
নাইম আবদুল্লাহ, সিডনি, অস্ট্রেলিয়া

স্তন ক্যানসারের সচেতনতায় অস্ট্রেলিয়ার নিউ সাউথ ওয়েলথ রাজ্যের রাজধানী সিডনিতে অনুষ্ঠিত হয়েছে তহবিল সংগ্রহের অনুষ্ঠান (পিঙ্ক ব্লুম পার্টি-ব্রেস্ট ক্যানসার রিসার্চ ফান্ড রাইজার)
ডিজি টেক ল্যাবের উদ্যোগে দিনব্যাপী এই আয়োজন ছিল আশা, সচেতনতা ও সহমর্মিতার এক অনন্য উৎসব।
রোববার (১৯ অক্টোবর) স্থানীয় সময় সকালে ক্যাম্বেলটাউনে কোশিগায়া পার্কে এই অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানের মূল লক্ষ্য ছিল স্তন ক্যানসার বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি, মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে আলাপ এবং অস্ট্রেলিয়ান ব্রেস্ট ক্যানসার ট্রাইলের জন্য তহবিল সংগ্রহ করা।

ডিজি টেক ল্যাবের সিইও তামান্না রহমান বলেন, এই অনুষ্ঠান শুধু একটি ফান্ডরাইজার নয়, এটি আমাদের কমিউনিটির একতার প্রতীক। আমরা প্রমাণ করেছি, সহমর্মিতা, সচেতনতা এবং ভালোবাসা একত্রে মিলে কত বড় পরিবর্তন আনতে পারে।
তিনি আরও জানান, তার পরিবারের দুজন সদস্য ক্যানসার থেকে বেঁচে গেছেন। আর তাদের সাহসিকতার গল্প থেকেই এসেছে এই উদ্যোগের অনুপ্রেরণা।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, এই আয়োজন মানুষকে অনুপ্রাণিত করবে নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা, মানসিক সহায়তা এবং ক্যানসার আক্রান্তদের পাশে দাঁড়াতে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ক্যাম্বেলটাউন সিটি কাউন্সিলের কাউন্সিলর মাসুদ চৌধুরী, ইব্রাহিম খলিল মাসুদ ও ক্যারান হান্ট। তারা সবাই এই উদ্যোগের প্রশংসা করে বলেন, সমাজে এমন ইতিবাচক ও মানবিক কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকা উচিত।
এ ছাড়া, অনুষ্ঠানে অংশ নেন কমিউনিটির বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব মোর্তোজা ইব্রাহিমি, মিনা স্কান্ডারি, কামাল পাশা ও রাবিনা মুকতান।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন রেডিও হোস্ট ও Alive90.5FM-এর ‘স্পিক ইওর ট্রুথ শো’-এর প্রযোজক Pri Abayakoon। দিনটির বিশেষ আকর্ষণ ছিল তরুণ প্রতিভা Creshone-এর হৃদয়ছোঁয়া পিয়ানো ও ড্রাম পারফরম্যান্স। যা দর্শকদের মুগ্ধ করে তোলে।
অনুষ্ঠানের সমাপ্তিতে তামান্না রহমান কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, এই অনুষ্ঠানের প্রতিটি অনুদান সরাসরি পৌঁছে যাবে অস্ট্রেলিয়ান ব্রেস্ট ক্যানসার ট্রাইলের কাছে। প্রতিটি দান, যত ছোটই হোক, একটি নতুন আশার প্রতীক।

স্তন ক্যানসারের সচেতনতায় অস্ট্রেলিয়ার নিউ সাউথ ওয়েলথ রাজ্যের রাজধানী সিডনিতে অনুষ্ঠিত হয়েছে তহবিল সংগ্রহের অনুষ্ঠান (পিঙ্ক ব্লুম পার্টি-ব্রেস্ট ক্যানসার রিসার্চ ফান্ড রাইজার)
ডিজি টেক ল্যাবের উদ্যোগে দিনব্যাপী এই আয়োজন ছিল আশা, সচেতনতা ও সহমর্মিতার এক অনন্য উৎসব।
রোববার (১৯ অক্টোবর) স্থানীয় সময় সকালে ক্যাম্বেলটাউনে কোশিগায়া পার্কে এই অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানের মূল লক্ষ্য ছিল স্তন ক্যানসার বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি, মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে আলাপ এবং অস্ট্রেলিয়ান ব্রেস্ট ক্যানসার ট্রাইলের জন্য তহবিল সংগ্রহ করা।

