
বিডিজেন ডেস্ক

জাপানের টোকিওতে সদ্য প্রয়াত বরেণ্য লোকসংগীতশিল্পী ফরিদা পারভীন স্মরণে এক স্মরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
জাপানপ্রবাসী বিশিষ্ট সংগীতশিল্পী শাম্মী বাবলীর উদ্যোগে গত মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর) টোকিওর আকাবানি বিভো হলে এ সভা আয়োজন করা হয়।
স্মরণ সভার সূচনায় তাঁর বিদেহি আত্মার মাগফিরাত কামনা করে এক মিনিট নীরবতা পালন ও দোয়া করা হয়।
এরপর ফরিদা পারভিনের মৌলিক গান ও লালন গান দিয়ে বানানো আদিত্য শাহীন নির্মিত একটি ডকুমেন্টারি প্রদর্শিত হয়।

সভায় প্রয়াত ফরিদা পারভীনের জাপানে নানা অর্জনের তথ্যগুলো জানানো হয়। সেগুলো হলো; এক. বাংলাদেশে কার্যরত জাপানি এনজিও ‘শাপলা নীড়’–এর ৩০ বছর পূর্তি উপলক্ষে ২০০২ সালে বাংলাদেশের পরম বন্ধু ইকুফুমি ফকুজাওয়ার আগ্রহে পূর্ণ বাদ্যযন্ত্রীসহ সারা জাপানে মাসব্যপী ২৮টি কনসার্ট আয়োজন। দুই. ২০০৮ সালে জাপানের মর্যাদাবান Fukuoka Asian Cultural Prize অর্জনের তথ্যটি জাপানে ফরিদা পারভীনের জনপ্রিয়তা প্রমাণ করে।

ফরিদা পারভীনকে নিয়ে আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন ছালেহ মোহাম্মদ আরিফ, মুক্তিযোদ্ধা অজিত কুমার বড়ুয়া, হোসেন শাহু, সিনিয়র সাংবাদিক কাজী ইনসানুল হক, টোকিও বৈশাখী মেলার সমন্বয়ক জাকির জোয়ার্দার, মাইকেল এলেন, শামীম আহমেদ, আবু সুফিয়ান জুয়েল, দেলওয়ার হোসেন ডিউ, ওয়াহিদ মোল্লা, আজাদ চৌধুরী, মোহাম্মদ শরীফ, সাব্বির আহমেদ, কাহালে কর্ণধার কামরুল হাসান লিপু।

আরও বক্তব্য দেন স্বরলিপির এম আলম মাহী, মুহিত মোহাম্মদ, সুমি চৌধুরী, সায়মন এবং উত্তরণের রতন খন্দকার।
আলোচনার পাশাপাশি গান পরিবেশন করেন সুমি চোধুরী, কুষ্টিয়ার সন্তান রতন খন্দকার লালনের আখড়া, ফরিদা পারভীনের সঙ্গে তার স্মৃতিচারণ এবং সেই সঙ্গে দর্শকদের নিয়ে বেশ কটি লালন গান পরিবেশন করেন।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন এরশাদ রানা।

সব শেষে আহবায়ক শাম্মী বাবলী অনুষ্ঠানে আগত সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান এবং নিজ কন্ঠে লালনের গান গেয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করেন।
ছোট্ট অনাড়ম্বর একটি অনুষ্ঠান, কিন্তু স্নিগ্ধ ও মনোরম পরিবেশনার কারণে অনুষ্ঠানটি উপস্থিত সবার মন জয় করেছে। এমন সুন্দর অনুষ্ঠান আয়োজনের জন্য জাপানপ্রবাসী শিল্পী শাম্মী বাবলীকে সবাই ধন্যবাদ জানান।

জাপানের টোকিওতে সদ্য প্রয়াত বরেণ্য লোকসংগীতশিল্পী ফরিদা পারভীন স্মরণে এক স্মরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
জাপানপ্রবাসী বিশিষ্ট সংগীতশিল্পী শাম্মী বাবলীর উদ্যোগে গত মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর) টোকিওর আকাবানি বিভো হলে এ সভা আয়োজন করা হয়।
স্মরণ সভার সূচনায় তাঁর বিদেহি আত্মার মাগফিরাত কামনা করে এক মিনিট নীরবতা পালন ও দোয়া করা হয়।
এরপর ফরিদা পারভিনের মৌলিক গান ও লালন গান দিয়ে বানানো আদিত্য শাহীন নির্মিত একটি ডকুমেন্টারি প্রদর্শিত হয়।

