
বিডিজেন ডেস্ক

ইলেকটোরাল কলেজের ২৭০ ভোটের ম্যাজিক ফিগার অতিক্রম করেছেন রিপাবলিকান দলের প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প। আর এর মাধ্যমে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের ৪৭তম প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছেন।
খবর দ্য গার্ডিয়ানের।
৫ নভেম্বরের (মঙ্গলবার) নির্বাচনে জিতে তিনি হতে যাচ্ছেন সবচেয়ে বেশি বয়সে নির্বাচিত আমেরিকান প্রেসিডেন্ট। তাঁর বয়স এখন ৭৮ বছর। এর আগে জো বাইডেন ৭৭ বছর বয়সে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন।
শুধু তাই নয়, ডোনাল্ড ট্রাম্প হলেন যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে প্রথম প্রেসিডেন্ট, যিনি ফৌজদারি অপরাধে দণ্ডিত হয়েছেন।
এবারের নির্বাচনে ট্রাম্প ৬০ বছর বয়সী কমলা হ্যারিসকে হারিয়েছেন। এর আগে ২০১৬ সালে তিনি আরেক নারী প্রার্থী হিলারি ক্লিনটনকে হারিয়ে প্রথম প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছিলেন।
ডেমোক্র্যাটপ্রার্থী কমলা হ্যারিস বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট। কমলার সঙ্গে ট্রাম্পের হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছিল। বিশেষ করে দোদুল্যমান অঙ্গরাজ্যগুলোর ভোটের ফলে নজর ছিল সবার। তবে নির্বাচনের ফলাফলে অবশ্য তার প্রতিফলন দেখা যায়নি।
সর্বশেষ দোদুল্যমান উইসকনসিন অঙ্গরাজ্যে জয় পেয়েছেন ট্রাম্প। ইউসকনসিনে ১০টি ইলেকটোরাল কলেজ ভোট। এ জয়ের ফলে ট্রাম্প জয়ের জন্য প্রয়োজনীয় ২৭০ ইলেকটোরাল কলেজ ভোট পেয়ে গেছেন। ট্রাম্পের ঝুলিতে এখন পর্যন্ত ২৭৫টি ইলেকটোরাল ভোট জমা পড়েছে। কমলার ঝুলিতে জমেছে ২২২টি ইলেকটোরাল ভোট।
ট্রাম্প মঙ্গলবার স্থানীয় সময় রাতে ফ্লোরিডার ওয়েস্ট পাম বিচে সমর্থকদের উদ্দেশে বক্তব্যে বলেন, ‘আমেরিকার জনগণের জন্য এটি চমৎকার জয়। এটা আমাদের আমেরিকাকে আবারও মহান করার সুযোগ দেবে।’
এটি আমেরিকার স্বর্ণযুগ হবে বলেও মন্তব্য করেন ট্রাম্প। এ সময়ে মঞ্চে তাঁর সঙ্গে ছিলেন স্ত্রী মেলানিয়া ট্রাম্প এবং তাঁর রানিং মেট জে ডি ভান্স।
নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক ফল এখনো ঘোষণা হয়নি। তবে এরই মধ্যে বিশ্বনেতারা ট্রাম্পকে অভিনন্দন জানাতে শুরু করেছেন। ট্রাম্পকে শুভেচ্ছা জানানো বিশ্বনেতাদের মধ্যে আছেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল মাখোঁ, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু, যুক্তরাজ্যর প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি প্রমুখ।
সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

ইলেকটোরাল কলেজের ২৭০ ভোটের ম্যাজিক ফিগার অতিক্রম করেছেন রিপাবলিকান দলের প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প। আর এর মাধ্যমে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের ৪৭তম প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছেন।
খবর দ্য গার্ডিয়ানের।
