
বিডিজেন ডেস্ক

ইসরায়েলের ট্যাংক গাজা ভূখন্ডের উত্তর ও দক্ষিণাঞ্চলীয় এলাকাগুলোর বেশ গভীরে ঢুকে পড়েছে এবং ইসরায়েলি হামলায় কমপক্ষে ৪২ জন নিহত হয়েছেন।
খবর কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার।
চিকিৎসা কাজের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো আল–জাজিরা আরবিকে জানিয়েছে, গাজার মধ্যাঞ্চলীয় এলাকাগুলোয় ইসরায়েলি বাহিনী তাদের বোমা হামলা জোরদার করার পর এমন প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে।
গাজা ভূখন্ডের উত্তরাঞ্চলীয় বেইত লাহিয়া শহরে কামাল আদওয়ান হাসপাতালের কাছে একটি বাড়িতে দুটি বিমান হামলায় ৬ জন নিহত হয়েছেন। দক্ষিণাঞ্চলীয় খান ইউনিস এলাকায় একটি মোটরসাইকেলে ইসরায়েলি হামলায় আরও ৪ জন নিহত হয়েছেন। চিকিৎসকদের উদ্ধৃত করে বৃহস্পতিবার বার্তা সংস্থা রয়টার্স এসব তথ্য জানিয়েছে।
পরে পূর্বাঞ্চলীয় খান ইউনিস এলাকায় একটি আশ্রয়শিবিরের কাছে ইসরায়েলের বিমান হামলায় কমপক্ষে ৫ জন নিহত হন। বাস্তুচ্যুত পরিবারগুলো ওই শিবিরে আশ্রয় নিয়েছিল।
নুসেইরাত শরণার্থীশিবিরে ইসরায়েলি যুদ্ধবিমান থেকে কয়েকটি হামলা চালানো হয়েছে। শিবিরের আল আওদা হাসপাতালের স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা বলেছেন, হামলায় কমপক্ষে ১১ জন নিহত হয়েছেন। এতে একটি বহুতল ভবন ধ্বংস হয়ে গেছে এবং বিভিন্ন মসজিদের বাইরের সড়কগুলোয় হামলা হয়েছে।
এক বিবৃতিতে তারা বলেন, আশ্রয়শিবিরের উত্তরাঞ্চলীয় এলাকা থেকে ইসরায়েলি ট্যাংকগুলো অগ্রসর হওয়ায় বেশ কয়েকটি পরিবার তাদের বাড়িতে আটকা পড়েছে। ট্যাংক থেকে অনবরত গোলা ছোড়ার কারণে অ্যাম্বুলেন্স সেখানে পৌঁছাতে পারছে না।
এদিকে অব্যাহত ইসরায়েলি হামলার মধ্যে জাতিসংঘ সতর্ক করে বলেছে, গাজা ভূথন্ডে আটকে পড়া মানুষেরা খাবার ও বিশুদ্ধ পানির অভাবে আছেন।
জাতিসংঘ বলেছে, ‘খাবার-দাবার দুষ্প্রাপ্য হয়ে পড়েছে এবং দুর্ভিক্ষ আসন্ন। গাজার পানি সরবরাহের বেশির ভাগটাই পানের জন্য অনিরাপদ। কোথাও যাওয়ার জায়গা না থাকায় পরিবারগুলো পরিত্যক্ত বাড়িতে বা খোলা জায়গায় বসবাস করছে।
গাজার মধ্যাঞ্চল থেকে আল–জাজিরার প্রতিনিধি তারেক আবু আজুম বলেন, পরিবারগুলো শুধু পানি পান করে এবং খেজুর খেয়ে দিন কাটাচ্ছে। তিনি বলেন, ‘বেসামরিক নাগরিকেরাও বলেছেন, ইসরায়েলি বিমান ও গোলা হামলায় বিধ্বস্ত হওয়া বাড়িঘরের ধ্বংসাবশেষের নিচে তাদের পরিবারের সদস্যরা চাপা পড়েছেন। তাদের উদ্ধার করা যাচ্ছে না।’
গত মঙ্গলবার লেবাননে সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ ও ইসরায়েলের মধ্যকার যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বলেছেন, তিনি এখন গাজা উপত্যকায় যুদ্ধবিরতির জন্য নতুন করে তৎপর হবেন।