সভায় প্রয়াত ফরিদা পারভীনের জাপানে নানা অর্জনের তথ্যগুলো জানানো হয়। সেগুলো হলো; এক. বাংলাদেশে কার্যরত জাপানি এনজিও ‘শাপলা নীড়’–এর ৩০ বছর পূর্তি উপলক্ষে ২০০২ সালে বাংলাদেশের পরম বন্ধু ইকুফুমি ফকুজাওয়ার আগ্রহে পূর্ণ বাদ্যযন্ত্রীসহ সারা জাপানে মাসব্যপী ২৮টি কনসার্ট আয়োজন। দুই. ২০০৮ সালে জাপানের মর্যাদাবান Fukuoka Asian Cultural Prize অর্জনের তথ্যটি জাপানে ফরিদা পারভীনের জনপ্রিয়তা প্রমাণ করে।

ফরিদা পারভীনকে নিয়ে আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন ছালেহ মোহাম্মদ আরিফ, মুক্তিযোদ্ধা অজিত কুমার বড়ুয়া, হোসেন শাহু, সিনিয়র সাংবাদিক কাজী ইনসানুল হক, টোকিও বৈশাখী মেলার সমন্বয়ক জাকির জোয়ার্দার, মাইকেল এলেন, শামীম আহমেদ, আবু সুফিয়ান জুয়েল, দেলওয়ার হোসেন ডিউ, ওয়াহিদ মোল্লা, আজাদ চৌধুরী, মোহাম্মদ শরীফ, সাব্বির আহমেদ, কাহালে কর্ণধার কামরুল হাসান লিপু।

আরও বক্তব্য দেন স্বরলিপির এম আলম মাহী, মুহিত মোহাম্মদ, সুমি চৌধুরী, সায়মন এবং উত্তরণের রতন খন্দকার।
আলোচনার পাশাপাশি গান পরিবেশন করেন সুমি চোধুরী, কুষ্টিয়ার সন্তান রতন খন্দকার লালনের আখড়া, ফরিদা পারভীনের সঙ্গে তার স্মৃতিচারণ এবং সেই সঙ্গে দর্শকদের নিয়ে বেশ কটি লালন গান পরিবেশন করেন।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন এরশাদ রানা।

সব শেষে আহবায়ক শাম্মী বাবলী অনুষ্ঠানে আগত সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান এবং নিজ কন্ঠে লালনের গান গেয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করেন।
ছোট্ট অনাড়ম্বর একটি অনুষ্ঠান, কিন্তু স্নিগ্ধ ও মনোরম পরিবেশনার কারণে অনুষ্ঠানটি উপস্থিত সবার মন জয় করেছে। এমন সুন্দর অনুষ্ঠান আয়োজনের জন্য জাপানপ্রবাসী শিল্পী শাম্মী বাবলীকে সবাই ধন্যবাদ জানান।
স্থানীয় সময় আজ রোববার (১ মার্চ) আইআরজিসি এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, তারা ইসরায়েল ও মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ‘ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা’ চালিয়েছে।
বিবিসি জানিয়েছে, সর্বোচ্চ নেতার মৃত্যুতে ইরানে আজ রোববার (১ মার্চ) থেকে ৪০ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করা হয়েছে।
প্রবাসীদের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে নগদ টাকা, কাতারের আইডি, হেলথ কার্ড, প্রয়োজনীয় ওষুধ, মোবাইল চার্জার ও শুকনো খাবারসহ জরুরি জিনিস সবসময় সঙ্গে রাখার জন্য। একই সঙ্গে কাতারি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে সরকারের নির্দেশনা মেনে চলার অনুরোধ জানানো হয়েছে।
ন্থানীয় ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা কয়েক ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে সেই লকার থেকে ভল্টের চাবি উদ্ধার করেন। এরপর স্থানীয় সময় শুক্রবার ভোর ৫টার দিকে ওই ব্যক্তিকে সুস্থ অবস্থায় ভল্ট থেকে বের করে আনেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।