি ও মনোভাবকে উৎসাহিত করে, যা জার্মানির গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের সঙ্গে সাংঘর্ষিক এবং দেশের সাংবিধানিক ব্যবস্থার জন্য হুমকি হতে পারে।
সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশিত ছবিতে দেখা যায়, শহরের কেন্দ্রস্থল শেভচেঙ্কো বুলেভার্ডের একটি ভবনের ওপরের অংশে নিয়ন্ত্রণহীন আগুন জ্বলছে। অন্যদিকে শহরের বিভিন্ন এলাকায় ভবনের জানালা উড়ে গেছে এবং বহু গাড়ি ধ্বংস হয়েছে।