বৃহস্পতিবার রাতে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেছেন, গাজা উপত্যকা থেকে ইসরায়েলি জিম্মিদের মুক্তি নিশ্চিত করতে একটি চুক্তিতে পৌঁছানোর ব্যাপারে যথেষ্ট উন্নতি হয়েছে।
স্থানীয় সংবাদমাধ্যম চ্যানেল ফোরটিনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সম্ভাব্য চুক্তির ব্যাপারে জানতে চাওয়া হলে নেতানিয়াহু বলেন, ‘আমি মনে করি, অবস্থার অনেকটাই উন্নতি হয়েছে।’
২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সশস্ত্র সংগঠন হামাস ইসরায়েলে হামলা চালায়। এতে কমপক্ষে ১ হাজার ১৩৯ জন নিহত হয় এবং প্রায় ২৫০ জনকে জিম্মি করে গাজায় নিয়ে যাওয়া হয়। জবাবে সেদিন থেকেই গাজা ভূখন্ডে হামলা শুরু করে ইসরায়েল। তখন থেকে গাজায় কমপক্ষে ৪৪ হাজার ৩৩০ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন।

ইসরায়েলের ট্যাংক গাজা ভূখন্ডের উত্তর ও দক্ষিণাঞ্চলীয় এলাকাগুলোর বেশ গভীরে ঢুকে পড়েছে এবং ইসরায়েলি হামলায় কমপক্ষে ৪২ জন নিহত হয়েছেন।
খবর কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার।
চিকিৎসা কাজের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো আল–জাজিরা আরবিকে জানিয়েছে, গাজার মধ্যাঞ্চলীয় এলাকাগুলোয় ইসরায়েলি বাহিনী তাদের বোমা হামলা জোরদার করার পর এমন প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে।
গাজা ভূখন্ডের উত্তরাঞ্চলীয় বেইত লাহিয়া শহরে কামাল আদওয়ান হাসপাতালের কাছে একটি বাড়িতে দুটি বিমান হামলায় ৬ জন নিহত হয়েছেন। দক্ষিণাঞ্চলীয় খান ইউনিস এলাকায় একটি মোটরসাইকেলে ইসরায়েলি হামলায় আরও ৪ জন নিহত হয়েছেন। চিকিৎসকদের উদ্ধৃত করে বৃহস্পতিবার বার্তা সংস্থা রয়টার্স এসব তথ্য জানিয়েছে।
পরে পূর্বাঞ্চলীয় খান ইউনিস এলাকায় একটি আশ্রয়শিবিরের কাছে ইসরায়েলের বিমান হামলায় কমপক্ষে ৫ জন নিহত হন। বাস্তুচ্যুত পরিবারগুলো ওই শিবিরে আশ্রয় নিয়েছিল।
নুসেইরাত শরণার্থীশিবিরে ইসরায়েলি যুদ্ধবিমান থেকে কয়েকটি হামলা চালানো হয়েছে। শিবিরের আল আওদা হাসপাতালের স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা বলেছেন, হামলায় কমপক্ষে ১১ জন নিহত হয়েছেন। এতে একটি বহুতল ভবন ধ্বংস হয়ে গেছে এবং বিভিন্ন মসজিদের বাইরের সড়কগুলোয় হামলা হয়েছে।
এক বিবৃতিতে তারা বলেন, আশ্রয়শিবিরের উত্তরাঞ্চলীয় এলাকা থেকে ইসরায়েলি ট্যাংকগুলো অগ্রসর হওয়ায় বেশ কয়েকটি পরিবার তাদের বাড়িতে আটকা পড়েছে। ট্যাংক থেকে অনবরত গোলা ছোড়ার কারণে অ্যাম্বুলেন্স সেখানে পৌঁছাতে পারছে না।
এদিকে অব্যাহত ইসরায়েলি হামলার মধ্যে জাতিসংঘ সতর্ক করে বলেছে, গাজা ভূথন্ডে আটকে পড়া মানুষেরা খাবার ও বিশুদ্ধ পানির অভাবে আছেন।