ডিজি টেক ল্যাবের সিইও তামান্না রহমান বলেন, এই অনুষ্ঠান শুধু একটি ফান্ডরাইজার নয়, এটি আমাদের কমিউনিটির একতার প্রতীক। আমরা প্রমাণ করেছি, সহমর্মিতা, সচেতনতা এবং ভালোবাসা একত্রে মিলে কত বড় পরিবর্তন আনতে পারে।
তিনি আরও জানান, তার পরিবারের দুজন সদস্য ক্যানসার থেকে বেঁচে গেছেন। আর তাদের সাহসিকতার গল্প থেকেই এসেছে এই উদ্যোগের অনুপ্রেরণা।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, এই আয়োজন মানুষকে অনুপ্রাণিত করবে নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা, মানসিক সহায়তা এবং ক্যানসার আক্রান্তদের পাশে দাঁড়াতে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ক্যাম্বেলটাউন সিটি কাউন্সিলের কাউন্সিলর মাসুদ চৌধুরী, ইব্রাহিম খলিল মাসুদ ও ক্যারান হান্ট। তারা সবাই এই উদ্যোগের প্রশংসা করে বলেন, সমাজে এমন ইতিবাচক ও মানবিক কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকা উচিত।
এ ছাড়া, অনুষ্ঠানে অংশ নেন কমিউনিটির বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব মোর্তোজা ইব্রাহিমি, মিনা স্কান্ডারি, কামাল পাশা ও রাবিনা মুকতান।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন রেডিও হোস্ট ও Alive90.5FM-এর ‘স্পিক ইওর ট্রুথ শো’-এর প্রযোজক Pri Abayakoon। দিনটির বিশেষ আকর্ষণ ছিল তরুণ প্রতিভা Creshone-এর হৃদয়ছোঁয়া পিয়ানো ও ড্রাম পারফরম্যান্স। যা দর্শকদের মুগ্ধ করে তোলে।
অনুষ্ঠানের সমাপ্তিতে তামান্না রহমান কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, এই অনুষ্ঠানের প্রতিটি অনুদান সরাসরি পৌঁছে যাবে অস্ট্রেলিয়ান ব্রেস্ট ক্যানসার ট্রাইলের কাছে। প্রতিটি দান, যত ছোটই হোক, একটি নতুন আশার প্রতীক।
তিন কূটনীতিক রয়টার্সকে জানান, কাতারের আল উদেইদ বিমানঘাঁটি থেকে কিছু আমেরিকান কর্মীকে বুধবার সন্ধ্যার মধ্যে সরে যেতে বলা হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ভিসা আবেদন যাচাই-বাছাইয়ের সময় বিদ্যমান আইনের অধীনে ভিসা প্রত্যাখ্যানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে চিঠিতে। আগামী ২১ জানুয়ারি থেকে এ নির্দেশ কার্যকর হবে এবং অভিবাসী ভিসা প্রক্রিয়াকরণ পুনর্মূল্যায়ন না করা পর্যন্ত অনির্দিষ্টকালের জন্য অব্যাহত থাকবে বলেও এতে উল্লেখ করা হয়।
রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান পরিস্থিতি এবং বৈশ্বিক আন্তর্জাতিক নিরাপত্তার জন্য ভয়াবহ পরিণতির বিষয়ে আমেরিকাকে সচেতন হতে হবে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই কর্মকর্তা জানান, নিহতদের মধ্যে বিক্ষোভকারী ও নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা রয়েছে। তবে পৃথকভাবে কতজন বিক্ষোভকারী বা কতজন নিরাপত্তা কর্মী মারা গেছে, তার কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য তিনি দেননি।