
নাইম আবদুল্লাহ, সিডনি, অস্ট্রেলিয়া

অস্ট্রেলিয়া সরকার আগামী ১০ ডিসেম্বর থেকে কার্যকর করতে যাচ্ছে নতুন একটি আইন। এর অধীনে ১৬ বছরের নিচের কেউ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম (সোশ্যাল মিডিয়া) ব্যবহার করতে পারবে না।
এই সিদ্ধান্ত হয়েছে অনলাইন সেফটি অ্যামেন্ডমেন্ট (সোশ্যাল মিডিয়া মিনিমাম এজ) অ্যাক্ট ২০২৪–এর আওতায়। এই আইন ২০২৪ সালের ২৯ নভেম্বর দেশটির পার্লামেন্টের উভয় কক্ষে অনুমোদন পায়।
আইন অনুযায়ী, ১৬ বছরের নিচের ব্যবহারকারীদের অ্যাকাউন্ট বন্ধ করতে হবে এবং প্ল্যাটফর্মগুলো যদি নিয়ম মানতে ব্যর্থ হয়, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ৫০ মিলিয়ন অস্ট্রেলিয়ান ডলার (প্রায় ৩৩ মিলিয়ন আমেরিকান ডলার) জরিমানা আরোপ করা হবে।
কোন প্ল্যাটফর্মগুলো প্রভাবিত — কী বলেছে কর্তৃপক্ষ
নতুন আইন কার্যকর হলে, নিচের জনপ্রিয় সামাজিক মিডিয়া ও স্ট্রিমিং/শেয়ারিং সাইটগুলোতে বয়সসীমা প্রযোজ্য হবে:
*ফেসবুক
*ইনস্টাগ্রাম
*টিকটক
*স্ন্যাপচ্যাট
*এক্স (সাবেক টুইটার)
*ইউটিউব
*রেড্ডিট
*এ ছাড়া, আরও কিছু অন্য প্ল্যাটফর্ম ও স্ট্রিমিং/শেয়ারিং সাইট।
সরকার বলেছে, শুধু বয়স যাচাই (age verification) পদ্ধতি নেওয়া — অর্থাৎ প্ল্যাটফর্মগুলোকে ‘যুক্তিসঙ্গত পদক্ষেপ‘ নিতে হবে যাতে নিশ্চিত হওয়া যায় অ্যাকাউন্টধারী ১৬ বা তার বেশি বয়সের।
সরকারের যুক্তি ও সমালোচনা
আইন গঠনের পক্ষে যুক্তি রয়েছে যে, অনলাইন প্ল্যাটফর্মগুলোতে শিশুরা প্রায়ই অবৈধ বা ক্ষতিকর কনটেন্টের শিকার হয় — যা তাদের মানসিক স্বাস্থ্যে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
অন্যদিকে সমালোচকেরা বলছেন, ১৬ বছর বয়সসীমা এক ধরনের ‘কঠিন শাস্তিমূলক বিধি‘ (blunt instrument) — এবং এটি বাস্তবায়ন, গোপনীয়তা ও ডিজিটাল অধিকার (digital rights)–এর ক্ষেত্রে জটিলতা তৈরি করতে পারে।
আবার অনেকে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন, এমন নিষেধাজ্ঞা যুব সমাজকে ডিজিটাল যোগাযোগ এবং সামাজিক সংযোগ থেকে বিচ্ছিন্ন করতে পারে। বিশেষ করে এমন পরিবেশে যেখানে বন্ধুবান্ধব বা সহপাঠীদের সঙ্গে যোগাযোগ সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে হয়।
শুরু হয়েছে প্রস্তুতি—কোম্পানিগুলোর প্রতিক্রিয়া
কয়েকটি বড় সামাজিক মিডিয়া কোম্পানি ইতিমধ্যেই আইন অনুযায়ী পদক্ষেপ নিতে শুরু করেছে। উদাহরণ হিসেবে মেটা প্লাটফর্মস (ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামের প্যারেন্ট কোম্পানি) জানিয়েছে, তারা অপ্রাপ্তবয়স্ক ব্যবহারকারীদের শনাক্ত ও তাদের অ্যাকাউন্ট বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
