
বিডিজেন ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক অ্যাডভোকেসি গ্রুপ ‘জুয়িশ ভয়েস ফর পিস’ (জেভিপি) ইসরায়েলকে ইরান আক্রমণ ‘অবিলম্বে বন্ধ’ করার আহ্বান জানিয়েছে। গ্রুপটি সতর্ক করে বলেছে, এই আক্রমণ একটি ‘পূর্ণাঙ্গ আঞ্চলিক যুদ্ধের’ হুমকি তৈরি করছে।
থবর কাতারভিত্তিক সম্প্রচারমাধ্যম আল জাজিরার।
এক্স হ্যান্ডলে প্রকাশিত বিবৃতিতে জেভিপি বলেছে, ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে ইসরায়েল সরকারের যুদ্ধাপরাধের জন্য আন্তর্জাতিকভাবে সমর্থিত দশকের পর দশক ধরে দায়মুক্তি এবং যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে শর্তহীন সামরিক তহবিল আমাদের আজ এই পর্যায়ে এনেছে।
যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েলকে বছরে কমপক্ষে ৩ দশমিক ৮ বিলিয়ন সামরিক সহায়তা দিয়ে থাকে। ২০২৩ সালের অক্টোবরে গাজায় ইসরায়েলের ভয়াবহ বোমা হামলা শুরুর পর থেকে যুক্তরাষ্ট্র আরও বিলিয়ন বিলিয়ন ডলারের সহায়তা পাঠিয়েছে।
গ্রুপটি আরও যোগ করেছে, ইরানের সঙ্গে উত্তেজনার মধ্যেও, ইসরায়েল সরকার যুক্তরাষ্ট্রের তহবিল এবং সমর্থনে ফিলিস্তিনিদের ওপর তাদের নৃশংস গণহত্যা চালিয়ে যাচ্ছে।
জেভিপি জোর দিয়ে বলেছে, ইসরায়েল গণহত্যা চালাচ্ছে এবং আঞ্চলিক যুদ্ধ উসকে দিচ্ছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এখনই ইসরায়েলকে অস্ত্র সরবরাহ বন্ধ করা উচিত।

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক অ্যাডভোকেসি গ্রুপ ‘জুয়িশ ভয়েস ফর পিস’ (জেভিপি) ইসরায়েলকে ইরান আক্রমণ ‘অবিলম্বে বন্ধ’ করার আহ্বান জানিয়েছে। গ্রুপটি সতর্ক করে বলেছে, এই আক্রমণ একটি ‘পূর্ণাঙ্গ আঞ্চলিক যুদ্ধের’ হুমকি তৈরি করছে।
থবর কাতারভিত্তিক সম্প্রচারমাধ্যম আল জাজিরার।
এক্স হ্যান্ডলে প্রকাশিত বিবৃতিতে জেভিপি বলেছে, ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে ইসরায়েল সরকারের যুদ্ধাপরাধের জন্য আন্তর্জাতিকভাবে সমর্থিত দশকের পর দশক ধরে দায়মুক্তি এবং যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে শর্তহীন সামরিক তহবিল আমাদের আজ এই পর্যায়ে এনেছে।
যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েলকে বছরে কমপক্ষে ৩ দশমিক ৮ বিলিয়ন সামরিক সহায়তা দিয়ে থাকে। ২০২৩ সালের অক্টোবরে গাজায় ইসরায়েলের ভয়াবহ বোমা হামলা শুরুর পর থেকে যুক্তরাষ্ট্র আরও বিলিয়ন বিলিয়ন ডলারের সহায়তা পাঠিয়েছে।
গ্রুপটি আরও যোগ করেছে, ইরানের সঙ্গে উত্তেজনার মধ্যেও, ইসরায়েল সরকার যুক্তরাষ্ট্রের তহবিল এবং সমর্থনে ফিলিস্তিনিদের ওপর তাদের নৃশংস গণহত্যা চালিয়ে যাচ্ছে।
জেভিপি জোর দিয়ে বলেছে, ইসরায়েল গণহত্যা চালাচ্ছে এবং আঞ্চলিক যুদ্ধ উসকে দিচ্ছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এখনই ইসরায়েলকে অস্ত্র সরবরাহ বন্ধ করা উচিত।
তিন কূটনীতিক রয়টার্সকে জানান, কাতারের আল উদেইদ বিমানঘাঁটি থেকে কিছু আমেরিকান কর্মীকে বুধবার সন্ধ্যার মধ্যে সরে যেতে বলা হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ভিসা আবেদন যাচাই-বাছাইয়ের সময় বিদ্যমান আইনের অধীনে ভিসা প্রত্যাখ্যানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে চিঠিতে। আগামী ২১ জানুয়ারি থেকে এ নির্দেশ কার্যকর হবে এবং অভিবাসী ভিসা প্রক্রিয়াকরণ পুনর্মূল্যায়ন না করা পর্যন্ত অনির্দিষ্টকালের জন্য অব্যাহত থাকবে বলেও এতে উল্লেখ করা হয়।
রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান পরিস্থিতি এবং বৈশ্বিক আন্তর্জাতিক নিরাপত্তার জন্য ভয়াবহ পরিণতির বিষয়ে আমেরিকাকে সচেতন হতে হবে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই কর্মকর্তা জানান, নিহতদের মধ্যে বিক্ষোভকারী ও নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা রয়েছে। তবে পৃথকভাবে কতজন বিক্ষোভকারী বা কতজন নিরাপত্তা কর্মী মারা গেছে, তার কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য তিনি দেননি।