জাতিসংঘ বলেছে, ‘খাবার-দাবার দুষ্প্রাপ্য হয়ে পড়েছে এবং দুর্ভিক্ষ আসন্ন। গাজার পানি সরবরাহের বেশির ভাগটাই পানের জন্য অনিরাপদ। কোথাও যাওয়ার জায়গা না থাকায় পরিবারগুলো পরিত্যক্ত বাড়িতে বা খোলা জায়গায় বসবাস করছে।
গাজার মধ্যাঞ্চল থেকে আল–জাজিরার প্রতিনিধি তারেক আবু আজুম বলেন, পরিবারগুলো শুধু পানি পান করে এবং খেজুর খেয়ে দিন কাটাচ্ছে। তিনি বলেন, ‘বেসামরিক নাগরিকেরাও বলেছেন, ইসরায়েলি বিমান ও গোলা হামলায় বিধ্বস্ত হওয়া বাড়িঘরের ধ্বংসাবশেষের নিচে তাদের পরিবারের সদস্যরা চাপা পড়েছেন। তাদের উদ্ধার করা যাচ্ছে না।’
গত মঙ্গলবার লেবাননে সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ ও ইসরায়েলের মধ্যকার যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বলেছেন, তিনি এখন গাজা উপত্যকায় যুদ্ধবিরতির জন্য নতুন করে তৎপর হবেন।
বৃহস্পতিবার রাতে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেছেন, গাজা উপত্যকা থেকে ইসরায়েলি জিম্মিদের মুক্তি নিশ্চিত করতে একটি চুক্তিতে পৌঁছানোর ব্যাপারে যথেষ্ট উন্নতি হয়েছে।
স্থানীয় সংবাদমাধ্যম চ্যানেল ফোরটিনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সম্ভাব্য চুক্তির ব্যাপারে জানতে চাওয়া হলে নেতানিয়াহু বলেন, ‘আমি মনে করি, অবস্থার অনেকটাই উন্নতি হয়েছে।’
২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সশস্ত্র সংগঠন হামাস ইসরায়েলে হামলা চালায়। এতে কমপক্ষে ১ হাজার ১৩৯ জন নিহত হয় এবং প্রায় ২৫০ জনকে জিম্মি করে গাজায় নিয়ে যাওয়া হয়। জবাবে সেদিন থেকেই গাজা ভূখন্ডে হামলা শুরু করে ইসরায়েল। তখন থেকে গাজায় কমপক্ষে ৪৪ হাজার ৩৩০ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন।
তিন কূটনীতিক রয়টার্সকে জানান, কাতারের আল উদেইদ বিমানঘাঁটি থেকে কিছু আমেরিকান কর্মীকে বুধবার সন্ধ্যার মধ্যে সরে যেতে বলা হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ভিসা আবেদন যাচাই-বাছাইয়ের সময় বিদ্যমান আইনের অধীনে ভিসা প্রত্যাখ্যানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে চিঠিতে। আগামী ২১ জানুয়ারি থেকে এ নির্দেশ কার্যকর হবে এবং অভিবাসী ভিসা প্রক্রিয়াকরণ পুনর্মূল্যায়ন না করা পর্যন্ত অনির্দিষ্টকালের জন্য অব্যাহত থাকবে বলেও এতে উল্লেখ করা হয়।
রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান পরিস্থিতি এবং বৈশ্বিক আন্তর্জাতিক নিরাপত্তার জন্য ভয়াবহ পরিণতির বিষয়ে আমেরিকাকে সচেতন হতে হবে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই কর্মকর্তা জানান, নিহতদের মধ্যে বিক্ষোভকারী ও নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা রয়েছে। তবে পৃথকভাবে কতজন বিক্ষোভকারী বা কতজন নিরাপত্তা কর্মী মারা গেছে, তার কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য তিনি দেননি।