এ ছাড়া, ইউটিউব জানিয়েছে, তারা নতুন আইন মেনে চলবে এবং ১৬ বছরের নিচের ব্যবহারকারীদের জন্য অ্যাক্সেস সীমিত করবে।
সরকারি দায়িত্ব — অপ্রাপ্তবয়স্কদের অ্যাকাউন্ট বন্ধ বা নিরীক্ষণের পাশাপাশি প্রতিটি প্ল্যাটফর্মকে প্রতি মাসে এমন রিপোর্ট করতে হবে, যাতে দেখানো যায় কেমনভাবে তারা আন্ডার ১৬ অ্যাকাউন্টগুলো বন্ধ বা সরিয়ে ফেলেছে।
প্রভাব ও ভবিষ্যৎ দৃষ্টিকোণ
এই নতুন আইন কার্যকর হলে, ১৬ বছরের নিচের লাখ লাখ ব্যবহারকারীর জন্য সোশ্যাল মিডিয়া প্রবেশ বন্ধ হবে — যা ডিজিটাল সামাজিক অভিজ্ঞতায় বড় পরিবর্তন আনতে পারে।
এজ যাচাই (age verification) প্রযুক্তি ও গোপনীয়তা সালিশি (privacy safeguards) — কীভাবে পরিচালনা করা হবে, তা দেখার বিষয়। সফল হলে, অনেক দেশে (বিশেষ করে যেখানে অনলাইন শিশু সুরক্ষা নিয়ে শঙ্কা আছে) এই সিদ্ধান্তকে অনুসরণ করার উদ্যোগ দেখা যেতে পারে।
তবে অনেকে বলছেন, তরুণদের ডিজিটাল অধিকার, সামাজিক যোগাযোগ, এবং শিখনের সুযোগ যাতে সংরক্ষিত থাকে — সেই দিকটাও বিবেচনায় রাখা জরুরি।

অস্ট্রেলিয়া সরকার আগামী ১০ ডিসেম্বর থেকে কার্যকর করতে যাচ্ছে নতুন একটি আইন। এর অধীনে ১৬ বছরের নিচের কেউ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম (সোশ্যাল মিডিয়া) ব্যবহার করতে পারবে না।
এই সিদ্ধান্ত হয়েছে অনলাইন সেফটি অ্যামেন্ডমেন্ট (সোশ্যাল মিডিয়া মিনিমাম এজ) অ্যাক্ট ২০২৪–এর আওতায়। এই আইন ২০২৪ সালের ২৯ নভেম্বর দেশটির পার্লামেন্টের উভয় কক্ষে অনুমোদন পায়।
আইন অনুযায়ী, ১৬ বছরের নিচের ব্যবহারকারীদের অ্যাকাউন্ট বন্ধ করতে হবে এবং প্ল্যাটফর্মগুলো যদি নিয়ম মানতে ব্যর্থ হয়, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ৫০ মিলিয়ন অস্ট্রেলিয়ান ডলার (প্রায় ৩৩ মিলিয়ন আমেরিকান ডলার) জরিমানা আরোপ করা হবে।
কোন প্ল্যাটফর্মগুলো প্রভাবিত — কী বলেছে কর্তৃপক্ষ
নতুন আইন কার্যকর হলে, নিচের জনপ্রিয় সামাজিক মিডিয়া ও স্ট্রিমিং/শেয়ারিং সাইটগুলোতে বয়সসীমা প্রযোজ্য হবে:
*ফেসবুক
*ইনস্টাগ্রাম
*টিকটক
*স্ন্যাপচ্যাট
*এক্স (সাবেক টুইটার)
*ইউটিউব
*রেড্ডিট
*এ ছাড়া, আরও কিছু অন্য প্ল্যাটফর্ম ও স্ট্রিমিং/শেয়ারিং সাইট।
সরকার বলেছে, শুধু বয়স যাচাই (age verification) পদ্ধতি নেওয়া — অর্থাৎ প্ল্যাটফর্মগুলোকে ‘যুক্তিসঙ্গত পদক্ষেপ‘ নিতে হবে যাতে নিশ্চিত হওয়া যায় অ্যাকাউন্টধারী ১৬ বা তার বেশি বয়সের।
সরকারের যুক্তি ও সমালোচনা
আইন গঠনের পক্ষে যুক্তি রয়েছে যে, অনলাইন প্ল্যাটফর্মগুলোতে শিশুরা প্রায়ই অবৈধ বা ক্ষতিকর কনটেন্টের শিকার হয় — যা তাদের মানসিক স্বাস্থ্যে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