৫ নভেম্বরের (মঙ্গলবার) নির্বাচনে জিতে তিনি হতে যাচ্ছেন সবচেয়ে বেশি বয়সে নির্বাচিত আমেরিকান প্রেসিডেন্ট। তাঁর বয়স এখন ৭৮ বছর। এর আগে জো বাইডেন ৭৭ বছর বয়সে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন।
শুধু তাই নয়, ডোনাল্ড ট্রাম্প হলেন যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে প্রথম প্রেসিডেন্ট, যিনি ফৌজদারি অপরাধে দণ্ডিত হয়েছেন।
এবারের নির্বাচনে ট্রাম্প ৬০ বছর বয়সী কমলা হ্যারিসকে হারিয়েছেন। এর আগে ২০১৬ সালে তিনি আরেক নারী প্রার্থী হিলারি ক্লিনটনকে হারিয়ে প্রথম প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছিলেন।
ডেমোক্র্যাটপ্রার্থী কমলা হ্যারিস বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট। কমলার সঙ্গে ট্রাম্পের হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছিল। বিশেষ করে দোদুল্যমান অঙ্গরাজ্যগুলোর ভোটের ফলে নজর ছিল সবার। তবে নির্বাচনের ফলাফলে অবশ্য তার প্রতিফলন দেখা যায়নি।
সর্বশেষ দোদুল্যমান উইসকনসিন অঙ্গরাজ্যে জয় পেয়েছেন ট্রাম্প। ইউসকনসিনে ১০টি ইলেকটোরাল কলেজ ভোট। এ জয়ের ফলে ট্রাম্প জয়ের জন্য প্রয়োজনীয় ২৭০ ইলেকটোরাল কলেজ ভোট পেয়ে গেছেন। ট্রাম্পের ঝুলিতে এখন পর্যন্ত ২৭৫টি ইলেকটোরাল ভোট জমা পড়েছে। কমলার ঝুলিতে জমেছে ২২২টি ইলেকটোরাল ভোট।
ট্রাম্প মঙ্গলবার স্থানীয় সময় রাতে ফ্লোরিডার ওয়েস্ট পাম বিচে সমর্থকদের উদ্দেশে বক্তব্যে বলেন, ‘আমেরিকার জনগণের জন্য এটি চমৎকার জয়। এটা আমাদের আমেরিকাকে আবারও মহান করার সুযোগ দেবে।’
এটি আমেরিকার স্বর্ণযুগ হবে বলেও মন্তব্য করেন ট্রাম্প। এ সময়ে মঞ্চে তাঁর সঙ্গে ছিলেন স্ত্রী মেলানিয়া ট্রাম্প এবং তাঁর রানিং মেট জে ডি ভান্স।
নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক ফল এখনো ঘোষণা হয়নি। তবে এরই মধ্যে বিশ্বনেতারা ট্রাম্পকে অভিনন্দন জানাতে শুরু করেছেন। ট্রাম্পকে শুভেচ্ছা জানানো বিশ্বনেতাদের মধ্যে আছেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল মাখোঁ, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু, যুক্তরাজ্যর প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি প্রমুখ।
সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান
রয়টার্সের বিশ্লেষণে দেখা যায়, ২৩ জুন থেকে ৬ জুলাইয়ের মধ্যে ট্রাম্প তার প্রকাশ্য বক্তব্যে ৮১ বার ‘কমিউনিজম’ শব্দটি ব্যবহার করেছেন।
দলটির সমালোচকদের অভিযোগ, এএফডি বর্ণবাদী নীতি ও মনোভাবকে উৎসাহিত করে, যা জার্মানির গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের সঙ্গে সাংঘর্ষিক এবং দেশের সাংবিধানিক ব্যবস্থার জন্য হুমকি হতে পারে।
সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশিত ছবিতে দেখা যায়, শহরের কেন্দ্রস্থল শেভচেঙ্কো বুলেভার্ডের একটি ভবনের ওপরের অংশে নিয়ন্ত্রণহীন আগুন জ্বলছে। অন্যদিকে শহরের বিভিন্ন এলাকায় ভবনের জানালা উড়ে গেছে এবং বহু গাড়ি ধ্বংস হয়েছে।