অন্যদিকে সমালোচকেরা বলছেন, ১৬ বছর বয়সসীমা এক ধরনের ‘কঠিন শাস্তিমূলক বিধি‘ (blunt instrument) — এবং এটি বাস্তবায়ন, গোপনীয়তা ও ডিজিটাল অধিকার (digital rights)–এর ক্ষেত্রে জটিলতা তৈরি করতে পারে।
আবার অনেকে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন, এমন নিষেধাজ্ঞা যুব সমাজকে ডিজিটাল যোগাযোগ এবং সামাজিক সংযোগ থেকে বিচ্ছিন্ন করতে পারে। বিশেষ করে এমন পরিবেশে যেখানে বন্ধুবান্ধব বা সহপাঠীদের সঙ্গে যোগাযোগ সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে হয়।
শুরু হয়েছে প্রস্তুতি—কোম্পানিগুলোর প্রতিক্রিয়া
কয়েকটি বড় সামাজিক মিডিয়া কোম্পানি ইতিমধ্যেই আইন অনুযায়ী পদক্ষেপ নিতে শুরু করেছে। উদাহরণ হিসেবে মেটা প্লাটফর্মস (ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামের প্যারেন্ট কোম্পানি) জানিয়েছে, তারা অপ্রাপ্তবয়স্ক ব্যবহারকারীদের শনাক্ত ও তাদের অ্যাকাউন্ট বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
এ ছাড়া, ইউটিউব জানিয়েছে, তারা নতুন আইন মেনে চলবে এবং ১৬ বছরের নিচের ব্যবহারকারীদের জন্য অ্যাক্সেস সীমিত করবে।
সরকারি দায়িত্ব — অপ্রাপ্তবয়স্কদের অ্যাকাউন্ট বন্ধ বা নিরীক্ষণের পাশাপাশি প্রতিটি প্ল্যাটফর্মকে প্রতি মাসে এমন রিপোর্ট করতে হবে, যাতে দেখানো যায় কেমনভাবে তারা আন্ডার ১৬ অ্যাকাউন্টগুলো বন্ধ বা সরিয়ে ফেলেছে।
প্রভাব ও ভবিষ্যৎ দৃষ্টিকোণ
এই নতুন আইন কার্যকর হলে, ১৬ বছরের নিচের লাখ লাখ ব্যবহারকারীর জন্য সোশ্যাল মিডিয়া প্রবেশ বন্ধ হবে — যা ডিজিটাল সামাজিক অভিজ্ঞতায় বড় পরিবর্তন আনতে পারে।
এজ যাচাই (age verification) প্রযুক্তি ও গোপনীয়তা সালিশি (privacy safeguards) — কীভাবে পরিচালনা করা হবে, তা দেখার বিষয়। সফল হলে, অনেক দেশে (বিশেষ করে যেখানে অনলাইন শিশু সুরক্ষা নিয়ে শঙ্কা আছে) এই সিদ্ধান্তকে অনুসরণ করার উদ্যোগ দেখা যেতে পারে।
তবে অনেকে বলছেন, তরুণদের ডিজিটাল অধিকার, সামাজিক যোগাযোগ, এবং শিখনের সুযোগ যাতে সংরক্ষিত থাকে — সেই দিকটাও বিবেচনায় রাখা জরুরি।
রয়টার্সের বিশ্লেষণে দেখা যায়, ২৩ জুন থেকে ৬ জুলাইয়ের মধ্যে ট্রাম্প তার প্রকাশ্য বক্তব্যে ৮১ বার ‘কমিউনিজম’ শব্দটি ব্যবহার করেছেন।
দলটির সমালোচকদের অভিযোগ, এএফডি বর্ণবাদী নীতি ও মনোভাবকে উৎসাহিত করে, যা জার্মানির গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের সঙ্গে সাংঘর্ষিক এবং দেশের সাংবিধানিক ব্যবস্থার জন্য হুমকি হতে পারে।
সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশিত ছবিতে দেখা যায়, শহরের কেন্দ্রস্থল শেভচেঙ্কো বুলেভার্ডের একটি ভবনের ওপরের অংশে নিয়ন্ত্রণহীন আগুন জ্বলছে। অন্যদিকে শহরের বিভিন্ন এলাকায় ভবনের জানালা উড়ে গেছে এবং বহু গাড়ি ধ্বংস হয়েছে।